সংঘর্ষে এক ডাকাত নিহত, গৃহকর্তা ও ছেলে আহত

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

A group of 7 to 8 armed robbers broke into a house in Nazirpur, Pirojpur, on the night of Saturday 18 April 2026 and attacked the householder with sharp weapons. In the ensuing struggle one robber was killed and two members of the household were stabbed and seriously injured, so this is a concrete, recent violent incident.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
19/04/26•কলারদোয়ানিয়া গ্রাম

Killed

1

Injured

2

Summary

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার কলারদোয়ানিয়া গ্রামে ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (শনিবার) রাতে ৭-৮ জনের সশস্ত্র ডাকাত দল এক বাড়িতে ঢুকে গৃহকর্তা উজ্জ্বল বাহাদুর ও তার ছেলের ওপর হামলা চালায়। সংঘর্ষে ডাকাত দুলাল নিহত হন এবং গৃহকর্তা ও তার ছেলে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

উজ্জ্বল বাহাদুর (গৃহকর্তা, কলেজ শিক্ষক)মিশকাফ বাহাদুর (গৃহকর্তার ছেলে)দুলাল (নিহত ডাকাত)সশস্ত্র ডাকাত দল (৭-৮ জন, পলাতক সদস্যরা শনাক্তের চেষ্টায়)অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাসরিন জাহাননাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম

Affected infrastructure

জানালা

Tags

RobberyMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 19/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 20/04/26open original ↗

জমির বিরোধে কলেজছাত্র খুন

জমির বিরোধে কলেজছাত্র খুন প্রতীকী ছবি সমকাল ডেস্ক প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৬ | ১০:০৪ পিরোজপুরের নাজিরপুরে ডাকাতিকালে গৃহকর্তার প্রতিরোধে একজন নিহত হয়েছেন। এ সময় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত হন আরও দুজন। গত শনিবার রাতে উপজেলার কলারদোয়ানিয়া ইউনিয়নের কলারদোয়ানিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত দুলাল রাঢ়ী (২৬) বরিশালের হিজলা উপজেলার বিশোর গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন গৃহকর্তা নাজমুল হাসান উজ্জ্বল বাহাদুর (৫১) ও তাঁর ছেলে মিশকাত বাহাদুর (১৯)। স্থানীয় সূত্র জানায়, নাজমুল হাসান উজ্জ্বল বাহাদুর স্থানীয় একটি বেসরকারি কলেজের শিক্ষক। শনিবার দেড়টার দিকে সাত-আটজন সশস্ত্র ডাকাত তাঁর বাড়িতে হানা দেয়। তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন উজ্জ্বল বাহাদুর। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ডাকাতরা তাঁকে কোপাতে থাকলে পরিবারের সদস্যরাও যোগ দেন। এক পর্যায়ে সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী এগিয়ে আসেন। এ সময় অন্য ডাকাতরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় ডাকাত দলের সদস্য দুলাল রাঢ়ী, গৃহকর্তা উজ্জ্বল বাহাদুর ও তাঁর ছেলে মিশকাতকে নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর চিকিৎসকরা দুলাল রাঢ়ীকে মৃত ঘোষণা করেন। জমির বিরোধে প্রাণহানি হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে মঞ্জুর মিয়া (২৩) নামের এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। গতকাল রোববার সকালে উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের বেগমপুর গ্রামে এই সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ২০ জন আহত হন। নিহত মঞ্জুর মিয়া ওই গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে। তিনি নবীগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজের বিএ প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। এলাকাবাসী জানান, বেগমপুরের খলিলুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে সরকারি জমিতে ঘর তৈরি করে বসবাস করছিলেন। একই গ্রামের হেলাল মিয়া ও মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন পক্ষ জমিটি দখলের পাঁয়তারা করে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। রোববার সকালে হেলাল ও মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে সশস্ত্র লোকজন জমিটি দখলের চেষ্টা চালায়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে মঞ্জুর মিয়াসহ ২০ জন আহত হন। তাদের নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। চিকিৎসক মঞ্জুর মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে সাফি মিয়া (৩২), মুজিবুর রহমান (৩২), শামিম মিয়া (৫০), মামুন মিয়া (৩১), জুনেদ মিয়া (২৮), রুহেল মিয়া (৩৮), ইমন মিয়া (১৭), কাউছার মিয়া (২২), জুয়েল আহমেদ (৩২) ও মামুন মিয়ার (২৬) নাম জানা গেছে। নবীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দুলাল মিঞা বলেন, সরকারি জমি নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ ছিল। এ নিয়ে রোববার সকালের সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হন। তাদের হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মঞ্জুর মিয়া নামের একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সংঘর্ষে জড়িতদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। প্রাইভেটকারে উঠে গেল প্রাণ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুরে আতিকুর রহমান (৫০) নামের এক ব্যক্তির হাত বাঁধা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত শনিবার রাত সোয়া ৯টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার পাকুল্যা ফিলিং স্টেশনের পূর্বপাশে তাঁকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। আতিকুর রহমান টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দশআনি বকশিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। তাঁর স্ত্রী শারমিন রহমান গাজীপুরের মৌচাকের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক। সেখানেই থাকেন তিনি। পুলিশ জানায়, শনিবার বিকেলে আতিকুর রহমান মৌচাক যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল রাবনা বাইপাস থেকে একটি প্রাইভেটকারে ওঠেন। রাতে স্থানীয় লোকজন হাত বাঁধা অবস্থায় তাঁকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে সংবাদ দেয়। রাত সোয়া ৯টার দিকে আতিকুরকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, তাদের ধারণা, অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা সবকিছু লুটে তাঁকে হত্যা করে ফেলে দেয়। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রোববার সকালে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্তঃসত্ত্বা নারীর ঝুলন্ত লাশ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে শ্বশুরবাড়িতে পাওয়া গেছে সুমাইয়া আক্তার রাহিমা নামের এক নারীর লাশ। স্বজনদের অভিযোগ, বালিশচাপা দিয়ে তাকে হত্যার পর শ্বশুরবাড়ির লোকজন মরদেহ ঝুলিয়ে রাখে। রাহিমা টাঙ্গাইল সদরের মগড়া ইউনিয়নের চৌধুরী মালঞ্চ গ্রামের রপচার মিয়ার মেয়ে। তাঁর চাচা উজ্জ্বল হোসেন জানান, পাঁচ মাস আগে দেলদুয়ারের পাথরাইল ইউনিয়নের দশাকিয়া গ্রামের প্রবাসী মো. সাদির সঙ্গে তাঁর ভাতিজির বিয়ে হয়। শুরু থেকেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ দেখা দেয়। শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে রাহিমার সম্পর্কের অবনতি হয়। দেড় মাস আগে সাদি দুবাই চলে যান। শনিবার গভীর রাতে ঘরের ধরনার সঙ্গে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় রাহিমার লাশ পাওয়া যায়। উজ্জ্বল হোসেন বলেন, রাহিমা তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। এ অবস্থায় কোনোভাবেই সে আত্মহত্যা করতে পারে না। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিচার দাবি করেন উজ্জ্বল হোসেন। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার রামশীল ইউনিয়নের খাগবাড়ী গ্রামের মনোতোষ ঘটকের সঙ্গে প্রতিবেশী গৌরাঙ্গ ঘটকের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জেরে রোববার বিকেলে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে গৌরাঙ্গ ও তাঁর স্ত্রী পুতুল মিলে মনোতোষকে মারধর করেন। পরিবারের লোকজন গুরুতর অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মনোতোষ খাগবাড়ী গ্রামের মৃত সিদ্ধেশ্বর ঘটকের ছেলে। - বিষয় : - পিরোজপুর

Source 2: Jugantor · 20/04/26open original ↗

সংঘর্ষে এক ডাকাত নিহত, গৃহকর্তা ও ছেলে আহত

নাজিরপুরে ডাকাতির চেষ্টা সংঘর্ষে এক ডাকাত নিহত, গৃহকর্তা ও ছেলে আহত Advertisement পিরোজপুর ও নাজিরপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার কলারদোয়ানিয়া গ্রামে শনিবার রাতে ডাকাতির চেষ্টাকালে সংঘর্ষে এক ডাকাত নিহত হয়েছে। এ সময় ডাকাতের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন গৃহকর্তা উজ্জ্বল বাহাদুর (৫১) ও তার ছেলে মিশকাফ বাহাদুর। নিহত ডাকাতের নাম দুলাল। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত ২টার দিকে ৭-৮ জনের সশস্ত্র ডাকাত দল স্থানীয় উজ্জ্বল বাহাদুরের বাড়ির সুপারি গাছ বেয়ে জানালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় তারা গৃহকর্তাকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করলে পরিবারের সদস্যরা চিৎকার শুরু করেন। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও কোপাকুপির ঘটনা ঘটে। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা এগিয়ে আসেন। তখন ডাকাত দলের বাকি সদস্যরা ফাঁকা গুলি ছুড়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। সংঘর্ষে আহতদের নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ডাকাত দুলালকে মৃত ঘোষণা করেন। গৃহকর্তা ও তার ছেলেকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ডাকাত দুলাল বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলার একতাবাজার এলাকার মজিবর রাড়ীর ছেলে। পালিয়ে যাওয়া অন্যদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। উজ্জ্বল বাহাদুর স্থানীয় একটি বেসরকারি কলেজের শিক্ষক। ধারণা করা হচ্ছে, টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালংকার লুটের উদ্দেশ্যে ডাকাতরা তার বাড়িতে হানা দিয়েছিল। তবে গৃহকর্তার পরিবারের প্রতিরোধের মুখে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল, পিরোজপুর) নাসরিন জাহান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।