অশ্রু লুকিয়ে ছেলের চোখ মুছছেন মা
Why this classification
ঘটনাটি রাজনৈতিক সহিংসতা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে কারণ প্রধান আসামি ছাত্রদল নেতা (BNP-এর অঙ্গ সংগঠন) এবং নির্যাতনের ঘটনাটি রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সংঘটিত হয়েছে। কিশোর রিপনকে অপহরণ করে নির্যাতন চালানো হয়েছে, যা রাজনৈতিক দলীয় সম্পৃক্ততার স্পষ্ট প্রমাণ।
Killed
0
Injured
1
Summary
ঢাকার সাভারে রাজাসন এলাকা থেকে কিশোর রিপন দাসকে অপহরণ করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় সদ্য বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা মাহবুব হোসেন সামিরকে প্রধান আসামি করে মামলা হয়েছে, কিন্তু কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 02/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
অশ্রু লুকিয়ে ছেলের চোখ মুছছেন মা
অশ্রু লুকিয়ে ছেলের চোখ মুছছেন মা সাভারের রাজাসন মহল্লার টিনের ছোট্ট ঘরে শুয়ে যন্ত্রণায় কাতর রিপন দাস। মা আশন্তি অবিরাম কাঁদছিলেন আর ছেলের চোখ-মুখ মুছে দিচ্ছিলেন। গতকাল রোববার তোলা। ছবি: সমকাল নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬ | ১১:৩৪ ঢাকার সাভারের রাজাসন মহল্লার ঈদগাও মাঠের অদূরে শাজাহানের বাগানবাড়ী লাগোয়া একটি টিনশেড ঘর। সেখানে মা-বাবার সঙ্গে থাকে নির্যাতনের শিকার কিশোর রিপন দাস। গতকাল রোববার দুপুরে তাদের বাসায় গিয়ে দেখা যায়, রিপন বিছানায় শুয়ে আছে। শুকিয়ে কঙ্কালসার হয়ে গেছে তার শরীর। পাশে বসে আছেন তার মা আশন্তি। ছেলের চোখ-মুখ মুছে দিচ্ছেন। তাঁর দুই চোখ থেকেও থেকে অশ্রু ঝরছে। বার বার তা মুছে যেন কান্না লুকোনোর চেষ্টা করছেন। ঘরের ভেতর ছিলেন রিপনের বাবা ও এক বোন। কিন্তু সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর তারা কোনো কথা বলতে চাইলেন না। এর মধ্যেই ঘরে প্রবেশ করেন মাঝবয়সী এক ব্যক্তি। কিছুক্ষণ পর ঢোকেন এক যুবক। জানান, মাহবুব হোসেন সামির তাঁকে পাঠিয়েছেন। সামির সদ্য বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা। কিশোর রিপনকে নির্যাতনের ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি। এরপর ওই যুবককে উদ্দেশ করে মাঝবয়সী লোকটি বলেন, ‘তুমি এখান থেকে চলে যাও, আমি আছি।’ মামলা করার পর থেকে এভাবেই সামিরের লোকজন কিশোর রিপনের পরিবারটিকে চোখে চোখে রাখছেন। মামলা তুলে নিতে চাপ দিচ্ছেন। ইতোমধ্যে সামিরের মা ও এক মামা এসে রিপনের চিকিৎসার জন্য ১০ হাজার টাকা দিয়েছেন। মামলা তুলে নিতে বলে গেছেন। নির্যাতনের ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার সাভার থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক (বর্তমানে বহিষ্কৃত) মাহবুব হোসেন সামিরকে প্রধান আসামি করে চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতানামা পাঁচ-ছয়জনকে আসামি করে সাভার মডেল থানায় মামলা করেন রিপনের বোনজামাই স্বপন সূত্রধর। চার দিন পার হলেও কোনো আসামি গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত গ্রেপ্তার হননি। মামলার বাদী স্বপন সূত্রধর সমকালকে বলেছেন, এজাহারভুক্ত আসামিরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। মামলা তুলে নিতে নানা ধরনের হুমকি দিচ্ছেন। রিপনের পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। এদিকে প্রধান আসামি সামির সংবাদ সম্মেলন করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। বলেছেন, তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। তাঁকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। রিপনের মা আশন্তি ঋষি মনি দাস একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। বাবা জীবন মনি দাস ওই এলাকায় চর্মকারের কাজ করেন। দুই বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে রিপন সবার ছোট। দুই বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। গতকাল দুপুরে এক পর্যায়ে ‘সামিরের পাঠানো’ সেই মাঝবয়সী লোকটি চলে গেলে রিপন দাস সমকালকে জানান, গত ২ জুন বিকেল ৪টার দিকে রাজাসন পালোয়ানপাড়া এলাকায় রাজধানী বেকারির সামনে থেকে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় একটি অফিসে। সেখানে দেয়ালের সঙ্গে তার মাথা আছড়ে মারা হয়। লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়। তার দুই চোখেও আঘাত করা হয়। নির্যাতনের সময় অভিযুক্তদের একজন তার হাতে একটি চাকু ধরিয়ে দিয়ে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে রিপন আরও জানায়, তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। অস্ত্রোপচার করতে হবে। এখন শরীর খুব দুর্বল। তা ছাড়া অস্ত্রোপচার করানোর টাকাও নেই পরিবারটির হাতে। সে আরও জানায়, তার চোখের কর্ণিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চোখের উন্নত চিকিৎসা করাতে হবে। জানতে চাইলে সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত ) নূর মোহাম্মদ দাবি করেন, আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশের কয়েকটি টিম অভিযান অব্যাহত রেখেছে। শিগগির এই মামলার সব আসামিকে গ্রেপ্তার করা হবে। - বিষয় : - সাভার
কলাবাগানে ছোট ভাইয়ের ডাম্বেলের আঘাতে বড় ভাই নিহত
রাজধানীর কলাবাগান থানার কাঠালবাগান এলাকায় কথা কাটাকাটির জেরে ছোট ভাইয়ের ডাম্বেলের আঘাতে বড় ভাই সাদমান ওয়াসিফ সুপান্ত (২০) নিহত হয়েছে। এই ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই রাফি জারিয়ান শুদ্ধকে (১৬) আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (১ জুন) সকালের দিকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায় পুলিশ। নিহত সাদমান ওয়াসিফ সুপান্ত কলাবাগান থানার কাঠালবাগান ফ্রি স্ট্রিট স্কুল এলাকার সি-২৭২ নাম্বার বাসায় থাকতো। তার বাড়ি বগুড়া জেলার আদমদীঘি থানা এলাকায়। সে ওই এলাকার সিরাজুল সালেকিন এর ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলে আশিক। তিনি জানান, রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ছোট ভাই এবং বড় ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতে থাকা ডাম্বেল দিয়ে সে তার বড় ভাই সুপান্তর মাথায় আঘাত করে। এতে সে গুরুতর আহত হলে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি আরও জানান, পরে রাত একটার দিকে আমরা মরদেহ উদ্ধার করি এবং সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়। এই ঘটনায় তার ছোট ভাই শুদ্ধকে আটক করা হয়। নিহত সুকান্ত এই বছর এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন। এসএএ/আরএফ/জেডএস
