বগুড়ায় শিবির ছাত্রের প্রতিবাদে পুলিশ বাগবিতণ্ডা

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

প্রবন্ধে শিবিরের ছাত্রদের প্রতিবাদে পুলিশের সঙ্গে শারীরিক বাগবিতণ্ডা বর্ণিত হয়েছে এবং এটি বিএনপি ও জামায়াতের ছাত্র শাখার মধ্যে রাজনৈতিক সংঘর্ষ, তাই এটি রাজনৈতিক হিংসা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে।

Reported by:JugantorDhaka PostCorroborated · 2 sources
12/07/26•Satmatha

Killed

0

Injured

0

Summary

বগুড়ার সাতমাথা এলাকায় শিবিরের ছাত্রদের প্রতিবাদে পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয় এবং পরে বিএনপি নেতা ফারুক হোসেনকে বহিষ্কার করা হয়।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 2

Perpetrator side

Law Enforcement

Victim side

Jamaat

Other actors

ফারুক হোসেনসিফাত হোসেনআলি আজগর তালুকদার হেনাএমআর ইসলাম স্বাধীনআশিক আশরাফমনিরুজ্জামান মনি

Tags

Party ClashElection Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Jamaat

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 12/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 15/07/26open original ↗

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ছেলের অংশগ্রহণ, পদ হারালেন বিএনপি নেতা

চলমান এইচএসসি পরীক্ষাকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ছেলের অংশগ্রহণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বগুড়ায় বিএনপির এক নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃত নেতা ফারুক হোসেন বগুড়া জেলা বিএনপির সদস্য এবং বগুড়া শহর বিএনপির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। তবে তার দাবি, কোনো কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ ছাড়াই তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি এ সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ বলেও অভিযোগ করেছেন। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে বগুড়া মহানগর বিএনপির দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ফারুক হোসেনকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়। বুধবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি। দলীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফারুক হোসেনের ছেলে সিফাত হোসেন সরকারি শাহ সুলতান কলেজের শিক্ষার্থী এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। মঙ্গলবার এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে বগুড়া শহরের সাতমাথা এলাকায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সেও অংশ নেয়। এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা সাতমাথা এলাকায় সড়ক অবরোধ করলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় সিফাত হোসেনের সঙ্গে দায়িত্বরত এক পুলিশ কর্মকর্তার বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা বিএনপির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেন। তাদের আশ্বাসের পর শিক্ষার্থীরা অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফারুক হোসেনকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত আসে। বহিষ্কারের বিষয়ে ফারুক হোসেন বলেন, আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে শুনেছি। কিন্তু এর আগে আমাকে কোনো শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়নি। আমার ছেলের বয়স ১৮ বছর। সে ছাত্রশিবিরকে সমর্থন করে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জেলা বিএনপিতে এমন অনেক নেতা আছেন, যাদের পরিবারের সদস্যরা আওয়ামী লীগ বা জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। আমাকে যদি এ কারণে বহিষ্কার করা হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও একই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বগুড়া মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফারুক হোসেনকে মহানগর বিএনপি ও জেলা বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে বহিষ্কারের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে তিনি আর কোনো মন্তব্য করেননি। আব্দুল মোমিন/এএমকে

Source 2: Jugantor · 16/07/26open original ↗

ছেলে আন্দোলনে বগুড়ায় বিএনপি নেতা বহিষ্কার

ছেলে আন্দোলনে বগুড়ায় বিএনপি নেতা বহিষ্কার Advertisement বগুড়া ব্যুরো প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বগুড়ায় শিবিরকর্মী ছেলে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অংশ নেওয়ায় বিএনপি নেতা ফারুক হোসেনকে দল থেকে বহিষ্কারের অভিযোগ উঠেছে। ফারুক জেলা বিএনপির নির্বাহী সদস্য, মহানগর বিএনপির তথ্য সম্পাদক এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তার দাবি, কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে বগুড়া মহানগর বিএনপির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সংগঠনবিরোধী সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ফারুক হোসেনকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি। দলীয় সূত্র জানায়, ফারুকের ছেলে সিফাত হোসেন বগুড়া সরকারি শাহ সুলতান কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। মঙ্গলবার এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অংশ নিয়ে তিনি শহরের সাতমাথা এলাকায় সড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে ছিলেন। এ সময় সিফাতের সঙ্গে পুলিশের বাগবিতণ্ডা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর তালুকদার হেনা, বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এমআর ইসলাম স্বাধীনসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা ঘটনাস্থলে এসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বললেন। এরপর শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নেন। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফারুককে বিএনপি থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত আসে। ফারুক বলেন, তিনি ২২ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতি করছেন। গত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে হামলা-মামলাসহ নানা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এমনকি ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময়ও তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ আটটি মিথ্যা মামলা হয়েছে। ছেলে ছাত্রশিবিরকে সমর্থন করে। সে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে তাকে (ফারুক) কোনো কারণ দর্শানো নোটিশ ছাড়াই দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, তিনি আগামী বগুড়া সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী। এ কারণে প্রতিপক্ষরা তাকে ছেলের অছিলায় দল থেকে বহিষ্কার করেছেন। মহানগর বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আশিক আশরাফ বলেন, ঊর্ধ্বতন নেতাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডবহির্ভূত কার্যকলাপের কারণে ফারুক হোসেনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের কয়েকজন নেতা দাবি করেন, কাউন্সিলর নির্বাচনে ফারুক হোসেন ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সির প্রার্থী। এটা দলের অনেকে মেনে নিতে পারছিলেন না। তাই ছেলে শিবিরকর্মী শিক্ষার্থী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অজুহাতে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে দলের শীর্ষ নেতাদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।