সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্ব কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে লাইব্রেরিতে বসা ও উচ্চ স্বরে কথা বলা নিয়ে মারামারি, আহত ১০

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

Classified as political violence because it involves an organized physical clash and factional conflict between groups of students on a university campus resulting in injuries and property disruption.

Reported by:Prothom AloJugantorCorroborated · 2 sources
27/09/26•Comilla University

Killed

0

Injured

10

Summary

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে বসা ও কথা বলা নিয়ে সিনিয়র ও জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 4

Perpetrator side

Students

Victim side

Students

Other actors

এম এম শরিফুল করীমমো. শাহাদাৎ হোসেনমাহমুদুল হাসান খানরাকিবুল ইসলাম

Affected infrastructure

university campusresidential hall

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 10

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Students

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Students

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 27/09/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Jugantor · 10/05/26open original ↗

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মৃত্যু, জামিন নিতে এসে কারাগারে স্বামী

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মৃত্যু, জামিন নিতে এসে কারাগারে স্বামী Advertisement কুমিল্লা ব্যুরো প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬, ০৯:১৬ পিএম কুমিল্লার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী জান্নাতুন নাঈম ফারিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় তার স্বামী মেহেদী হাসান হৃদয়কে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। রোববার ফারিয়ার স্বামী হৃদয়, তার বাবা ও মাসহ অভিযুক্ত ৫ জন হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। এ সময় ১নং আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল মমিন ৪ জনের জামিন মঞ্জুর করেন। আর ফারিয়ার স্বামী হৃদয়কে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী তাফসিরুল আলম। তিনি বলেন, গত বুধবার রাতে ফারিয়ার স্কুলশিক্ষক বাবা মো. হানিফ বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় ফারিয়ার স্বামী মেহেদী হাসান হৃদয়, বাবা আবদুর রহিম, মা আফরোজা বেগম ও ননদ রীমা আক্তার ও তার স্বামী জাকারিয়াসহ ৫ জনকে আসামি করেন। ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন আসামিরা। এ মামলায় আসামিরা আদালতে হাজির হলে হৃদয়কে কারাগারে পাঠানো এবং অপর ৪ জনের জামিন মঞ্জুরের আদেশ দেন। এর আগে মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে কুমিল্লা নগরীর দেশওয়ালীপট্টি এলাকার ‘কাশেম গার্ডেন’ নামের একটি বহুতল ভবনের ফ্ল্যাট থেকে পুলিশ ফারিয়ার লাশ উদ্ধার করে। ফারিয়া (২৩) কুমিল্লা সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ১২তম ব্যাচের ৬ষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি জেলার নাঙ্গলকোটের দৌলখাড় ইউনিয়নের কান্দাল গ্রামে। মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ফারিয়া ও হৃদয় কুমিল্লার সিসিএন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তাদের সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্ক হয়। পরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার আবদুর রহিমের ছেলে মেহেদী হাসান হৃদয়ের সঙ্গে ১৫ লাখ টাকার দেনমোহরে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিবাহের পর থেকে তার স্বামী ও পরিবারের লোকজন ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। এতে ফারিয়া তার স্কুলশিক্ষক বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতে না পারায় পরিবারে আরও কলহ দেখা দেয়। এ নিয়ে একাধিকবার তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। ফারিয়ার বাবা বলেন, আমার মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারে না। তাকে আসামিরা হত্যার পর সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়ে ৯৯৯-এ কল করে পুলিশ ডেকে আনে। আজ প্রধান আসামি হৃদয়কে কারাগারে পাঠানোর খবর জেনেছি। তাকে রিমান্ডে নিলে সব রহস্য বের হবে। কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ফারিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় প্রধান আসামি হৃদয় জামিন চাইতে আদালতে হাজির হলে তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। তাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করতে আদালতে আবেদন জানানো হবে।

Source 2: Prothom Alo · 27/09/26open original ↗

সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্ব কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে লাইব্রেরিতে বসা ও উচ্চ স্বরে কথা বলা নিয়ে মারামারি, আহত ১০

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। আজ রোববার বেলা তিনটার দিকে ক্যাম্পাস ও শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলে লাঠিসোঁটা হাতে শিক্ষার্থীদের দেখা যায়ছবি: প্রথম আলো কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে বসা ও উচ্চস্বরে কথা বলা নিয়ে সিনিয়র ও জুনিয়র শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ১০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টার। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আজ রোববার দুপুর থেকে বেলা তিনটা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর, প্রধান ফটক, প্রকৌশল অনুষদ ও শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় শিক্ষার্থীদের হাতে লাঠিসোঁটা দেখা যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটির পর শহরমুখী বাসও কিছু সময় আটকে দেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও প্রক্টরিয়াল দলের সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বিকেল থেকে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি শান্ত আছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দুপুর ১২টার দিকে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে বসা ও উচ্চস্বরে কথা বলা নিয়ে প্রকৌশল অনুষদের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রত্নতত্ত্ব ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীর কথা-কাটাকাটি হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রক্টর কার্যালয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসাও করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম এম শরিফুল করীম বলেন, দুপুরে লাইব্রেরিতে বসাকে কেন্দ্র করে সিনিয়র-জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টির সমাধানও হয়ে যায়। কিন্তু এর মধ্যে কয়েকজন হলে গিয়ে আবার উত্তেজনা তৈরি করেন। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, প্রক্টর কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর ও প্রধান ফটকের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে আবার পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের ধাওয়া করে প্রকৌশল অনুষদের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কিছুক্ষণ উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে একদল শিক্ষার্থী অন্য পক্ষকে ধাওয়া করে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের দিকে নিয়ে যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাকিব ও শাকিলের সঙ্গে আইসিটি বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থীর বিরোধকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত হয়। ওই বিরোধের জেরে সাকিব ও শাকিলের সঙ্গে থাকা কয়েকজন শিক্ষার্থী আইসিটি বিভাগে গেলে সেখানে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে সংঘর্ষ বাধে। একপর্যায়ে শাকিলকে ধাওয়া করা হলে তিনি শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলে গিয়ে আশ্রয় নেন বলে শিক্ষার্থীরা জানান। পরে হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়। এতে প্রত্নতত্ত্ব ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীও জড়িয়ে পড়েন। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারের ডেপুটি চিফ মেডিক্যাল অফিসার মাহমুদুল হাসান খান বলেন, মারামারিতে মোট ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আহত কয়েকজনকে কুমিল্লা শহরের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, আহত ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত দুজনের মাথায় আঘাত লেগেছে এবং একজনের হাত ভেঙেছে। তবে আহত ব্যক্তিদের নাম ও পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘দুপুরে বিষয়টি সমাধান করে দিয়েছিলাম। এরপরও ক্যাম্পাসের গেট ও দত্ত হলে গিয়ে আবার মারামারি হয়েছে। আমরা সিসিটিভি ফুটেজ ও সাংবাদিকদের ধারণ করা ভিডিও পর্যালোচনা করে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করব। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও প্রক্টরিয়াল দলের সদস্যরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেন। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে। ক্যাম্পাসের পরিবেশ এখন স্বাভাবিক। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষার্থীমারামারিসংঘর্ষকুমিল্লা