প্রকাশ্যে মাথায় গুলি করে যুবদল নেতাকে হত্যা
Why this classification
This is a valid violent incident: armed men on a CNG auto-rickshaw shot Jubo Dal leader Masud in the head and body on 13 June 2026 in Raujan, Chattogram, and he died on the spot. The date falls within the 14-day window, and the event is a single, specific murder in Bangladesh.
Killed
1
Injured
0
Summary
চট্টগ্রামের রাউজানের পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে ১৩ জুন ২০২৬ (শনিবার) দুপুর দেড়টায় চার-পাঁচজন অস্ত্রধারী সিএনজি অটোরিকশা থেকে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী ওরফে মাসুদকে গুলি করে হত্যা করে। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাউজান ও রাঙ্গুনিয়ায় কাপ্তাই আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করা হয়, পরে পুলিশ সুপারের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 13/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
প্রকাশ্যে মাথায় গুলি করে যুবদল নেতাকে হত্যা
প্রকাশ্যে মাথায় গুলি করে যুবদল নেতাকে হত্যা রাঙ্গুনিয়া ও রাউজানে সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ Advertisement চট্টগ্রাম ব্যুরো, রাউজান ও রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ চট্টগ্রামের রাউজানে প্রকাশ্যে মাথায় গুলি করে যুবদল নেতা মো. মাকসুদুল হক চৌধুরী ওরফে মাসুদকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার দুপুর দেড়টায় উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারের একটি ওষুধ দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। মাসুদ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন। তিনি রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং মরহুম খালেক চৌধুরীর ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারণা, বালুর ব্যবসা ও দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধ থেকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। মাসুদকে গুলি করার খবর ছড়িয়ে পড়লে বেলা ২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত রাউজানের পাহাড়তলী চৌমুহনী বাজার এলাকায় চট্টগ্রাম-কাপ্তাই আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করা হয়। পরে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের আশ্বাসে অবরোধকারীরা মহাসড়ক থেকে সরে যান। পুলিশ জানায়, বেলা দেড়টার দিকে মাসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ চৌমুহনী বাজারের একটি ওষুধের দোকানের সামনে অবস্থান করছিলেন। এ সময় সিএনজি অটোরিকশায় চার-পাঁচজন অস্ত্রধারী এসে মাসুদকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি করে। সঙ্গে সঙ্গে অটোরিকশা করেই তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। মাসুদের মাথাসহ শরীরের একাধিকস্থানে গুলি লেগেছে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। প্রায় আধঘণ্টা পর ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। হত্যার খবর মুহূর্তেই রাউজান ও রাঙ্গুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে ক্ষোভে ফেটে পড়েন যুবদল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। কাপ্তাই আঞ্চলিক সড়কের রাঙ্গুনিয়ার ইছাখালী এবং রাউজানের পাহাড়তলী এলাকায় টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করা হয়। দুপুরের পর থেকে সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে মানবিক কারণে অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি সেবার যানবাহন চলাচলের সুযোগ দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেফতার ও শাস্তির নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে। একপর্যায়ে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম ঘটনাস্থলে এসে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে পুলিশ সুপার খুনিদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেফতারের আশ্বাস দিলে অবরোধকারীরা মহাসড়ক থেকে সরে যান। নিহত মাসুদের ভাই ও বেতাগী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান পেয়ারুল হক চৌধুরী স্বপন বলেন, ‘আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাই।’ ঘটনার খবর পেয়ে রাঙ্গুনিয়ার সংসদ-সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহির উদ্দিন মোবাইল ফোনে বলেন, ‘মাসুদ চৌধুরীকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তদন্ত করে বিস্তারিত জানানো হবে। রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান চলছে। ঘটনাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’ রাউজান-রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) বেলায়াত হোসেন বলেন, ‘অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’ চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ বলেন, ‘অপরাধী যত বড় মাস্তানই হোক, কাউকে একচুলও ছাড় দেওয়া হবে না। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।’
