চট্টগ্রামে ফের সীমানা নিয়ে কেইপিজেড ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This report describes one specific incident on 11 May 2026 in which locals and KEPZ staff confronted each other over a land boundary, with repeated chasing and counter-chasing. Locals allege that boundary pillars, barbed wire and signboards were destroyed, which KEPZ denies. No deaths or injuries were reported.

Reported by:Dhaka PostSingle source
11/05/26•দক্ষিণবন্দর খলিফাপাড়া, বৈরাগ ইউনিয়ন, আনোয়ারা

Killed

0

Injured

0

Summary

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ১১ মে (সোমবার) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বৈরাগ ইউনিয়নের দক্ষিণবন্দর খলিফাপাড়ায় জমির সীমানা নিয়ে কেইপিজেড কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, কেইপিজেড তাদের জমির সীমানা পিলার, কাঁটাতারের বেড়া ও সাইনবোর্ড ভেঙে দিয়েছে, যা কেইপিজেড অস্বীকার করেছে; পরে থানা পুলিশ ও শিল্প পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 3

Perpetrator side

LocalsKEPZ

Victim side

LocalsKEPZ

Other actors

মো. হাশিম চৌধুরী (স্থানীয় বাসিন্দা)কেইপিজেড কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারীথানা পুলিশশিল্প পুলিশকেইপিজেডের নিরাপত্তা কর্মীঅতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এল.এ) মো. কামরুজ্জামান

Affected infrastructure

সীমানা পিলারকাঁটাতারের বেড়াসাইনবোর্ড

Tags

Land Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals, KEPZ

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals, KEPZ

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 11/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 11/05/26open original ↗

চট্টগ্রামে ফের সীমানা নিয়ে কেইপিজেড ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় জমির সীমানা দখলকে কেন্দ্র করে কোরিয়ান রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল (কেইপিজেড) কর্তৃপক্ষের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের আবারও উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১১ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বৈরাগ ইউনিয়নের দক্ষিণবন্দর খলিফাপাড়া এলাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় বাকবিতণ্ডা ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে থানা পুলিশ, শিল্প পুলিশ এবং কারখানার নিরাপত্তা কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, তাদের মালিকানাধীন জমিতে স্থাপন করা সীমানা পিলার, কাঁটাতারের বেড়া ও সাইনবোর্ড ভেঙে দিয়েছে কেইপিজেড কর্তৃপক্ষ। তবে, কেইপিজেড এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকেই স্থানীয় বাসিন্দা ও কেইপিজেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মুখোমুখি অবস্থানে ছিলেন। দুপুরের দিকে স্থানীয়রা তাদের জমিতে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে সীমানা নির্ধারণের কাজ শুরু করলে কেইপিজেড বাঁধা দেয়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দা মো. হাশিম চৌধুরী দাবি করেন, বৈরাগ মৌজার ১.৬০ শতক জমি তিনি খরিদসূত্রে মালিক হয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করছেন এবং সেখানে বিভিন্ন গাছপালা রোপণ করেছেন। সম্প্রতি তিনি জমির সীমানা নির্ধারণ করে পিলার ও বেড়া স্থাপন করেছিলেন। তার অভিযোগ, সোমবার সকালে কেইপিজেড কর্তৃপক্ষ জোরপূর্বক সেসব ভেঙে দেয় এবং জমি দখলের চেষ্টা চালায়। তিনি আরও জানান, আনোয়ারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের তদন্ত প্রতিবেদনও তার পক্ষেই রয়েছে। প্রসঙ্গ, ১৯৯৬ সালে কোরিয়ান কোম্পানি ইয়াংওয়ান করপোরেশন আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলার দেয়াঙ পাহাড় এলাকায় প্রায় ২ হাজার ৪৯২ একর জমির ওপর ‘কেইপিজেড’ প্রতিষ্ঠা করে। এরপর থেকেই জমির মালিকানা ও সীমানা নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির বিরোধ চলে আসছে। এর আগেও ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি ও পুরোনো কবরস্থান নিয়ে কয়েক দফা সংঘর্ষ ও উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। গত বছরের ৭ মে একই ধরনের বিরোধকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের সংঘাত হয়েছিল। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কেইপিজেডের এক কর্মকর্তা ঢাকা পোস্টকে বলেন, সরকার শিল্পায়ণের জন্য কেইপিজেডকে জায়গা দিয়েছে। এর মধ্যে একটি দাগের জায়গা নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে ঝামেলা চলছে। আমরা প্রশাসনকে বিষয়টি অবগত করেছি এবং সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি। জানতে চাইলে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এল. এ) মো. কামরুজ্জামান ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘জায়গা জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়টি তারা আমাকে জানিয়েছেন। আমি একটি যৌক্তিক সমাধানের কথা বলেছি। এ বিষয়ে আইনগত কোনো সহযোগিতা লাগলে জেলা প্রশাসন পাশে থাকবে।’ আতিকুল হা-মীম/এমএআর/