পাম্পে অনিয়মের ভিডিও করায় সাংবাদিককে মারধর, পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার
Why this classification
A police officer pushed the journalist, snatched his phone, and then local people beat him again, which is a physical attack on a specific person at a specific place. The incident happened on 16 April 2026, so it is recent and occurred in Bangladesh.
Killed
0
Injured
0
Summary
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার মাজেদা ফিলিং স্টেশনে অনিয়মের ভিডিও ধারণের সময় দৈনিক আলোকিত সকালের প্রতিনিধি আব্দুর রশিদকে শ্রীপুর থানার পুলিশ সদস্য নাজমুল ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন এবং ভিডিও মুছে ফেলার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় কয়েকজনকে দিয়ে তাকে আবারও মারধর করা হয় এবং অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement, Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 16/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
পাম্পে অনিয়মের ভিডিও করায় সাংবাদিককে মারধর, পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় একটি ফিলিং স্টেশনে অনিয়মের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে এক সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এক পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলার মাজেদা ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, শ্রীপুর উপজেলার বরিশাট গ্রামের মাজেদা ফিলিং স্টেশনটিতে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি এবং প্রকাশ্যে বোতল ও ড্রামে তেল বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। এতে সাধারণ গ্রাহকরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে দৈনিক আলোকিত সকাল পত্রিকার শ্রীপুর উপজেলা প্রতিনিধি আব্দুর রশিদ ঘটনাস্থলে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণ করছিলেন। এ সময় শ্রীপুর থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্য নাজমুল তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই পুলিশ সদস্য সাংবাদিককে মারধর করেন এবং মোবাইল ফোন থেকে ধারণ করা ভিডিও মুছে ফেলার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় কয়েকজনকে দিয়ে তাকে আবারও মারধর করা হয়। ভুক্তভোগী সাংবাদিক আব্দুর রশিদ বলেন, ফিলিং স্টেশনের অনিয়মের খবর পেয়ে সেখানে তথ্য সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণ করতে যাই। ড্রামে পেট্রোল ভরার ভিডিও ধারণ করার সময় নাজমুল নামে এক পুলিশ সদস্য আমার ওপর অতর্কিত হামলা করেন এবং মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভিডিও মুছে ফেলার চেষ্টা করেন। এমনকি স্থানীয় লোকজন দিয়ে আবার মারধর করান। আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই। এ বিষয়ে মাজেদা ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। শ্রীপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. আতাউর রহমান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন (পিপিএম) বলেন, এ ঘটনায় পুলিশ সদস্য নাজমুলকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাছিন জামান/এসএইচএ
