বাগমারায় যুবলীগ নেতা ও আওয়ামী লীগের দুই সমর্থকের বাড়িঘরে হামলা, লুটপাট
Why this classification
This incident was classified as political violence in Rajshahi. Parties reported: AL, BNP. Reported by 1 source.
Killed
0
Injured
0
Summary
রাজশাহীর বাগমারায় ২১ মার্চ রাতে মুখোশধারী একদল ব্যক্তি এক যুবলীগ নেতা ও দুই আওয়ামী লীগ সমর্থকের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। ভুক্তভোগীরা এই ঘটনার জন্য রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দায়ী করেছেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
71% · severity 5
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 21/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বাগমারায় যুবলীগ নেতা ও আওয়ামী লীগের দুই সমর্থকের বাড়িঘরে হামলা, লুটপাট
রাজশাহী বাগমারা তাহেরপুরের নুরপুরে যুবলীগ নেতার বাড়িতে ভাঙচুর করা টেলিভিশনছবি: সংগৃহীত রাজশাহীর বাগমারায় পালিয়ে থাকা এক যুবলীগ নেতা ও আওয়ামী লীগের দুই সমর্থকের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঈদের দিন শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। যুবলীগের নেতার নাম সোহেল রানা। তিনি উপজেলার তাহেরপুর পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। তাঁর বাড়ি পৌরসভার নুরপুরে। এ নিয়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে সোহেল রানার বাড়িতে তিনবার হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটল। সোহেল রানা আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যুবদল নেতা মুনছুর রহমানকে সরাসরি গুলি করার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ও স্থানীয় লোকজন জানান, শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ১৫-১৬ জন মুখোশধারী সোহেল রানার বাড়িতে প্রবেশ করে নিজেদের প্রশাসনের লোক পরিচয় দেয়। একপর্যায়ে তারা বাড়ির লোকজনকে জিম্মি করে সোহেল রানার ভাই সবুজকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। তাঁকে না পেয়ে বাড়িতে থাকা টিভি, আলমারি, এসিসহ আসবাব ভাঙচুর করে। ঘরে থাকা সোনা ও নগদ টাকা নিয়ে চলে যায়। পরে একই কায়দায় ওই এলাকার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সমর্থক ফরিদ হোসেন ও শামীমের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। আজ সোমবার সকালে সোহেল রানার বাড়িতে গিয়ে ব্যাপক ভাঙচুরের দৃশ্য দেখা যায়। মেঝেতে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে আছে ভাঙচুর করা আসবাব। কাপড়চোপড়ও পড়ে আছে খাট ও মেঝেতে। আলমারির ড্রয়ার ভাঙা অবস্থায় চোখে পড়ে। সোহেল রানার বাবা আবদুল গাফফারের (৫৫) চোখে–মুখে আতঙ্কের ছাপ। তিনি ঘটনার বিবরণ বলেন, ‘আমার ছেলে বাড়িতে আছে কি না, জানতে চেয়েই হামলা করে। চোখে দেখা ছাড়া কিছুই করার উপায় ছিল না।’ থানা-পুলিশের কাছে গেলে মামলা না নিয়ে চুপ থাকার পরামর্শ দিয়ে ফেরত পাঠিয়েছে বলে অভিযোগ করেন। তবে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম বলেন, এ রকম কোনো ঘটনা পুলিশ জানে না। কেউ মামলা বা অভিযোগও করতে আসেনি। এলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পলাতক সোহেল রানা প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার বাড়িতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে তিনবার হামলা, ভাঙচুর চালিয়ে সবকিছু তছনছ করে দেওয়া হলো।’ তিনি এ জন্য যুবদল ও ছাত্রদলকে দায়ী করেন। তবে কারোর নাম উল্লেখ করেননি। সোহেল রানার ভাই সবুজ হোসেন বলেন, ‘আমরা দুই ভাই ৫ আগস্টের মিথ্যা মামলায় বাইরে ছিলাম, দীর্ঘদিন পরে আমি জামিন নিয়ে মাঝেমধ্যে বাসায় আসি, আবার বাইরে চলে যাই। এই বাহিনী এর আগেও দুইবার আমাদের বাড়িতে লুটপাট করেছে।’ ফরিদ হোসেনের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, টিভি, ফ্রিজ ও এসি ভেঙে পড়ে আছে। মেঝেতে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে আছে ভাঙচুর করা আসবাব। কাপড়চোপড়ও পড়ে আছে খাট ও মেঝেতে। আলমারির ড্রয়ার ভাঙা। তাঁর বাবা মোজাহার আলী (৫৩) কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার সব শেষ কইরা দিচে। গরু বিক্রির দুই লাখ টাকার লিইয়্যা গেছে। ছেলে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে, এটাই অপরাধ।’ তবে কাউকে চিনতে পারেননি বলে জানান তিনি। শামীম হোসেনের বাড়িতে গিয়ে সবকিছু এলোমেলো অবস্থায় দেখা যায়। তবে এ বিষয়ে কেউ কোনো কথা বলতে চাননি। শামীমের বাবা ইউসুফ আলী (৫৫) বলেন, ‘আল্লাহর কাছে বিচার দিয়েছি।’ নাম প্রকাশ না করার শর্তে চারজন প্রতিবেশী বলেন, বাড়িতে ডাকাতি হচ্ছে বলে তাঁরা মনে করেছিলেন। সবার হাতে অস্ত্র ছিল। তবে কাউকে চেনা যায়নি। ভয়ে তাঁরা ঘরে চুপ করে বসেছিলেন। সদ্য বিলুপ্ত তাহেরপুর পৌর যুবদলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, যুবদল এমন কাজ করেনি, এমন ঘটনা কেউ ঘটালে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারোর ব্যক্তিগত অপরাধের দায়ভার দল নেবে না। আরও পড়ুন রাজশাহীতে যুবলীগ নেতার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর ১৬ নভেম্বর ২০২৫ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন রাজনীতিবাগমারাঅপরাধরাজশাহীরাজশাহী বিভাগ
