কলেজছাত্রকে রাতভর নির্যাতন-লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ
Why this classification
The article reports a concrete incident of a student being abducted, beaten and extorted for money in Patuakhali on 4 October 2026, which meets the violence definition and falls within the 14‑day recency window.
Killed
0
Injured
1
Summary
৪ অক্টোবর রাতে পটুয়াখালির মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের বসাক বাজারে কলেজ ছাত্র মনিরকে দুইজন ছাত্রসদস্য (সাকিব মাদবর ও সিয়াম) তুলে নিয়ে এক রাত ধরে মারধর ও ফোন চুরি করে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। তিনি আহত অবস্থায় ৫ অক্টোবর পটুয়াখালি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 04/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
কলেজছাত্রকে রাতভর নির্যাতন করে মুক্তিপণ আদায়, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা
পটুয়াখালী কলেজছাত্রকে রাতভর নির্যাতন করে মুক্তিপণ আদায়, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মনিরুল ইসলাম ইমন। ছবি: সমকাল পটুয়াখালী প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬ | ২০:৫০ পটুয়াখালীতে মনিরুল ইসলাম ইমন নামে এক কলেজছাত্র শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, সাকিব আল হাসান নামে ছাত্রদলের এক নেতার নেতৃত্বে গত রোববার রাতভর তাকে নির্যাতন করা হয়। পরে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে, অভিযোগ অস্বীকার করে সাকিব বলেছেন, ইমনকে এক স্কুলছাত্রীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় আটক এবং পরে মারধর করে জনতা। আহত ইমনকে গত সোমবার বিকেলে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেদিন সন্ধ্যায় একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায়, ইমন মেঝেতে বসে আছেন। ইমন পটুয়াখালী সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে স্নাতক (সম্মান) পাস করেছেন। স্নাতকোত্তরে ভর্তি হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন। পাশাপাশি একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন। ওষুধের ব্যবসাও আছে তাঁর। নির্যাতন ও পণ আদায় করে মুক্তি দেওয়ার অভিযোগে ইমনের বড় ভাই লিমন মাহমুদ গাজী বাদী হয়ে মঙ্গলবার পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা করেছেন। ইমন সমকালকে বলেন, ‘পটুয়াখালী সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক সাকিব আল হাসান আমার পূর্বপরিচিত। রোববার রাত ১১টার দিকে বসাক বাজারে গেলে তাকে মোবাইলে মেসেজ পাঠাই। সে আমাকে চা পান করতে মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডে যেতে বলে। আমি সেখানে যাই ও চা পান করি। এরপর কথা বলতে বলতে ভেতরের রাস্তা ধরে হাঁটতে থাকি। সাকিবের সঙ্গে আরও কয়েকজন ছিল। তখন আমার স্যামসাং গ্যালাক্সি এস-২৫ আল্ট্রা মোবাইল ফোনটি সাকিব নেয় এবং ভালো ছবি হয় বলে দুই/তিন দিন তার কাছে রাখতে চায়। আমি ফোন দিতে রাজি না হওয়ায় তারা আমাকে চড়-থাপ্পড় মারে। পরে একটি বিদ্যালয়ে, কখনও পরিত্যক্ত বাড়িতে, কখনও বাসার মধ্যে নিয়ে আমাকে রাতভর পিটিয়ে আহত করে। একপর্যায়ে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। আমার আপত্তিকর কিছু ছবি তুলে এবং ভিডিও ধারণ করে। এ ঘটনা কাউকে বললে ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। আমি চুরি করতে এসেছি–এমন স্বীকারোক্তিও আমার কাছ থেকে আদায় করে তারা। তাদের হাত থেকে বাঁচার জন্য আমাকে যা যা বলতে বলেছে আমি তাই বলেছি। তা না হলে ওরা আমাকে মেরে ফেলত। আমার এক বন্ধুর মাধ্যমে সকালে এক লাখ টাকা পণ দিয়ে তাদের হাত থেকে মুক্তি পাই।’ মনিরুল আরও বলেন, ‘বছরখানেক হয় আমি বিয়ে করেছি। আমি কেন মেয়েলি ঘটনায় জড়াব? মূলত তারা নারীসংক্রান্ত ঘটনায় জড়িয়ে এই বর্বরোচিত ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।’ এদিকে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে সাকিব বলেন, ‘ওই ছেলেকে (ইমন) আমি চিনি না। অনৈতিক কর্মকাণ্ড করতে এলে লোকজন ধরে তাকে ধরে উত্তমমধ্যম দেয়। আমি ডাক-চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করি।’ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী হাসান শামীম চৌধুরী বলেন, ‘ঘটনাটি নিয়ে দুই ধরনের বক্তব্য পাওয়া গেছে। তবে, কারণ যাই হোক, ছেলেটি ভয়ানক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এটি মানা যায় না। আমরা বিষয়টির খোঁজ-খবর নিচ্ছি। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সাকিবের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, ঘটনা শোনার পর পুলিশকে ঘটনাস্থলে ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। মামলা নেওয়া হয়েছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। - বিষয় : - পটুয়াখালী - ছাত্রদল নেতা - মারধর - নির্যাতন
কলেজছাত্রকে রাতভর নির্যাতন-লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ
পটুয়াখালীতে মনির নামে এক কলেজছাত্রকে তুলে নিয়ে রাতভর মারধর ও নির্যাতনের পর এক লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে পটুয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক সাকিব মাদবর ও ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী সিয়ামের বিরুদ্ধে। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে আহত অবস্থায় মনিরকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি পটুয়াখালী সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের স্নাতক শ্রেণির শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে পটুয়াখালী সদর উপজেলার মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের বসাক বাজার এলাকা থেকে মনিরকে তুলে নিয়ে একটি নির্জন স্থানে আটকে রাখা হয়। সেখানে তাকে মারধর করা হয় এবং তার ব্যবহৃত Samsung S25 Ultra মোবাইল ফোনটি রেখে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ নেওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে দাবি করেছেন মনিরের স্বজনরা। পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক তামান্না রহমান বলেন, মনিরের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত বলা যাবে। ভুক্তভোগী মনির বলেন, রাতে সাকিব ও সিয়াম আমাকে ধরে নিয়ে যায়। এরপর আমাকে মারধর করে আমার Samsung S25 মোবাইল ফোন রেখে দেয় এবং এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে আমার এক বন্ধুর মাধ্যমে তাদের এক লাখ টাকা দিলে তারা আমাকে ছেড়ে দেয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ছাত্রদল নেতা সাকিব মাদবর। তিনি বলেন, আমরা তাকে আটকে রেখে কোনো মারধর করিনি। গভীর রাতে মনির আমাদের এলাকার এক মেয়ের বাড়িতে এসেছিল। পরে উত্তেজিত জনতা তাকে সেখানে মারধর করে। ফোন পেয়ে আমি সেখানে উপস্থিত হই। এ সময় তার কাছ থেকে কোনো মোবাইল বা টাকা নেওয়া হয়নি। আমার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে গিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছেন পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান। তিনি বলেন, ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সোহাইব মাকসুদ নুরনবী/এসএইচএ
পটুয়াখালীতে ঘরে একা পেয়ে শিশুকে ধর্ষণ
পটুয়াখালীতে ঘরে একা পেয়ে শিশুকে ধর্ষণ কিশোর গ্রেফতার Advertisement পটুয়াখালী দক্ষিণ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ পটুয়াখালীর সদর উপজেলায় দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে (৮) ধর্ষণের অভিযোগে এক কিশোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মামলা সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শিশুটির মা-বাবা বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে গরুর খড়কুটা আনতে যান। এ সময় শিশুটি বাড়িতে একা ছিল। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ওই কিশোর ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। পরে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে শিশুটির মারাত্মক রক্তক্ষরণ হয়। অভিযুক্ত পালিয়ে যাওয়ার পর শিশুটি চিৎকার করলে তার বাবা বাড়িতে এসে তাকে গুরুতর অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় শিশুটিকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা করেন।
