রাতের আঁধারে দেওয়া হয় বিষ, মারা গেল খামারির ৫ লাখ টাকার মাছ
Why this classification
This is a single, recent, deliberate act of destruction inside Bangladesh: someone poisoned a fish pond overnight, killing about 20-22 maund of tilapia and causing around 5 lakh taka in losses. It is classed as vandalism, a destructive act, though no people were hurt and the perpetrator is not known.
Killed
0
Injured
0
Summary
সোমবার (২০২৬-১০-১২) রাতে হাতিয়ার জাহাজমারা সেন্টারবাজার সংলগ্ন বিরবিরি গ্রামের ধানিয়া মৎস্য খামারের পুকুরে বিষ দিয়ে প্রায় ২০-২২ মণ তেলাপিয়া মাছ মেরে ফেলা হয়েছে। এতে খামারি মহব্বত হোসেনের প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
75% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
নোয়াখালীতে টাকা চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, আটক ২
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় টাকা চুরির অভিযোগে কবির হোসেন (৩৫) নামের এক মানসিক প্রতিবন্ধী যুবককে মারধর করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
রাতের আঁধারে দেওয়া হয় বিষ, মারা গেল খামারির ৫ লাখ টাকার মাছ
নোয়াখালীর হাতিয়ায় রাতের আঁধারে পুকুরে বিষ দিয়ে মেরে ফেলা হয় খামারির মাছ। এতে প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয় খামারির। আজ সোমবার সকালে উপজেলার জাহাজমারা সেন্টারবাজার-সংলগ্ন বিরবিরি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, ধানিয়া মৎস্য খামার নামে এই খামারটি ভাড়া নিয়ে মাছের চাষ করে আসছে মহব্বত হোসেন নামে এই খামারি। প্রতিদিনের মতো সকালে সে খামারে এসে দেখেন পুকুরে থাকা সব মাছ মরে ভেসে উঠছে। পরে পুকুরের কাছে গিয়ে নিশ্চিত হন পুকুরে বিষ দেওয়া হয়েছে। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে জাল টেনে পুকুরে থাকা সকল মাছ তুলে ফেলেন। কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয়নি। রাতেই বিষ দেওয়ায় সকাল পর্যন্ত সবগুলো মাছ মরে গিয়ে পচন ধরে গেছে। স্থানীয় প্রবাসী নুর হোসেন জানান, মহব্বত দীর্ঘদিন বিদেশে ছিল। দুই বছর আগে বিদেশ থেকে এসে এই খামারটি ভাড়া নিয়ে মাছের চাষ শুরু করে। কয়েকটি এনজিও থেকে মোটা অঙ্কের ঋণ নিয়ে এই কাজ শুরু করেন তিনি। এখন তার সবই শেষ হয়ে গেল। খামারের মালিক পূর্ব বিরবিরি গ্রামের বাসিন্দা মহব্বত হোসেন জানান, নদীতে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা চলছে। বেশি দামে বিক্রি করার জন্য অন্যান্য পুকুর থেকে এসব মাছ এনে একটিতে রাখেন। আজ সকালে এসব মাছ ব্যাপারীদের কাছে বিক্রি করার কথা ছিল। কিন্তু রাতের আঁধারে পুকুরে বিষ দিয়ে সব মাছ মেরে ফেলা হয়েছে। তিনি আরও জানান, তার পুকুরে প্রায় ২০-২২ মণ তেলাপিয়া মাছ ছিল। মোটামুটি এসব মাছ বর্তমান বাজারমূল্যে ৫ লাখ টাকায় বিক্রি করা যেত। তাতে তার খরচ পুষিয়ে ভালো লাভ হতো। এখন সবই শেষ। বিষয়টি তিনি থানায় লিখিতভাবে অভিযোগ করবেন বলে জানান। এই বিষয়ে সেন্টার বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি খুবই দু:খজনক। সকালে সংবাদ পেয়ে সবাই গিয়ে দেখে এসেছে। খামারি মহব্বত একেবারে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছে। আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নোয়াখালীতে ঘুমন্ত স্বামীকে হত্যায় স্ত্রী শাশুড়ি আটক
নোয়াখালীতে ঘুমন্ত স্বামীকে হত্যায় স্ত্রী শাশুড়ি আটক Advertisement নোয়াখালী প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ নোয়াখালী সদরে মাদ্রাসার মাঠে ঘুমন্ত অবস্থায় কামাল হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার সাবেক স্ত্রী, শাশুড়ি ও শ্যালকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিহতের সাবেক স্ত্রী তানিয়া ও শাশুড়ি করফুল নেছাকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার রাতে পূর্ব দুর্গানগর গ্রামের মোহাম্মদিয়া নুরানী মাদ্রাসার মাঠে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কামাল সুবর্ণচরের চরজব্বর ইউনিয়নের খলিলুর রহমানের ছেলে। তার সাবেক স্ত্রী তানিয়ার বাড়ি সদর উপজেলার পূর্ব দুর্গানগর গ্রামে। পাঁচ-ছয় বছর আগে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তবে বিচ্ছেদের পরও কামাল তার সাবেক স্ত্রীকে কাছে যাওয়া-আসার পথে বিরক্ত করতেন। কিছু দিন আগে কামাল সাবেক স্ত্রীর বাড়িতে আসেন। তবে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে বাড়িতে জায়গা দেননি। এরপর থেকে তার মেয়েকে দেখতে তিনি শ্বশুরবাড়ির পাশের মোহাম্মদিয়া নুরানী মাদ্রাসার মাঠে মাথার নিচে ইট দিয়ে ঘুমাতেন।
