থমথমে জাউয়াবাজারে সেনা-পুলিশের টহল
Why this classification
This is a specific violent incident on 8 May 2026 in which two groups of villagers in Jauwabazar, Sunamganj, fought over a land registration dispute, with stones thrown and at least 70 people injured, including the local MP. It is a physical clash, is recent, and took place in Bangladesh.
Killed
0
Injured
70
Summary
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার জাউয়াবাজারে ২০২৬ সালের ৮ মে (শুক্রবার) জমি রেজিস্ট্রি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৭০ জন আহত হন, যাদের মধ্যে সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুলও ছিলেন। আহতদের মধ্যে ১৯ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং এলাকায় সেনা-পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 70
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 08/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
থমথমে জাউয়াবাজারে সেনা-পুলিশের টহল
থমথমে জাউয়াবাজারে সেনা-পুলিশের টহল সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলাধীন জাউয়াবাজারে দুপক্ষের সংঘর্ষ চলাকালীন মুহূর্ত সমকাল ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬ | ০৮:০৬ | প্রিন্ট সংস্করণ সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার জাউয়াবাজারে জমি রেজিস্ট্রি করা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধের জেরে গ্রামবাসী দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পর সেখানে বিরাজ করছে থমথমে পরিবেশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চলছে সেনা-পুলিশের জোরদার টহল। এরইমাঝে সীমিত পরিসরে ব্যবসায়ীরা দোকানপাট খুলেছেন। বিগত তিন দিন ধরে চলমান উত্তেজনার এক পর্যায়ে শুক্রবার উপজেলার জাউয়াবাজার এলাকায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয় দুপক্ষ। এ সময় সংঘর্ষ থামাতে সেখানে কথা বলতে গেলে ইটের আঘাতে আহত হন সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুলসহ অন্তত ৭০ জন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জাউয়াবাজারসংলগ্ন খিদ্রাখাপন গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আফরোজ মিয়ার কাছ থেকে প্রায় এক বছর আগে কিছু জমি কিনেছিলেন জাউয়াবাজার ইউনিয়নের কোনাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী। বহুবার তাগিদ দেওয়ার পরও জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে গত তিন দিন আগে মোহাম্মদ আলী সাবেক চেয়ারম্যান আফরোজ মিয়াকে গালাগাল করেন। পরে বিষয়টিকে কেন্দ্র করে জাউয়াবাজারে আফরোজ মিয়ার লোকজনের সঙ্গে মোহাম্মদ আলীর লোকজনের হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে বৃহস্পতিবার বিকেলেও উভয়পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি মারধরের ঘটনা ঘটে; যার এক পর্যায়ে শুক্রবার ঘটে সংঘর্ষের ঘটনা। সংঘর্ষের ঘটনায় গুরুতর আহত আকমল মিয়া, লোকমান হোসেন, ইসতিয়াক আহমেদ, হুসাইন মিয়া, জাবেদ আহমদ তালুকদার, হাফিজ আলী, আকিব আলী, আছকন্দর আলী, মিদুল মিয়া, আরিফ আহমেদ, মুহিত মিয়া, খোকন মিয়া, সুমন আহমেদ, মইনুল মিয়াসহ ১৯ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে এমপি কামরুজ্জামান কামরুলের ঘনিষ্ঠ একটা সূত্র সমকালকে এমপির সুস্থতার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার সময় সিলেট থেকে সুনামগঞ্জে ফেরার পথে সড়কে আটকা পড়েন সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল। পরিস্থিতি শান্ত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে সামনে গিয়ে দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় এমপির হাতে ও পায়ে ঢিল পড়ে তিনি আহত হন। এ বিষয়ে জাউয়াবাজার পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ (পরিদর্শক) আব্দুল কবির জানান, মূলত জমির রেজিস্ট্রি না হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্রে করে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জাউয়াবাজার এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। এদিকে সংঘর্ষের সময় আহত হয়েছেন সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল। বর্তমানে সুস্থ আছেন বলে জানা গেছে। এমপি কামরুলের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র সমকাল ঢাকা অফিসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার সময় সিলেট থেকে সুনামগঞ্জে ফেরার পথে সড়কে আটকা পড়েন সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল। সংঘর্ষের খবর শুনে পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য সঙ্গীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলতে যান এমপি। এ সময় সংঘর্ষে লিপ্ত কোনো একটি পক্ষের ছোড়া ইটের আঘাতে আহত হন কামরুজ্জামান। পরে তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তাঁর সঙ্গে থাকা ঘনিষ্ঠজন জানান, এমপি কামরুলের হাতে ও পায়ে ইটের আঘাত লাগে। - বিষয় : - সংঘর্ষ
