সাভারে এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলা

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The incident is classified as political violence because it involved a deliberate cocktail attack on a political rally organized by the National Citizens Party (NCP) in Savar, resulting in injuries to participants.

Reported by:Dhaka PostJugantorCorroborated · 2 sources
06/07/26•Eidgah Math

Killed

0

Injured

1

Summary

৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে সাভারের ঈদগাহ মাঠে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলায় একজন জুলাই শহীদের পিতাসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 5

Perpetrator side

Unknown

Victim side

NCP

Other actors

Father of a July martyr

Affected infrastructure

None

Tags

Rally ViolenceParty Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: NCP

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 06/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 07/07/26open original ↗

সাভারে এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় নিন্দা-প্রতিবাদ শিবিরের

সাভারের ঈদগাহ মাঠে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা ২০২৬’-পরবর্তী শান্তিপূর্ণ সমাবেশে সংঘটিত প্রকাশ্যে ককটেল হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এ প্রতিবাদ জানান। বিবৃতিতে নেতারা বলেন, ‘গতকাল রাতে (৬ জুলাই) সাভারে এনসিপির সমাবেশে পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ফ্যাসিবাদ ও একদলীয় শাসনের ধারক-বাহকদের কাছে ন্যূনতম রাজনৈতিক শিষ্টাচার আশা করা বৃথা। পতিত মাফিয়া চক্র যে দেশে আবারও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চক্রান্তে লিপ্ত, সাভারের এই কাপুরুষোচিত হামলাই তার প্রমাণ।’ “এনসিপির শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে এ ধরনের ভয়ংকর হামলা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। আমরা এই হামলায় একজন ‘জুলাই শহীদের’ পিতাসহ আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।” নেতারা আরও বলেন, ‘নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। কিন্তু একটি পূর্বঘোষিত রাজনৈতিক আয়োজনে এমন ভয়াবহ হামলা প্রশাসনের চরম ব্যর্থতারই প্রমাণ। আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি, প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে এখনো পতিত স্বৈরাচারের দোসররা ঘাপটি মেরে আছে, যাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটছে। এখন সন্ত্রাসীরা জুলাই অভ্যুত্থানের অংশীজনদের পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষে এসে রাজনৈতিক সমাবেশে এমন প্রাণঘাতী হামলা বর্তমান সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিদারুণ ব্যর্থতার নগ্ন বহিঃপ্রকাশ।’ শিবির সভাপতি ও সেক্রেটারি বলেন, ‘রাজনৈতিক কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করতে এ ধরনের সশস্ত্র ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের সুষ্ঠু ও নিরাপদ রাজনৈতিক পরিবেশের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। আমরা অবিলম্বে এই বর্বরোচিত হামলার সঙ্গে জড়িত এবং এর নেপথ্যে থাকা সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’ জেইউ/বিআরইউ

Source 2: Jugantor · 06/07/26open original ↗

খিলক্ষেতে সরকারি জমিতে দোকানপাট, চাঁদা আদায়

নেপথ্যে বিএনপি নেতার সিন্ডিকেট খিলক্ষেতে সরকারি জমিতে দোকানপাট, চাঁদা আদায় এককালীন ও দৈনিক ভিত্তিতে টাকা তোলে দখলকারীরা Advertisement খিলক্ষেত (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ছবি: যুগান্তর রাজধানীর খিলক্ষেতে রেলওয়ের সরকারি জমি, রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে অস্থায়ী দোকানপাট বসিয়ে চাঁদা তুলছে প্রভাবশালী একটি গ্রুপ। তারা মৌসুমি আমের আড়ত বসানো ও গণশৌচাগার নিয়ন্ত্রণসহ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা তুলছে। এমনকি ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকদেরও চাঁদা দিতে হয়। এসব অপকর্মের অভিযোগ উঠেছে খিলক্ষেত থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মশিউর রহমান মসি ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে। তারা একটি সিন্ডিকেট তৈরি করে নানা অপকর্ম চালাচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই সরকারি জায়গা দখল করেছে ওই সিন্ডিকেট। তাদের অন্যতম সহযোগী ‘মামুন বাহিনীর’ সদস্যরা। এই বাহিনীকে ব্যবহার করে তারা এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গেছে, ৫ আগস্টের পর খিলক্ষেতে নতুন করে দখল ও নিয়ন্ত্রণের লড়াই শুরু হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, আগে যেসব জায়গা অন্য একটি প্রভাবশালী চক্রের নিয়ন্ত্রণে ছিল। বর্তমানে সেসব জায়গার পাশাপাশি নতুন নতুন সরকারি জমিও নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে ওই সিন্ডিকেট। অনুসন্ধানে জানা গেছে, খিলক্ষেত রেলওয়ের পুরোনো দখল করা জায়গার পাশাপাশি কুড়িল ফ্লাইওভার ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচের বিশাল সরকারি খালি জায়গাও দখল হয়ে গেছে। রাতারাতি শতাধিক অস্থায়ী দোকান বসিয়ে চলছে রমরমা ব্যবসা। সব দোকান থেকে এককালীন ও দৈনিক ভিত্তিতে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করা হচ্ছে। আম ব্যবসায়ী সাহাবুল বলেন, ‘এখানে এক ক্যারেট আম বিক্রি করলেই ৩৫ টাকা করে দিতে হয়। ট্রাক থেকে আম নামানোর সময় মসির লোকজন এসে সব হিসাব লিখে রাখে। এই টাকা না দিয়ে এখানে ব্যবসা করার কোনো সুযোগ নেই।’ শুধু আমের আড়ত নয়, খিলক্ষেত এলাকার গণশৌচাগার (পাবলিক টয়লেট) নিয়ন্ত্রণেও একই সিন্ডিকেটের প্রভাব রয়েছে বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের। ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পটপরিবর্তনের পর দখলবাজি নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষ হয়। এ সময় তাদের দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিতেও দেখা যায়। সম্প্রতি ফুটপাত ও দোকানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলার ঘটনায় খিলক্ষেত থানায় মামলা হয়। প্রধান আসামি মামুনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে স্থানীয়দের দাবি, পরে সে জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও মসির অনুসারীদের সঙ্গে সক্রিয় হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি নেতা মশিউর রহমান মসি প্রথমে বলেন, ‘আমি এসব বিষয়ে অবগত নই।’ পরে তিনি বলেন, ‘এই একটি ফলের মার্কেট দিয়ে আমার অনুসারী ৫০ জন কর্মীর সংসার চলে।’ দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘পারলে নিউজ করে দেন, আমার এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য নেই।’ এরপর তিনি ফোন কেটে দেন। এ বিষয়ে খিলক্ষেত থানা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুল হক বলেন, ‘সরকারি জায়গায় কোনো ধরনের দোকান বসাতে আমরা মসিকে নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু সে দলের নির্দেশনা না মেনে নিজের প্রভাব খাঁটিয়ে এসব দোকান দিয়েছে। এর সঙ্গে দলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এটি সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত বিষয়।’ খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাব হোসাইন বলেন, ‘এই বিষয়টি আমি প্রথম শুনলাম। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ বাংলাদেশ রেলওয়ে ঢাকার বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা শিমুল কুমার সাহা বলেন, রেলওয়ের মালিকানাধীন সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থার নিয়ম আছে। দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।