মীরসরাইয়ে ভ্রাতৃবধূর ছোড়া পাথরে প্রাণ হারালেন ভাসুর

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

একটি নির্দিষ্ট ঘটনা: পারিবারিক কলহের জেরে পাথর ছুড়ে এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে; এটি সহিংস অপরাধ এবং ১৪ দিনের মধ্যে সংঘটিত।

Reported by:JugantorDhaka PostCorroborated · 2 sources
04/06/26•Boro Takiya Bazar, 12 No. Khaiyachhara Union

Killed

1

Injured

0

Summary

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে মীরসরাইয়ের খৈয়াছরা ইউনিয়নে পারিবারিক কলহের জেরে চাচাতো ছোট ভাইয়ের স্ত্রী নিক্ষিপ্ত পাথরে সিএনজিচালক আবুল হোসেন জাফর (৫০) ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Abul Hossain Jafar (victim)Tara Begum (accused)Rayhan (accused)Runa Akter (victim's wife)

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 04/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 21/05/26open original ↗

টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করেও অভিযুক্তকে নিয়ে যেতে পারেনি পুলিশ

চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া থানার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানালে পুলিশ ও বিক্ষুব্ধ জনতার মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এ সময় গুলিতে একজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সন্ধ্যায় বাকলিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটার বিসমিল্লাহ ম্যানশন এলাকায় শত শত স্থানীয় বাসিন্দা বিক্ষোভে অংশ নেন। তারা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানান। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের পরও অভিযুক্তকে নিয়ে যেতে পারেনি পুলিশ। রাত নয়টা পর্যন্ত পুলিশ ও স্থানীয়রা অবস্থান করছে ঘটনাস্থলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে ভবনের সিঁড়িঘরে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। অভিযুক্তকে আটক করতে ঘটনাস্থলে যায় বাকলিয়া থানা পুলিশ। পরে অভিযুক্তকে ভবন থেকে বের করে আনার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের গাড়ি ঘিরে ফেলে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সদস্যরা পিছু হটে অবস্থান নেন। এ সময় জনতা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে এবং অভিযুক্তকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে রাত ৮টার দিকে পুলিশ টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এলাকাবাসী। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) দক্ষিণ বিভাগের উপকমিশনার হোসেইন মোহাম্মদ কবির ভুঁইয়া বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ কাজ করছে। আরএমএন/বিআরইউ

Source 2: Jugantor · 05/06/26open original ↗

মীরসরাইয়ে ভ্রাতৃবধূর ছোড়া পাথরে প্রাণ হারালেন ভাসুর

মীরসরাইয়ে ভ্রাতৃবধূর ছোড়া পাথরে প্রাণ হারালেন ভাসুর Advertisement মীরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ মীরসরাইয়ের ১২নং খৈয়াছরা ইউনিয়নের বড়তাকিয়া বাজারসংলগ্ন বাড়িতে চাচাতো ছোট ভাইয়ের বউয়ের ছুড়ে মারা পাথর বুকে লেগে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ভাসুর সিএনজিচালক আবুল হোসেন জাফর (৫০)। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় এ মর্মান্তিক ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহতের স্ত্রী রুনা আক্তার বলেন, সকালবেলা তার ছেলে ইমনের সঙ্গে চাচাতো দেবরের ছেলে রায়হানের ছক্কা খেলাকে কেন্দ্র করে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার রেশ ধরে ওরা আমার দুই ছেলে ইমন ও প্রতিবন্ধী শাহাদাতের ওপর চড়াও হয়। দুপুরে আমার স্বামী বাড়িতে এলে রায়হান তার জেঠাকে দা নিয়ে কোপাতে আসে। আর আমার জা তারা বেগম একটি বড় আকারের পাথর আমার স্বামীর দিকে ছুঁড়ে মারে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমার স্বামী মাটিতে লুটিয়ে পড়ে নিথর হয়ে যায়। পার্শ^বর্তী হাসপাতাল থেকে ডাক্তার নিয়ে এলে তিনি তাকে মৃত ঘোষণা করেন।