বাবুগঞ্জে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের বালু লুট

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

প্রবন্ধে অবৈধ বালু উত্তোলন ও পরিবেশগত ক্ষতি বর্ণিত হয়েছে, যা ধ্বংসাত্মক কাজের (ব্যান্ডলিজম) অন্তর্ভুক্ত; তাই এটি প্রাসঙ্গিক হিংসা এবং ১৪ দিনের মধ্যে প্রকাশিত, তাই রাজনৈতিক হিংসা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

Reported by:JugantorSingle source
30/07/26•Babuganj

Killed

0

Injured

0

Summary

বাবুগঞ্জে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের নেতৃত্বে অবৈধ বালু উত্তোলন চলছে, যা নদীভাঙন ও স্কুল, বাজার, সড়কের ক্ষতি করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ সত্ত্বেও ড্রেজার ব্যবহার অব্যাহত রয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

92% · severity 5

Perpetrator side

Awami LeagueBNPLocals

Victim side

Locals

Other actors

শহীদ প্যাদাঅনিস রহমানমিজানুর রহমানকামরুল নাহার তামান্না

Affected infrastructure

river banksschoolmarketroadshops

Tags

Land DisputeVandalism

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Awami League, BNP, Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 30/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 30/07/26open original ↗

বাবুগঞ্জে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের বালু লুট

বাবুগঞ্জে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের বালু লুট ইজারা ছাড়াই উত্তোলন ভাঙনের মুখে বাজার বসতবাড়ি Advertisement বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বাবুগঞ্জে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের নেতৃত্ব সরকারি বালু লুটে মহোৎসব চলছে। সরকারি বালুমহলের দখলদার পরিবর্তন হলেও মহালগুলোর ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি। একসময় আওয়ামী লীগ নেতাদের দখলে থাকলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দখলে নিয়েছে বিএনপি-যুবদল নেতারা। প্রশাসনকে ম্যানেজ করে স্থানীয় কৃষক দল, ছাত্রদল নেতাদের নেতৃত্বে লুট হচ্ছে সরকারি বালু। গত দুই বছর থেকে বালুমহাল থেকে সরকার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। সূত্র বলছে, প্রকাশ্যে বালু লুট হলেও উপজেলা ভূমি অফিস নীরব। প্রশাসনের নীরবতায় নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। উপজেলা ভূমি অফিসের ভুল তথ্যের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের পূর্ব ভূতেরদিয়া গ্রামকে বালুমহাল হিসাবে ইজারা দিয়া আসছেন জেলা প্রশাসক। পূর্ব ভূতেরদিয়া এলাকাবাসী আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক লিজ প্রদান বাতিল করলেও সেখানে প্রতিনিয়ত চলছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। এ বালুমহালের থাবা বসিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের কৃষক দলের সভাপতি শহীদ প্যাদা ও তার সহযোগীরা। প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিলেও বন্ধ হচ্ছে না বালু উত্তোলন। প্রভাবশালী হওয়ায় প্রতিবাদ করার সাহস পায় না ভুক্তভোগীরা। স্থানীয় প্রশাসন অভিযান চালিয়ে ড্রেজার জরিমানা ও মুচলেকা দিলেও পুনরায় চলতে থাকে বালু ব্যবসায়ীদের এই অবৈধ কর্মযজ্ঞ। সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, আড়িয়াল খাঁ ও সন্ধ্যা নদীতে পাঁচটি ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করছে দেদার। নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে রয়েছে ভূতেরদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মোল্লাহাট বাজার ও সড়ক। স্থানীয়রা জানান, প্রশাসন দায়সারা অভিযান চালিয়ে জরিমানা করে ছেড়ে দিচ্ছেন। এদিকে অবাধে বালু উত্তোলনে সন্ধ্যা ও আড়িয়াল খাঁ নদীর ভাঙনে আবাদি জমি, বসত ভিটা, সরকারি রাস্তা ও স্থাপনা নদীভাঙনের কবলে পড়ে বিলীন হচ্ছে। পূর্ব ভূতেরদিয়া মোল্লাহাট ব্যবসায়ী আনিস রহমান জানান, দুইবার আমার দোকান সরানো হয়েছে, এখন আবার ভাঙনে মুখে রয়েছে। এছাড়া তার কয়েক বিঘা জমি আড়িয়াল খাঁ নদীতে ভেঙে গেছে। ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু কাটায় নদীভাঙনের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুল নাহার তামান্না বলেন, ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করা অবৈধ। তবে দুর্গম এলাকায় রাতে অল্পসংখ্যক জনবল নিয়ে অভিযান করা সম্ভব নয়। তবে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শিগগিরই অভিযান পরিচালিত হবে বলে জানান তিনি।