মুন্সীগঞ্জে ঈদের দিন সন্ধ্যায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা
Why this classification
This is a single, recent incident in Munshiganj on 21 March 2026, in which a 30-year-old man was hacked to death with a sharp weapon after a land dispute. The article is a primary report of a real killing, not a summary, reaction, or historical account.
Killed
1
Injured
0
Summary
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ির দরজারপাড় এলাকায় ২০২৬ সালের ২১ মার্চ, শনিবার সন্ধ্যায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মোয়াজ্জেম মোল্লা (৩০) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহতের মা অভিযোগ করেছেন, তাঁর দেবরের ছেলেরা ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 21/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
মুন্সীগঞ্জে ঈদের দিন সন্ধ্যায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা
মুন্সীগঞ্জে ঈদের দিন সন্ধ্যায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা প্রতীকী ছবি মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ২২ মার্চ ২০২৬ | ১০:৩০ | আপডেট: ২২ মার্চ ২০২৬ | ১১:৫৭ মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়িতে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মোয়াজ্জেম মোল্লা (৩০) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার দরজারপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোয়াজ্জেম মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই ইউনিয়নের আকালমেঘ গ্রামের তমিজ উদ্দিন মোল্লার ছেলে। স্থানীয়রা জানান, মোয়াজ্জেম মোল্লাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যায় সন্ত্রাসীরা। হামলাকারীদের ভয়ে প্রথমে কেউ তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেনি। পরে সন্ত্রাসীরা চলে গেলে কয়েকজন মিলে অটোরিকশায় করে তাকে উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মা রেনু বেগম জানান, জমিজমা নিয়ে আমার দেবর হাফিজ উদ্দিন মোল্লার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। কিছুদিন আগেও তারা আমার ছেলেকে সন্ত্রাসী ভাড়া করে হত্যা করার হুমকি দেন। আমার ছেলে আলদি বাজার থেকে ফেরার সময় তাকে রাস্তায় কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। তিনি আরও জানান, আমার ছেলের পুরো শরীরে কোপের চিহ্ন আছে। ঈদে ঘুরতে গেছে সাদা পাঞ্জাবি পরে, সেই পাঞ্জাবি এখন রক্তে লাল। আমার ধারণা, আমার দেবরের ছেলে মেজবাহ ও ফেরদৌস ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে আমার ছেলেকে হত্যা করেছে। আমি আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই। মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. অনুপ কুমার সাহা বলেন, রাত পৌনে ৮টার দিকে এক অটোরিকশাচালক তাকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন। মৃত ব্যক্তির শরীরে ধারালো অস্ত্রের ব্যাপক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে তাকে কী ধরনের অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়েছে, তা ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মো. ফিরোজ কবির জানান, ‘কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করলে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - মুন্সীগঞ্জ - কুপিয়ে হত্যা
মুন্সিগঞ্জে মধ্যবয়সীকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলায় মুন্না মৃধা (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। আজ শুক্রবার ভোরে চরকেওয়ার ইউনিয়নের টরকি গ্রামে নিজ বাড়ির সামনে থেকে তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়ি থেকে বের হন মুন্না মৃধা। রাতে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরে শুক্রবার ভোরে স্বজনরা বাড়ির সামনে তাঁকে রক্তাক্ত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। সেখান থেকে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের স্ত্রীর দাবি, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তি কথা বলার কথা বলে মুন্নাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন এবং আজ ভোরে বাড়ির সামনে তাঁর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ রেখে যাওয়া হয়। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, নিহত মুন্না মৃধা মাদকাসক্ত ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে মাদক কেনাবেচার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন। মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তছলিম উদ্দিন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মাদক কেনাবেচা সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং এতে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
