ভোলায় বৃদ্ধাকে হত্যার পর স্বর্ণসহ জিনিসপত্র লুট
Why this classification
This article describes one specific, recent murder in Bhola: an elderly woman was killed in her home on Wednesday night and her gold jewellery and valuables were stolen. Killing is a fatal attack, so it counts as violence, and the event falls within the 14-day window.
Killed
1
Injured
0
Summary
ভোলা সদর উপজেলার উত্তর দিঘলদী ইউনিয়নের চানকাজী শিকদার বাড়িতে বুধবার (১১ মার্চ ২০২৬) রাত আনুমানিক ৯টায় দুর্বৃত্তরা বসতঘরে ঢুকে হালিমা বেগম (৬৫) নামে এক বৃদ্ধাকে হত্যা করে তাঁর নাকে-কানের স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। তারাবির নামাজ শেষে স্বজনরা রক্তাক্ত লাশ দেখতে পান এবং পরে সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 11/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ভোলায় বৃদ্ধাকে হত্যার পর স্বর্ণসহ জিনিসপত্র লুট
ভোলায় বৃদ্ধাকে হত্যার পর স্বর্ণসহ জিনিসপত্র লুট Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, ভোলা প্রকাশ: ১৩ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ভোলা সদর উপজেলায় বসতঘরে ঢুকে হালিমা বেগম (৬৫) নামে এক বৃদ্ধাকে হত্যা করে পালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এছাড়া বৃদ্ধার নাকে-কানে থাকা স্বর্ণালংকার ও ঘরে থাকা মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে গেছে তারা। বুধবার রাত আনুমানিক ৯টায় উত্তর দিঘলদী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চানকাজী শিকদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হালিমা বেগম ওই বাড়ির বাসিন্দা মফিজল শিকদারের স্ত্রী। নিহতের স্বজন ও প্রতিবেশীর জানান, হালিমা বেগম ও মফিজল শিকদার দম্পতির ছেলেরা বিয়ের পর তাদের স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে পাশের ভিন্ন বাড়িতে থাকেন। বুধবার রাতে তারাবি নামাজ পড়ার উদ্দেশ্যে মসজিদে যান বৃদ্ধার স্বামী ও ছেলেরা, এ সময় বসতঘরে একাই ছিলেন হালিমা। এর কিছুক্ষণ পর বৃদ্ধা ঘর থেকে বেরিয়ে পাশের বাড়িতে অবস্থিত ছেলের বাড়িতে কিছু সময় কাটিয়ে ফের নিজ বসতঘরে চলে আসেন। একপর্যায়ে স্বামী ও ছেলেরা তারাবি নামাজ শেষে ঘরের সামনে এসে দেখেন দরজা খোলা এবং ঘরে ঢুকে দেখেন তার রক্তাক্ত লাশ চৌকির উপর পড়ে আছে। তারা চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন এবং পল্লি চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় সদর মডেল থানা পুলিশ।
