বগুড়ায় চাচাতো ভাইয়ের মারধরে কৃষকের মৃত্যু
Why this classification
A farmer was beaten with a nail-studded bamboo pole by his cousin and nephew during a dispute over damaged bamboo shoots, and he died of his injuries on the night of 2 June 2026. This is a concrete, recent fatal assault in Bangladesh, so it qualifies as a violence incident.
Killed
1
Injured
0
Summary
বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় বাঁশের কোড়ল নষ্ট করা নিয়ে বিরোধের জেরে চাচাতো ভাই ও ভাতিজার মারধরে কৃষক হযরত আলী (৫৫) গুরুতর আহত হন। ২০২৬ সালের ২ জুন (মঙ্গলবার) বিকেলের এই ঘটনায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে শজিমেক হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 02/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বগুড়ায় চাচাতো ভাইয়ের মারধরে কৃষকের মৃত্যু
বাঁশের চারা নষ্ট বগুড়ায় চাচাতো ভাইয়ের মারধরে কৃষকের মৃত্যু Advertisement বগুড়া ব্যুরো প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় বাঁশের কোড়ল (নতুন চারা) নষ্ট করা নিয়ে বিরোধে কৃষক হযরত আলীকে (৫৫) পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার কুসুম্বি ইউনিয়নের বেলঘড়িয়া গ্রামে চাচাতো ভাই ও ভাতিজার মারধরে হযরত মারাত্মক আহত হন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। হযরত উপজেলার কুসুম্বি ইউনিয়নের বেলঘড়িয়া গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে। বুধবার শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মঈনুদ্দীন জানান, কৃষক হযরতের লাশ উদ্ধার করে শজিমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। জানা যায়, আবদুর রহিমের বাঁশঝাড়ের কোড়ল কে বা কারা ভেঙে ফেলে। এজন্য হযরত আলীকে তারা দায়ী করেন। এ নিয়ে মঙ্গলবার বিকাল হযরতের সঙ্গে রহিম ও তার ছেলে নাইমের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পেরেকযুক্ত বাঁশ দিয়ে তারা আঘাত করলে হযরত গুরুতর জখম হন। প্রথমে তাকে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে শজিমেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে হযরত আলী মারা যান।
