ফটিকছড়িতে প্রতিবেশীর ঘর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

This is a valid violent incident because the article reports the discovery of a three-year-old child's murdered body inside a neighbor's house with three suspects arrested for the killing.

Reported by:Dhaka PostProthom AloJugantorSamakalCorroborated · 4 sources
10/10/26•Nichinta, Dantmara, Fatikchhari

Killed

1

Injured

0

Summary

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে নিখোঁজ হওয়ার ১৪ ঘণ্টা পর প্রতিবেশী আবদুল আউয়ালের ঘর থেকে হালিমা আক্তার নামের তিন বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

হালিমা আক্তারআবদুল আউয়ালআসমা বেগমরবিউলবিপুল চন্দ্র দে

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 10/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (4 sources)

Source 1: Samakal · 12/10/26open original ↗

চুয়েটে ছাত্রদল নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তালা ভেঙে নিজ দপ্তরে ঢুকলেন নতুন উপাচার্য

চুয়েটে ছাত্রদল নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তালা ভেঙে নিজ দপ্তরে ঢুকলেন নতুন উপাচার্য নিজের দপ্তরে চেয়ারে বসে রয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। ছবি: সমকাল চুয়েট সংবাদদাতা প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬ | ১০:৫৭ | আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৬ | ১১:৩৪ চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে নিজ দপ্তরে প্রবেশ করেছেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। সোমবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে তিনি ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। এ সময় তার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কয়েকজন শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের নেতারা ছিলেন। ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান আল সাবিত বলেন, ‘আমরা একসঙ্গেই প্রবেশ করেছি।’ ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লব হোসেন তন্বয় বলেন, ‘সরকার যেহেতু স্যারকে দায়িত্ব দিয়েছে, তার দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আমরা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করেছি।’ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিষয়ে বিপ্লব হোসেন বলেন, ‘যাকে কোনো কাজ করতে দেওয়া হয়নি, তার কাজ নিয়ে তো শিক্ষার্থীদের শঙ্কিত হওয়া উচিত নয়। স্যারকে কাজের সুযোগ দিয়ে তাকে মূল্যায়ন করা উচিত।’ পরে রুটিন দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক আরাফাত রহমান নতুন উপাচার্যের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। এ ঘটনার পর সকাল ১০টার দিকে উপাচার্য ভবনের সামনে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। তারা সেখানে অবস্থান নিয়ে নতুন উপাচার্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মাহিদুর রহমান ওসমানী বলেন, ‘আমরা ওনাকে প্রত্যাখ্যান করেছি। সবাই যখন ঘুমে ছিল, তখন তিনি চুপিচুপি প্রবেশ করলেই আমরা তাকে মেনে নেব, এটা ভাবা বোকামি। তার বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান অব্যাহত থাকবে।’ সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে চুয়েটে দীর্ঘদিন ধরে অচলাবস্থা চলছে। এ দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। একই দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরাও। গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থীদের ‘সর্বাত্মক শাটডাউন’ কর্মসূচি চলছে। এ সময় তারা মশাল মিছিল, লাল কার্ড প্রদর্শনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন। আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। - বিষয় : - চুয়েট - ছাত্রদল - উপাচার্য - শাটডাউন কর্মসূচি

Source 2: Dhaka Post · 11/10/26open original ↗

ফটিকছড়িতে প্রতিবেশীর ঘর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে নিখোঁজ হওয়ার ১৪ ঘণ্টা পর প্রতিবেশীর বসতঘর থেকে হালিমা আক্তার নামের তিন বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার কনা হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ওই তিন আসামিকে আদালতে পাঠানো হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের রিমান্ড আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন— একই এলাকার বাসিন্দা আবদুল আউয়াল, তার স্ত্রী আসমা বেগম ও ছেলে রবিউল। এর আগে শনিবার রাতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ তাদের হেফাজতে নিয়েছিল। পুলিশ জানায়, শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের নিচিন্তা এলাকায় প্রতিবেশী আবদুল আউয়ালের ঘরের আলনার নিচ থেকে শিশু হালিমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে সকাল ৮টার দিকে শিশুটি নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে বিকেল ৫টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি জানানো হলে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। একপর্যায়ে প্রতিবেশীর ঘরের আলনার নিচ থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত হালিমা ওই এলাকার নাছির উদ্দিন ও রাশেদা আক্তার দম্পতির মেয়ে। শিশুটির মায়ের অভিযোগ, তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঘরের আলনার নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তিদের বিচার দাবি করেছেন তিনি। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে ঢাকা পোস্টকে বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পরে শিশুটির বাবার দায়ের করা হত্যা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হচ্ছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে। ওসি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা হত্যার বিষয়ে কিছু স্বীকার করেননি। তবে মামলার তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এমআর/আরএএস/এমএন

Source 3: Jugantor · 12/10/26open original ↗

প্রতিবেশীর ঘরে কাপড়ে মোড়ানো শিশুর নিথর দেহ

প্রতিবেশীর ঘরে কাপড়ে মোড়ানো শিশুর নিথর দেহ Advertisement ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ সকালে খেলতে যাওয়া মেয়েটি আর ফেরেনি। তিন বছরের হালিমাকে হারিয়ে শোকে স্তব্ধ মা রাশেদা আক্তার। রোববার ফটিকছড়ির দাঁতমারায় -যুগান্তর সকালটা শুরু হয়েছিল অন্যদিনের মতোই। তিন সন্তানকে নিয়ে সকালের নাশতা করেছিলেন রাশেদা আক্তার। স্বামী নাছির উদ্দীন ও তিন সন্তানকে নিয়ে ভাঙাচোরা একটি ঘরে তাদের সংসার। চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নিচিন্তা হিন্দুপাড়ার পাশেই একটি জমিতে তাদের সেই ছোট্ট ঘর। শনিবার সকাল ৭টার দিকে নাশতা শেষে শিশুরা যে যার মতো খেলতে চলে যায়। কিন্তু এক ঘণ্টা পরই পরিবারের মধ্যে নেমে আসে আতঙ্ক। তিন সন্তানের মধ্যে সবচেয়ে ছোট, তিন বছরের হালিমা আক্তারকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বাড়ির আশপাশে খাল ও চাষের জমি থেকে শুরু করে পরিচিত সব স্থানে খোঁজ করেন পরিবারের সদস্যরা। এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছোটাছুটি, পরিচিতজনের কাছে জিজ্ঞাসা-কোথাও মিলছিল না হালিমার সন্ধান। কিছুক্ষণের মধ্যেই খবরটি ছড়িয়ে পড়ে পুরো গ্রামে। শিশুটিকে খুঁজতে একত্র হন প্রতিবেশী ও গ্রামবাসী। বাড়ির আশপাশ, সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থান-সবখানেই চলতে থাকে খোঁজাখুঁজি। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে উদ্বেগ। সন্তানকে হারানোর আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েন মা রাশেদা আক্তার। একপর্যায়ে কয়েকদিন আগে প্রতিবেশী আবদুল আউয়ালের পরিবারের সঙ্গে ঝগড়ার বিষয়টি সামনে আসে। সেই বিরোধের জেরে হালিমাকে আটকে রাখা হয়েছে কি না-এমন সন্দেহ থেকে গ্রামবাসী ওই বাড়িতেও খোঁজ করেন। তবে তখন শিশুটির কোনো সন্ধান মেলেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে মসজিদের মাইকেও হারানোর খবর প্রচার করা হয়। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল করে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। পুলিশ সন্দেহভাজন বাড়িটি ঘিরে তল্লাশি শুরু করে। অবশেষে শনিবার রাত ৯টার দিকে পাওয়া যায় হালিমাকে। তবে জীবিত নয়-বাড়ির ১৫০ ফুট দূরে প্রতিবেশী আবদুল আউয়ালের ঘরের আলনার পেছনে কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় পড়ে ছিল হালিমার নিথর দেহ। মেয়ের লাশ উদ্ধারের পর কান্নায় ভেঙে পড়েন মা রাশেদা আক্তার। তার অভিযোগ, প্রতিবেশী পরিবারের সঙ্গে পূর্ববিরোধের জেরে তার মেয়েকে হত্যা করা হতে পারে। তার শঙ্কা, কারও থেকে টাকা নিয়েও মেয়েকে হত্যা করতে পারে। তিনি দাবি করেন, হালিমার শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল, শরীর কালো হয়ে গেছে। বিভিন্ন স্থানে ফুলে গেছে। হত্যাকারী যে বা যারাই হোক, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান তিনি। যে বাড়িতে সকালেও ছিল স্বাভাবিক জীবনযাপনের ব্যস্ততা, অথচ সন্ধ্যার পর নেমে আসে শোকের মাতম। প্রতিবেশী তাজু সওদাগর বলেন, বড়দের মধ্যে ঝগড়া থাকতে পারে, এই মাছুম শিশুটির কী দোষ ছিল! যে বয়সে মায়ের আঁচল ধরে ঘুরে বেড়ানোর কথা, উঠানে খেলাধুলা আর হাসি-আনন্দে কাটার কথা দিন-সেই বয়সেই তাকে প্রাণ দিতে হলো। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আবদুল আউয়াল, তার মেয়ে আসমা ও ছেলে রবিউলকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে যুগান্তরকে জানিয়েছেন হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মো. তারেক আজিজ। তিনি বলেন, লাশটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Source 4: Prothom Alo · 11/10/26open original ↗

তিন বছরের শিশুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা, লাশ লুকানো হয় ঘরের আলনার পেছনে

ছবি: সংগৃহীত চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে নিখোঁজ হওয়ার ১৩ ঘণ্টা পর হালিমা আকতার নামের তিন বছর বয়সী এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার রাত নয়টার দিকে হালিমাদের প্রতিবেশী মুহাম্মদ আওয়ালের বাড়ির শোয়ার বাড়ির আলনার তাকে কাপড় মোড়ানো অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। হালিমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। নিহত হালিমা আক্তার ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর থানার দাঁতমারা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নিশ্চিন্তা গ্রামের নাছির উদ্দিন ও রাশেদা আক্তার দম্পতির মেয়ে। নাছির উদ্দিনের সঙ্গে প্রতিবেশী মুহাম্মদ আওয়ালের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। পুলিশ বলছে, এই বিরোধের জের ধরেই হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মুহাম্মদ আওয়াল, তাঁর স্ত্রী আসমা আকতার ও ছেলে মুহাম্মদ রবিউলকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। একই সঙ্গে আজ রোববার সকালে নিহত শিশু হালিমার ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এরপর দুপুরে নিহত শিশুর বাবা মুহাম্মদ নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে গ্রেপ্তার তিনজনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৮ টার দিকে বাড়ির উঠান থেকে হালিমা নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা আশপাশের এলাকা ও প্রতিবেশীদের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে মসজিদের মাইকে শিশুটির নিখোঁজের খবর প্রচার করা হয়। একপর্যায়ে বিকেল ৫টার দিকে শিশুটির পরিবার জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি জানায়। অভিযোগ পেয়ে ভূজপুর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি শুরু করে। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর রাত ৯টার দিকে প্রতিবেশী মুহাম্মদ আওয়ালের শোয়ার কক্ষে কাপড় রাখার আলনার তাকে কাপড় মোড়ানো অবস্থায় হালিমার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশ। নিহত শিশুর বাবা মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন বলেন, ‘সকাল থেকে আমার কলিজার টুকরো মেয়েটাকে কোথাও খুঁজে পাচ্ছিলাম না। চারদিকে কত খুঁজলাম। নিরুপায় হয়ে পুলিশকে জানাই। পুলিশ এসে খোঁজাখুঁজি করে আমার মা-মণির লাশ উদ্ধার করল পামের বাড়ি থেকে কাপড় মোড়ানো অবস্থায়। ও তো কোনো অন্যায় করেনি। কেন ওকে এভাবে মারা হলো।’ ভুজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় শনিবার মামলা হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বলেন, আসামিদের সঙ্গে নিহত শিশুর বাবার জায়গা জমির বিরোধ রয়েছে। এর জেরে ধরে শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে । পুলিশের হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মোহাম্মদ তারেক আজিজ প্রথম আলোকে বলেন, মেয়ে শিশুটিকে কপালে আঘাত করে এবং শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। আসামিরা চেয়েছিল সকালে লাশ সরিয়ে নিতে। কিন্তু পুলিশের তৎপরতার কারণে পারেনি। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন অপরাধফটিকছড়িহত্যাচট্টগ্রাম বিভাগচট্টগ্রামরাউজান