ছাগলের শিমখেত খাওয়াকে কেন্দ্র করে বাড়িতে হামলা–মারধর, মা ও দুই ছেলে আহত

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

Classified as a violent incident because a group of neighbors attacked a home with sharp weapons, physically assaulted three people, and caused property damage over a local dispute.

Reported by:Prothom AloSingle source
06/10/26•সাতনালা ইউনিয়ন, চেয়ারম্যানপাড়া

Killed

0

Injured

3

Summary

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে ছাগলে শিম খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিবেশীর হামলায় এক নারীসহ তিনজন আহত হয়েছেন। এ সময় বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 4

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

সিরাজুল ইসলামসোহেল রানামমতাজ বেগমমোয়াজ্জেম হোসেনআবদুল মোত্তালেব

Affected infrastructure

HouseDoor

Tags

Land DisputeMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 3

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 06/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Prothom Alo · 07/10/26open original ↗

ছাগলের শিমখেত খাওয়াকে কেন্দ্র করে বাড়িতে হামলা–মারধর, মা ও দুই ছেলে আহত

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে হামলায় আহত একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বুধবার সন্ধ্যায় দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেছবি : প্রথম আলো দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে ছাগলে শিমখেত খাওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর এবং এক নারী ও তাঁর দুই ছেলেকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজেলার সাতনালা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তিরা হলেন চেয়ারম্যানপাড়ার ছফিরউদ্দিনের স্ত্রী মমতাজ বেগম (৬৫), তাঁর দুই ছেলে মোয়াজ্জেম হোসেন (২৫) ও আবদুল মোত্তালেব (৪৪)। তাঁদের মধ্যে মোয়াজ্জেম বর্তমানে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডের ২৮ নম্বর শয্যায় চিকিৎসাধীন। আবদুল মোত্তালেবকে আজ বুধবার বিকেলে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় চিরিরবন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে হামলার শিকার পরিবারটি। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত সোমবার সকালে মমতাজ বেগমের একটি ছাগল মুন্সীপাড়া এলাকার প্রতিবেশী সিরাজুল ইসলামের শিমখেতে ঢুকে পড়ে। ছাগলটি শিমগাছের পাতা খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে ওই দিন বিকেলে মমতাজ বেগমের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন সিরাজুল ইসলাম। এ সময় মমতাজের ছেলে মোয়াজ্জেমের সঙ্গে সিরাজুলের কথা–কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে। তবে এ বিষয়ে সিরাজুল ইসলাম বা তাঁর পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মমতাজের বড় ছেলে আবদুল মান্নানের অভিযোগ, মঙ্গলবার সকালে আগের দিনের ঘটনার জের ধরে সিরাজুল তাঁর ছেলে সোহেল রানাসহ (২৫) অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে নিয়ে তাঁদের বাড়িতে আসেন। এ সময় তাঁদের কয়েকজনের হাতে ধারালো চাকুসহ দেশি অস্ত্র ছিল। তাঁরা বাড়িতে এসে আবারও গালাগাল শুরু করেন। একপর্যায়ে ধাক্কাধাক্কির মধ্যে ঘরের দরজা ভেঙে ফেলা হয়। এরপর মোয়াজ্জেম ও আবদুল মোত্তালেবের সঙ্গে সিরাজুলের সঙ্গে আসা লোকজনের মারামারি হয়। তাঁর ভাই মোয়াজ্জেমের কপালে, কানে, ডান বাহুতে গুরুতর জখম হয়। মেজভাই আবদুল মোত্তালেবের বাঁ হাতে জখম হয়। এ সময় তাঁর মা মমতাজ বেগমকেও মারধর করা হয়। তাঁর গলায় থাকা সোনার চেইন এবং ঘরের ওয়ার্ডরোবে রাখা টাকা লুট করা হয়। আজ বিকেলে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছেন মোয়াজ্জেম; ক্ষতস্থানে সেলাই দেওয়া। পাশে বসা তাঁর স্বজনেরা। স্বজনেরা জানান, আহত অবস্থায় দুই ভাইকে প্রথমে সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাঁদের দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুন নবী বলেন, ‘মারধরের ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন রংপুর বিভাগদিনাজপুরহাসপাতালহামলামারধর