বাকেরগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানকে মারধর
Why this classification
This is a single, concrete incident in which a union parishad chairman was surrounded and beaten by youths, as shown in a video, during a dispute with local BNP leaders over short supply of government rice. It involved physical violence, and the incident was reported within the recent time window.
Killed
0
Injured
1
Summary
বাকেরগঞ্জের নিয়ামতি ইউনিয়নে সরকারি বরাদ্দের চাল কম আনার অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ন কবিরকে উত্তেজিত যুবকরা ঘিরে ধরে কিল-ঘুসি মারে, যার ভিডিও সোমবার (০৯ মার্চ ২০২৬) ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ঘটনাটি নিশ্চিত করেছে এবং ইউনিয়ন বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা থেকে হাতাহাতির কথা জানিয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals, BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Islami Andolan Bangladesh
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 09/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বাকেরগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানকে মারধর
অজুহাত চাল কম আনা বাকেরগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানকে মারধর Advertisement বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বাকেরগঞ্জে নিয়ামতি ইউনিয়নে সরকারি বরাদ্দের চাল কম আনার অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ন কবিরের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। হুমায়ন কবির ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন বাংলাদেশ দলের বাকেরগঞ্জ উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি। এ ঘটনার একটি ভিডিও সোমবার ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, উত্তেজিত যুবকরা চেয়ারম্যানকে ঘিরে ধরে কিল-ঘুসি মারছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। যদিও বিষয়টি পরিকল্পিত বলে দাবি করেছে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন বাংলাদেশ দল। দলের কেন্দ্রীয় সুরা সদস্য নুরুল ইসলাম আলামীন বলেন, চাল কম আনার অভিযোগ উঠলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। তাহলে আইন হাতে তুলে কেন নেওয়া হলো? আমরা মনে করি হামলার ঘটনা ইউনিয়ন বিএনপি নেতারা পরিকল্পিতভাবে ঘটিয়েছে। বাকেরগঞ্জ থানার ওসি খন্দকার সোহেল রানা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সরকারি চাল কম দেওয়ার অভিযোগ তুলে নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ন কবিরের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার ঘটনা অস্বীকার করে যুবদল নেতা সালাম শিকাদার বলেন, আমি মারামারির প্রথমদিকে সেখানে ছিলাম না। তবে চাল কম আনার বিষয়টি আমাদের ইউনিয়ন বিএনপির সম্পাদক সোহেল শিকাদার অবগত ছিলেন। তিনি চাল কম আনার কারণ জানতে চাইলে চেয়ারম্যান আমাদের ওপর হামলা করেন এবং চেয়ারম্যানের মামা ঘুসি মারেন। পরে স্থানীয়রা উত্তেজিত হলে মারামারির ঘটনা ঘটে। বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, বিষয়টি তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিতভাবে জানানো হবে।
