গোয়ালঘরের মেঝে খুঁড়ে মিলল নিখোঁজ যুবকের অর্ধগলিত লাশ, গ্রেপ্তার ৪

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

[ { "justification": "This incident has been classified as criminal violence based on reports from 2 corroborating sources in Basatpur Purvapara, Sharsha, Jashore. The record details the recovery of the semi-rotten body of a young man named Ikramul Kabir from a cowshed thirty-five days after he went missing. Investigators suspect he was murdered and buried due to an illicit affair and financial disputes, leading to the arrest of Munni Begum and her accomplices. The specific political affiliations of the perpetrators and the victim are not recorded in the available facts, and no other actors or affected infrastructure were reported." } ]

Reported by:Prothom AloAjker PatrikaSamakalJugantorCorroborated · 4 sources
09/05/26•Basatpur Purvapara, Sharsha

Killed

1

Injured

0

Summary

যশোরের শার্শায় নিখোঁজের ৩৫ দিন পর ইকরামুল কবির নামের এক তরুণের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরকীয়া ও আর্থিক বিরোধের জেরে তাকে হত্যার পর লাশ মাটিচাপা দেওয়া হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 7

Parties involved

Munni Begum and accomplices

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 09/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (4 sources)

Source 1: Samakal · 18/03/26open original ↗

ঘটনার পাঁচ দিন পরও আটক বা গ্রেপ্তার নেই

ঘটনার পাঁচ দিন পরও আটক বা গ্রেপ্তার নেই মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২৬ | ০৭:৫৬ | প্রিন্ট সংস্করণ যশোরের মনিরামপুরে পেট্রোল বোমা হামলায় স্বামী-স্ত্রী দগ্ধের ঘটনায় পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এতে ক্ষোভ জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। গত শুক্রবার উপজেলার হরিদাসকাটি ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে বোমা হামলার শিকার হন খ্রিষ্টান মিশনারি সংগঠন ‘লাইফ চ্যাপেল ফর বাংলাদেশ’-এর পরিচালক মনিরুল ইসলাম নানক ও তাঁর স্ত্রী স্মৃতিকনা। পেট্রোল বোমায় দুজনই দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন। এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে বাহাদুরপুর গ্রামে মনিরুল ইসলাম প্রায় এক বিঘা জমি কিনে একটি টিনশেড বাড়ি নির্মাণ করেন। বাড়ি নির্মাণের পর পরিবার নিয়ে সেখানে বসবাস করে আসছেন মনিরুল। বাড়ির দুটি কক্ষে লাইফ চ্যাপেল ফর বাংলাদেশের কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন তিনি। মনিরুল ইসলাম জানান, গত শুক্রবার রাত ১১টার দিকে বাসায় তারা স্বামী-স্ত্রী টেলিভিশন দেখছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা জানালা দিয়ে তাদের লক্ষ্য করে কয়েকটি পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায়। এতে তাদের শরীরের কাপড়চোপড়ে আগুন ধরে দগ্ধ হন। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে আগুন নিভিয়ে ফেলে। খবর পেয়ে থানা থেকে পুলিশ সদস্যরা গিয়ে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে শনিবার মনিরামপুর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় কয়েক জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। কিন্তু পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার বা আটক করতে পারেনি। হামলার পর থেকে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। মনিরামপুর থানার ওসি রজিউল্লাহ খান জানান, পুলিশ ঘটনা তদন্ত করছে। দোষীদের শনাক্ত করে আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।   - বিষয় : - আটক

Source 2: Ajker Patrika · 12/05/26open original ↗

নওয়াপাড়ায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল কাল, আনিসুর হত্যায় গ্রেপ্তার ১

যশোরের অভয়নগরে ব্যবসায়ী মো. আনিসুর রহমান হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আগামীকাল বুধবার শিল্প-বাণিজ্য ও বন্দরনগরী নওয়াপাড়ায় সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন এবং ব্যবসায়ীরা। আজ মঙ্গলবার সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেন নওয়াপাড়া বাজার সার, সিমেন্ট ও কয়লা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহ জালাল হোসেন। এদিকে আনিসুর হত্যায় চট্টগ্রাম থেকে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত আনিসুর আমদানিকারক ও জয়েন্ট ট্রেডিং করপোরেশনের মালিক। গত বুধবার (৬ মে) ভবনের রুম ভাড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে তাঁকে কোপায় দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাত পৌনে ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। অভিযোগ উঠেছে, কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে পীরবাড়ি এলাকার শাহ মাহমুদ হাসান (৩৮) অজ্ঞাতনামা আরও দু-তিনজনকে সঙ্গে নিয়ে আনিসুর রহমানের ওপর হামলা চালান। এ সময় হামলাকারীরা তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং চায়নিজ কুড়াল দিয়ে ডান চোখের নিচে কোপ দিয়ে গুরুতর জখম করে। নওয়াপাড়া পীরবাড়ি এলাকায় আনিসুর রহমানের নিজস্ব ছয়তলা ভবনের সামনে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। স্থানীয় লোকজন আনিসুরকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়। ঘটনার পর পালিয়েছেন শাহ মাহমুদ। নওয়াপাড়া বাজার সার সিমেন্ট ও কয়লা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল হোসেন বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আজ বিকেলে নওয়াপাড়া বাজারে বিক্ষোভ মিছিল হবে। আগামীকাল নওয়াপাড়ায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালিত হবে। তিনি আরও বলেন, বুধবারের মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তার করতে না পারলে রবি ও সোমবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালিত হবে। এদিকে আনিসুর রহমান হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে মনির হোসেন (৩৯) নামের এক যুবককে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত সোমবার রাতে (১১ মে) চট্টগ্রাম মহানগরীর ডবলমুরিং থানার হাজিপাড়া এলাকায় বাবুল সাহেবের মাঠসংলগ্ন স্বপ্ননীড় নামে একটি বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মনির হোসেন অভয়নগর উপজেলার প্রেমবাগ ইউনিয়নের চায়না বাজার এলাকার মৃত আহমদ আলীর ছেলে। নওয়াপাড়া পীরবাড়িতে খাদেম হিসেবে কাজ করতেন তিনি। আজ দুপুরে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম নুরুজ্জামান। তিনি বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে যশোরে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক মনিরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

Source 3: Jugantor · 10/05/26open original ↗

পরকীয়ার কারণে খুন, এক মাস পর মিলল গোয়ালঘরে পুঁতে রাখা লাশ

পরকীয়ার কারণে খুন, এক মাস পর মিলল গোয়ালঘরে পুঁতে রাখা লাশ Advertisement যশোর ব্যুরো প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম ছবি: সংগৃহীত যশোরের শার্শার বসতপুর পূর্বপাড়ায় পরকীয়া প্রেমিকার কাছে পাওনা টাকা আনতে গিয়ে নিখোঁজ হন ইকরামুল কবির নামে এক যুবক। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারের পর রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। শনিবার (৯ মে) রাতে এক মাসের অধিক সময় নিখোঁজ থাকার পর প্রেমিকার শ্বশুরবাড়ির গোয়ালঘরের মাটির নিচে পুঁতে রাখা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ইকরাামুল কবির (২৫) যশোরের শার্শা উপজেলার পুটখালি ইউনিয়নের দক্ষিণ বারোপোতা গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ বসতপুর পূর্বপাড়া এলাকার আল ফারহাদ, তার স্ত্রী মুন্নী, মুন্নীর সহযোগী কাকলি আক্তার এবং মুন্নীর বাবা ফজলু মোড়লকে গ্রেফতার করে। রোববার (১০ মে) সকালে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শার্শা থানার ওসি মারুফ হোসেন। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শার্শার বসতপুর পূর্বপাড়া এলাকার আল ফরহাদের স্ত্রী মুন্নীর (২২) সঙ্গে ইকরামুলের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। একমাস পাঁচদিন আগে তিনি তার প্রেমিকার কাছে পাওনা টাকা আনতে গিয়ে নিখোঁজ হন। দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকায় বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ অভিযুক্ত মুন্নীর স্বামী আল ফরহাদকে গ্রেফতার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার (৯ মে) পুলিশ বসতপুর গ্রামে তাদের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে গোয়ালঘরের মেঝে খনন করে নিখোঁজ ইকরামুলের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- পরকীয়া ও পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে তাকে শ্বাসরোধ বা অন্য কোনো উপায়ে হত্যা করে লাশ মাটিচাপা দেওয়া হয়েছিল। এদিকে, লাশ উদ্ধারের ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর শত শত উৎসুক জনতা অভিযুক্তদের বাড়ির সামনে ভিড় জমায়। মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মামলার বাদী ও নিহতের বাবা আব্দুর রশিদ অভিযোগ করেন, তার ছেলে ইকরামুলকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁদে ফেলে অপহরণ করা হয়। এরপর পরিবারের কাছে বিভিন্ন সময় দশ লাখ থেকে ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিনেও তার কোনো খোঁজ মেলেনি। তিনি জানান, গত ৮ এপ্রিল রাতে শার্শার সেতাই এলাকায় বড় বোনের বাড়ি থেকে ইকরামুলকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকেই তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল। পরিবারের সদস্যরা শার্শা থানা, বেনাপোল পোর্ট থানা ও ডিবি পুলিশের কাছে অভিযোগ করলেও প্রথমদিকে কোনো সন্ধান মেলেনি। পরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে গোয়ালঘরের মেঝে খুঁড়ে ইকরামুলের লাশ উদ্ধার করে। শার্শা থানার ওসি মারুফ হোসেন বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ফরহাদ-মুন্নী, মুন্নীর বাবা ফজলু মোড়ল ও মুন্নীর ব্যবসায়ী সহযোগী কাকলি আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। রোববার সকালে গ্রেফতারদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

Source 4: Prothom Alo · 10/05/26open original ↗

গোয়ালঘরের মেঝে খুঁড়ে মিলল নিখোঁজ যুবকের অর্ধগলিত লাশ, গ্রেপ্তার ৪

নিহত ইকরামুল কবিরছবি: সংগৃহীত যশোরের শার্শা সীমান্তে গ্রামের এক বাড়ির গোয়ালঘরের মেঝে খুঁড়ে ৩৫ দিন ধরে নিখোঁজ এক তরুণের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার রাত আটটার দিকে উপজেলার বসতপুর পূর্বপাড়া গ্রামে পুলিশের অভিযানে লাশটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় চারজনকে আটকের পর হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। নিহত তরুণের নাম ইকরামুল কবির (২৫)। তিনি শার্শা উপজেলার দক্ষিণ বারোপোতা গ্রামের আবদুল রশিদের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। হত্যার পর লাশ গোপন করে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সবাই। গ্রেপ্তার চারজন হলেন নিহত ইকরামুলের স্ত্রী মুন্নী বেগম (২২) ও মুন্নীর আরেক স্বামী মো. ফরহাদ, মুন্নীর বাবা ফজলু মোড়ল ও সহযোগী কাকলী খাতুন। এর মধ্যে মুন্নী এলাকায় বিউটি পারলারের ব্যবসা করতেন। শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন জানান, পরকীয়া সম্পর্ক ও আর্থিক বিরোধকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়। মুন্নী পারলার ব্যবসা করেন। ইতিমধ্যে তিনি চারটি বিয়ে করেছেন। ফরহাদ ও নিহত ইকরামুল দুজনই তাঁর স্বামী। হত্যাকাণ্ডের পর মুন্নী থানায় জিডি করতে এসেছিলেন। কিন্তু ইকরামুলের বাবা আবদুর রশিদের বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে তিনি হত্যা মামলা করেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ৩৫ দিন আগে ইকরামুল তাঁর পাওনা টাকা আনতে মুন্নীর বাড়িতে যান। এর পর থেকেই তিনি নিখোঁজ। পরে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাচ্ছিল না। ইকরামুলকে না পেয়ে তাঁর বাবা আবদুর রশিদ বাদী হয়ে গত শুক্রবার শার্শা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ওই মামলার সূত্র ধরে গতকাল রাতে ইকরামুলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে সন্দেহভাজন হিসেবে প্রথমে মুন্নির স্বামী ফরহাদকে আটক করে পুলিশ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল বিকেলে বসতপুর গ্রামে অভিযান চালান হয়। পরে আরও তিনজনকে আটক করা হয়। তাঁদের তথ্যের ভিত্তিতে মুন্নীদের বাড়ির গোয়ালঘরের পাকা মেঝে খুঁড়ে মাটিচাপা অবস্থায় ইকরামুলের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে মানুষের ভিড় জমে। দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর বাড়ির মাটির নিচ থেকে লাশ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ইকরামুলের মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ওসি মারুফ হোসেন বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর ফরহাদ তাঁর মুঠোফোনের সিম মুন্নীর মুঠোফোনে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করেন। এ বিষয়ে সন্দেহ হলে তাঁদের জিজ্ঞাসা করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন নিখোঁজলাশশার্শাআটকযশোরখুলনা বিভাগ