পাবনায় আধিপত্য বিস্তারে সংঘর্ষ-গুলি, নারী নিহতসহ আহত ১০
Why this classification
This incident was classified as political violence in Pabna. Parties reported: BNP. Reported casualties: 1 killed and 10 injured. Reported by 3 sources.
Killed
1
Injured
10
Summary
পাবনার সুজানগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণে চায়না খাতুন নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। ২০২৬ সালের ২৩ মার্চ সকালে উপজেলার ভিটবিলা পশ্চিমপাড়া গ্রামে এই সহিংসতায় আরও অন্তত ১০ জন আহত এবং বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
98% · severity 8
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 10
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 23/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
পাবনায় আধিপত্য বিস্তারে সংঘর্ষ-গুলি, নারী নিহতসহ আহত ১০
পাবনার সুজানগরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় বিএনপি-সমর্থিত দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় গুলিতে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন। আজ সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে সুজানগর উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়নের ভিটবিলা পশ্চিমপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধূর নাম চায়না খাতুন (৪০)। তিনি ওই গ্রামের শুকুর আলীর স্ত্রী। সুজানগর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সাদিক আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে হাটখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাফিউল ইসলাম রাজা গ্রুপের সঙ্গে মানিকহাট ইউনিয়নের ভিটবিলা গ্রামের বিএনপির সমর্থক ইসলাম প্রামানিক গ্রুপের বিরোধ চলছিল। রোববার দিবাগত রাতে দুই পক্ষের ছেলেদের মধ্যে মারামারি হয়। এ নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। আজ সোমবার সকালে ইসলাম প্রামানিক গ্রুপের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে এলাকায় জড়ো হচ্ছিল। এমন সময় রাজা গ্রুপের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা, গুলি ও বাড়ি ভাঙচুর করে। গুলিতে গৃহবধূ চায়না খাতুন ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ছাড়া গুরুতর আহত ১০ জনকে উদ্ধার করে সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।এ বিষয়ে ইসলাম প্রামানিক বলেন, ‘আমার ভাগনে ফরহাদ আওয়ামী লীগ সমর্থক ছিল। এ জন্য রোববার রাতে ভিটবিলা বাজারে তাকে মারধর করে রাজা গ্রুপের লোকজন। আমি খবর পেয়ে তখন সেখানে গিয়ে ঘটনা শুনে তাদেরকে এ বিষয়ে মারামারি না করার অনুরোধ করি। কিন্তু তারা উল্টো আমার ওপরও হামলা করে মারধর করে। খবর পেয়ে আমার গ্রামের লোকজন জড়ো হয়ে সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেয় মুরব্বিদের সঙ্গে বসে আলোচনা করে এ বিষয়ে সমঝোতা করা হবে। সকালে আমরা বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় রাজার গ্রুপের লোকজন অতর্কিত আমাদের গ্রামের লোকজনের ওপর গুলি ও হামলা চালায়। গুলিতে স্পটে মারা গেছে চায়না খাতুন। আরও ৮-১০ জন আহত হয়েছে। তাদেরকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’অভিযুক্ত রাফিউল ইসলাম রাজা বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। ঘটনার সময় আমি স্পটেও ছিলাম না। আমার এক আত্মীয়ের বিয়ের দাওয়াত খেতে আসছি। এখানে আমার নাম জড়ানো ষড়যন্ত্রমূলক। গুলিবর্ষণ হয়েছে কি না বা গুলিতে চায়না খাতুন মারা গেছে কি না আমি জানি না। আমি শুনেছি চায়না খাতুন স্ট্রোক করে মারা গেছে। আপনারা ভালো করে তদন্ত করে দেখেন আমি সেখানে ছিলাম কি না, আমার নেতৃত্বে হামলা হয়েছে কি না। আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’ স্থানীয় ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান বলেন, দুই পক্ষই বিএনপির সমর্থক। ভিটবিলা পশ্চিমপাড়া বাজার এলাকা ও পূর্বপাড়া এলাকার দুই পক্ষের ছেলেদের মধ্যে গত রাতে ঝামেলা হয়েছে শুনেছি। সেই ঘটনার পর পূর্বপাড়ার লোকদের (রাজা গ্রুপের) পশ্চিমপাড়া বাজারে যেতে দেবে না বলে ঘোষণা দেয় পশ্চিমপাড়া এলাকার (ইসলাম গ্রুপের) লোকজন। আজ সকালে লাঠিসোঁটা নিয়ে পাহারা বসায় তারা এবং বাজারে যাওয়া পূর্বপাড়ার লোকদেরকে ফিরিয়ে দেয় পশ্চিমপাড়ার লোকজন। পরে পূর্বপাড়ার লোকজন একজোট হয়ে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এসে পূর্বপাড়ার লোকদের ওপর হামলা চালায়।’সুজানগর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সাদিক আহমেদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে নিহত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। কী নিয়ে হামলার ঘটনা, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। পরে বিস্তারিত জানানো যাবে।এদিকে স্থানীয় একাধিক সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়, মূলত ঈদ-পরবর্তী চাঁদার টাকা ভাগ-বাঁটোয়ারাকে কেন্দ্র করে এই বিরোধের সূত্রপাত।
পাবনায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গুলিতে গৃহবধূ নিহত
সারাদেশ পাবনা পাবনায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গুলিতে গৃহবধূ নিহত জেলা প্রতিনিধি পাবনা ২৩ মার্চ ২০২৬, ১২:২৩ অ+ অ- পাবনার সুজানগরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় বিএনপি সমর্থিত দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও গুলিতে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন। সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে সুজানগর উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়নের ভিটবিলা পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিজ্ঞাপন নিহত গৃহবধুর নাম চায়না খাতুন (৪০)। তিনি ওই গ্রামের শুকুর আলীর স্ত্রী। পাবনার সহকারী পুলিশ সুপার (সুজানগর সার্কেল) সাদিক আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে হাটখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাফিউল ইসলাম রাজা গ্রুপের সঙ্গে মানিকহাট ইউনিয়নের ভিটবিলা গ্রামের বিএনপি সমর্থক ইসলাম প্রামাণিক গ্রুপের বিরোধ চলছিল। রোববার দিবাগত রাতে দুই পক্ষের ছেলেদের মধ্যে মারামারি হয়। এ নিয়ে গত রাত থেকেই দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। বিজ্ঞাপন সোমবার সকালে ইসলাম প্রামানিক গ্রুপের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে এলাকায় জড়ো হচ্ছিল। এ সময় রাজা গ্রুপের লোকজন লাঠিসোঁটা ও অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের ওপরে হামলা চালিয়ে গুলিবর্ষণ ও বাড়ি ভাঙচুর করে। গুলিতে গৃহবধূ চায়না খাতুন ঘটনাস্থলেই মারা যান। এছাড়া গুরুতর আহত ১০ জনকে উদ্ধার করে সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ বিষয়ে ইসলাম প্রামানিক বলেন, আমার ভাগ্নে ফরহাদ আওয়ামী লীগ সমর্থক ছিল। এজন্য রোববার রাতে ভিটবিলা বাজারে তাকে মারধর করে রাজা গ্রুপের লোকজন। আমি খবর পেয়ে তখনি সেখানে গিয়ে ঘটনা শুনে তাদেরকে এ বিষয়ে মারামারি না করার অনুরোধ করি। কিন্তু তারা উল্টো আমার ওপরও হামলা করে মারধর করে। খবর পেয়ে আমার গ্রামের লোকজন জড়ো হয়ে সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিই মুরব্বিদের সঙ্গে বসে আলোচনা করে এ বিষয়ে সমঝোতা করা হবে। সকালে আমরা বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় রাজা গ্রুপের লোকজন লাঠিসোঁটা ও অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রাজার নেতৃত্বে এসে অতর্কিত আমাদের গ্রামের লোকজনের ওপরে গুলি ও হামলা চালায়। এতে গুলিতে স্পটে মারা গেছে চায়না খাতুন। আরও ৮-১০ জন আহত হয়েছে। তাদেরকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত রাফিউল ইসলাম রাজা বলেন, ঘটনার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। ঘটনার সময় আমি স্পটেও ছিলাম না। আমার এক আত্মীয়ের বিয়ের দাওয়াত খেতে আসছি। এখানে আমার নাম জড়ানো ষড়যন্ত্রমূলক। গুলিবর্ষণ হয়েছে কিনা বা গুলিতে চায়না খাতুন মারা গেছে কিনা আমি জানি না। আমি শুনেছি চায়না খাতুন স্ট্রোক করে মারা গেছে। আপনারা ভালো করে তদন্ত করে দেখেন আমি সেখানে ছিলাম কিনা, আমার নেতৃত্বে হামলা হয়েছে কিনা। আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। বিজ্ঞাপন মানিকহাট ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান বলেন, দুই পক্ষই বিএনপি সমর্থক। ভিটবিলা পশ্চিমপাড়া বাজার এলাকা ও পুর্বপাড়া এলাকার দুই পক্ষের ছেলেদের মধ্যে গতরাতে ঝামেলা হয় শুনেছি। সেই ঘটনার পর পূর্বপাড়ার লোকদের (রাজা গ্রুপের) পশ্চিমপাড়া বাজারে যেতে দেবে না বলে ঘোষণা দেয় পশ্চিমপাড়া এলাকার (ইসলাম গ্রুপের) লোকজন। আজ সকালে লাঠিসোঁটা নিয়ে পাহারা বসায় তারা এবং বাজারে যাওয়া পুর্বপাড়ার লোকদেরকে ফিরিয়ে দেয় পশ্চিমপাড়া লোকজন। পরে পূর্বপাড়ার লোকজন একজোট হয়ে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এসে পূর্বপাড়ার লোকদের ওপর হামলা চালায়। সুজানগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খঈম উদ্দিন বলেন, গুলিতে ওই নারী নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরে বিস্তারিত জানাতে পারব। সহকারী পুলিশ সুপার (সুজানগর সার্কেল) সাদিক আহমেদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। কী বিষয় নিয়ে হামলার ঘটনা সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। পরে বিস্তারিত জানানো যাবে। রাকিব হাসনাত/আরএআর
সাবেক স্বামীর সঙ্গে প্রেমে বাধা দেওয়ায় হত্যা
বেড়ায় ফজলুর রহমান হত্যার ক্লু উদ্ঘাটন সাবেক স্বামীর সঙ্গে প্রেমে বাধা দেওয়ায় হত্যা Advertisement পাবনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩১ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বেড়া উপজেলায় রিকশাচালক ফজলুর রহমান (৫৫) হত্যারহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। সাবেক স্বামীর সঙ্গে প্রেমে বাধা দেওয়ায় দ্বিতীয় স্বামী ফজলুর রহমানকে পরিকল্পিতভাবে গলা কেটে হত্যা করেন স্ত্রী জোছনা খাতুন। হত্যাকাণ্ডের ১০ দিন পর সোমবার ভোরে মূল পরিকল্পনাকারীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতাররা হলেন-নিহতের স্ত্রী জোছনা খাতুন, জোছনার সাবেক স্বামী ও ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত মো. মানিক এবং হত্যাকাণ্ডে সহায়তাকারী মানিকের সহযোগী মো. খোকন প্রামাণিক। পুলিশ জানায়, ২০ মার্চ বেড়া পৌরসভার বড়শিলা গ্রামের একটি ধানখেত থেকে ফজলুর রহমানের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি হাতিগাড়া ক্যানেল এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং পেশায় একজন রিকশাচালক ছিলেন। ঘটনার দিন তার লাশ ও ব্যবহৃত রিকশাটি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে হত্যাকাণ্ডের কোনো ক্লু খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনুর রহমান, বেড়া মডেল থানার ওসি নিতাই চন্দ্র সরকার এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক লাবলুর রহমান পিপিএমের নেতৃত্বে পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করে। দীর্ঘ ১০ দিনের নিবিড় তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান নিশ্চিত করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনুর রহমান জানান, জোছনা নিহত ফজলুর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রী। জোছনা খাতুনের সঙ্গে তার সাবেক স্বামী মানিকের দীর্ঘদিনের গোপন সম্পর্ক বা পরকীয়া চলছিল। এই সম্পর্কের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ানোয় এবং পারিবারিক কলহের জেরে ফজলুর রহমানকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন তারা। পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার রাতে মানিক ও তার সহযোগী খোকন প্রামাণিক ফজলুর রহমানকে কৌশলে নির্জন স্থানে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে স্ত্রী জোছনা খাতুনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে ফজলুরকে গলা কেটে হত্যা করে লাশ ধানখেতে ফেলে তারা পালিয়ে যান। গ্রেফতার তিন আসামিকে সোমবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
একঝলক (২৩ মার্চ ২০২৬)
১ / ১৭ ঈদের ছুটিতে দুই দিন বন্ধ থাকার পর গোদনাইলে জ্বালানি তেলের ডিপোয় তেল সংগ্রহে ট্যাংক লরির দীর্ঘ সারি। নারায়ণগঞ্জ, ২৩ মার্চছবি: প্রথম আলো ২ / ১৭ সবুজে মোড়া সিলেট অঞ্চলের পর্যটনকেন্দ্রগুলোর পাশাপাশি শহরতলির চা–বাগানেও ঈদের ছুটিতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। শিশুকে নিয়ে লাক্কাতুরা চা-বাগান দেখতে আসেন এই নারী। সিলেট, ২৩ মার্চছবি: আনিস মাহমুদ ৩ / ১৭ ঈদের ছুটি শেষ, ঢাকায় ফিরতে ট্রেনে ওঠার আগে স্টেশনে স্বজনের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে বিদায়। রাজশাহী, ২৩ মার্চছবি: শহীদুল ইসলাম ৪ / ১৭ আগাম রোপণ করা হালি পেঁয়াজ খেত থেকে তুলে খেতেই বস্তাবন্দী করছেন কৃষকেরা; পরে তা হাটে নিয়ে বিক্রি করা হবে। জাহোটি, সদর উপজেলা, মধুখালী, ফরিদপুর, ২৩ মার্চছবি: আলীমুজ্জামান ৫ / ১৭ ট্রাক্টরের যুগে লাঙল দিয়ে হালচাষ এখন বিরল এক দৃশ্য, নিজের আখখেতে তা–ই তৈরি করলেন কৃষক মোস্তফা শেখ। বোয়ালিয়া, রায়পুর ইউনিয়ন, মধুখালী, ফরিদপুর, ২৩ মার্চছবি: আলীমুজ্জামান ৬ / ১৭ চায়ের রাজ্য শ্রীমঙ্গলে ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের ভিড়। বিভিন্ন রিসোর্টে নেমে আনন্দে সময় কাটাচ্ছেন ভ্রমণপিপাসুরা। লেমন গার্ডেন রিসোর্ট, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার, ২৩ মার্চছবি: প্রথম আলো ৭ / ১৭ পাবনার ঈশ্বরদীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়েছিল বিএনপির দুই পক্ষ। তখন বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুরের পর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর সেই আগুন নেভায় ফায়ার সার্ভিস। পোস্ট অফিস মোড় এলাকা, ঈশ্বরদী পৌর শহর, পাবনা, ২৩ মার্চছবি: হাসান মাহমুদ ৮ / ১৭ ঈদের ছুটিতে খাগড়াছড়ির আলুটিলায় পর্যটকদের ঢল। আলুটিলা, খাগড়াছড়ি, ২৩ মার্চছবি: জয়ন্তী দেওয়ান ৯ / ১৭ আড়িয়াল খাঁ নদের তীরে নৌকায় বসবাস করছে কয়েকটি জেলে পরিবার। উৎসবের সময়ও নদীতেই কাটে তাদের জীবন। তালতলী সেতু এলাকা, সায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন, বরিশাল, ২৩ মার্চছবি: সাইয়ান ১০ / ১৭ তরমুজের ভরা মৌসুমে পেন্নাই বাজারে প্রতিটি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ৬০০ টাকায়। দাউদকান্দি, কুমিল্লা, ২৩ মার্চছবি: আবদুর রহমান ঢালী ১১ / ১৭ শুকনা ডালের সঙ্গে নিজেকে মিশিয়ে নানা ভঙ্গিতে আঁকড়ে ধরে আছে একটি গিরগিটি। গোদারপাড় এলাকা, বান্দরবান, ২৩ মার্চছবি: মং হাই সিং মারমা ১২ / ১৭ ঈদের তৃতীয় দিনে সাঙ্গু নদে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় চড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পর্যটকেরা। ছাইংগ্যা এলাকা, বান্দরবান, ২৩ মার্চছবি: মং হাই সিং মারমা ১৩ / ১৭ হাওরের অলওয়েদার সড়কে অটোরিকশার ছাদে চড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে ভ্রমণ। মিঠামইন সদর এলাকা, কিশোরগঞ্জ, ২৩ মার্চছবি: তাফসিলুল আজিজ ১৪ / ১৭ ঈদের তৃতীয় দিনে শহরে ঘুরতে এসে সড়কের ধারের অস্থায়ী দোকান থেকে খেলনা কিনছে কিশোরেরা। হনুমানতলা, রংপুর, ২৩ মার্চছবি: মঈনুল ইসলাম ১৫ / ১৭ চীন থেকে আমদানি করা কমলা পাইকারি দরে বিক্রি হচ্ছে আড়তে। সিটি পার্ক বাজার, রংপুর, ২৩ মার্চছবি: মঈনুল ইসলাম ১৬ / ১৭ জবা ফুলের ওপর বসে আছে একটি প্রজাপতি। আলুটিলা, খাগড়াছড়ি, ২৩ মার্চছবি: জয়ন্তী দেওয়ান ১৭ / ১৭ ঈদের ছুটিতে পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারে স্থাপত্য সৌন্দর্য উপভোগে দর্শনার্থীরা। নওগাঁ, ২৩ মার্চছবি: প্রথম আলো প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন একঝলক থেকে আরও দেখুন একঝলক
