সাভারে ৪ ডিবি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্বর্ণ চুরি ও ঘুসের অভিযোগ
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Dhaka. Parties reported: Dhaka District DB Police, Ruma Akter Bonna. Reported by 1 source.
Killed
0
Injured
0
Summary
গত ১৯ জুলাই রাতে সাভারের আশুলিয়ায় মাদক উদ্ধারের নামে এক নারী পোশাক শ্রমিকের বাসায় তল্লাশি চালিয়ে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ উঠেছে ডিবি পুলিশের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী রুমা আক্তার বন্যা এই ঘটনায় ঢাকা জেলা ডিবি কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
74% · severity 3
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 19/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত ঢাবি সাংবাদিক সমিতির
রাজধানীর শাহবাগ থানায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাত ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও জড়িত শিক্ষার্থীদের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছে। একইসঙ্গে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে থানায় মামলা দায়ের এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সমিতি। সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সভাপতি মানজুর হোছাঈন মাহি বলেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর যে স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো তা প্রশ্নবিদ্ধ করছে। গত দুই দিনে ধারাবাহিকভাবে সাংবাদিকদের হেনস্তা এবং সর্বশেষ শাহবাগ থানায় সরাসরি হামলার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তিনি জানান, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার খবর পেয়ে সাংবাদিকরা শাহবাগ থানায় যান। সেখানে ভিডিও ধারণ করতে গেলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বাধা দেয়। প্রতিবাদ জানালে তাকে ধাক্কা দেওয়া হয় এবং অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। পরবর্তীতে একটি ‘মব’ তৈরি করে ১৫০-২০০ জন নেতাকর্মী সাংবাদিকদের ওপর হামলে পড়ে। সমিতির সাধারণ সম্পাদক লিটন ইসলাম বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে থাকাকালে পুলিশের ভূমিকা ছিল নীরব। আমাদের ওপর হামলার পরই পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়। তিনি দাবি করেন, পূর্বের ঘটনাগুলোর ধারাবাহিকতায় এটি সাংবাদিকদের জন্য একটি স্পষ্ট ‘হুমকি’। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, হামলায় অন্তত ১০-১২ জন সাংবাদিক আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজন গুরুতর জখম হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতদের মধ্যে সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিজেও রয়েছেন। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠনকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সংবাদ সম্মেলন শেষে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান নেতারা। এছাড়া আগামীকাল সকাল ১০টায় হামলাকারীদের ছাত্রত্ব বাতিলের দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি জমা দেওয়া হবে বলে জানান তারা সমিতির পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে, হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করতে হবে, জড়িত যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, তাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করতে হবে, সারাদেশে স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। এমএল/এমএসএ
সাভারে ৪ ডিবি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্বর্ণ চুরি ও ঘুসের অভিযোগ
সাভারে মাদক উদ্ধারের নামে এক নারী পোশাক শ্রমিকের বাসায় তল্লাশি চালিয়ে স্বর্ণালংকার চুরি এবং কোনো মাদক না পেয়েও তাকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে ১৫ হাজার টাকা ঘুসসহ মূল্যবান মালামাল লুটের অভিযোগ উঠেছে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা ঢাকা মিন্টু রোডের পুলিশ পরিচয় দিলেও অভিযোগ উঠেছে সাভারের ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) উত্তরের চার সদস্যের বিরুদ্ধে। তারা পরিচয় গোপন করে এ কাজ করায় সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন- ঢাকা জেলা ডিবি পুলিশের এসআই নাফিউল ইসলাম, এএসআই আব্দুস সালাম, কনস্টেবল মো. আইয়ুব আলী এবং মো. মাহবুব, সোর্স মো. আমিনুলসহ অজ্ঞাত কয়েকজন। ভুক্তভোগী ওই নারী পোশাক শ্রমিকের অভিযোগ গ্রেফতারের পর ডিবি পুলিশ নগদ ১৫ হাজার টাকা ঘুস নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে ভুক্তভোগী রুমা আক্তার বন্যা ঢাকা জেলা ডিবি কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুলাই রাত ১১টার দিকে আশুলিয়া থানাধীন ধামসোনা ইউনিয়নের ভাদাইল হাজী আলাউদ্দিন স্কুলসংলগ্ন নিজ বাসায় স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে অবস্থান করছিলেন রুমা আক্তার বন্যা। এ সময় ঢাকা মিন্টু রোডের ডিবি পুলিশ পরিচয়ে এসআই নাফিউল ইসলাম, এএসআই আব্দুস সালাম, কনস্টেবল মো. আইয়ুব আলী, মো. আমিনুল ও মো. মাহাবুবসহ কয়েকজন তার বাসায় প্রবেশ করেন। ভুক্তভোগী নারীর দাবি, তার স্বামী আরিফ হোসেনকে মাদক সংক্রান্ত অভিযোগে খোঁজা হচ্ছে বলে জানিয়ে ঘরে তল্লাশি চালানো হয়। তবে তল্লাশিতে কোনো মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়নি। এরপরও ভুক্তভোগীকে মাদকের মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন ওই টিমে থাকা এসআই নাফিউল। তিনি আরও অভিযোগ করেন, দাবিকৃত ৫০ হাজার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ভয়ভীতি দেখানো ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। একপর্যায়ে ওই নারীর গ্রামের বাড়ি জামালপুরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিকাশ থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দিলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। অভিযোগে ভুক্তভোগী নারী আরও জানান, রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে ডিবি পরিচয়ে আসা ব্যক্তিরা চলে যাওয়ার পর তিনি ঘরে ঢুকে মালামাল এলোমেলো দেখতে পান। পরে ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ারে থাকা একটি ব্যাগে গচ্ছিত তিনটি স্বর্ণের আংটি ও একটি স্বর্ণের চেইন (যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ১০ হাজার টাকা) এবং একটি মোবাইল ফোন খুঁজে পাওয়া যায়নি। সেগুলো ডিবির লোকজন লুটে নিয়েছেন বলে জানান তিনি। পোশাক শ্রমিক বন্যার অভিযোগ, তল্লাশির সুযোগে তার অনুপস্থিতিতে ওই স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোনটি ডিবি সদস্যরাই নিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত এসআই নাফিউল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। তবে ঢাকা জেলা ডিবির (উত্তর) ওসি সাইদুল ইসলাম সোমবার বিকালে যুগান্তরকে বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি। ভুক্তভোগী নারীও আমার কাছে এসেছিলেন। পুরো বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, ডিবির ওই টিমের সঙ্গে থাকা সোর্স মো. আমিনুল এ ধরনের স্বর্ণালংকার লুটের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে কিন্তু ঘটনার পর থেকে সোর্স আমিনুল লাপাত্তা হয়ে যায়। পুলিশ তাকেও খুঁজছে। তিনি আরও বলেন, ডিবির সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের জড়িত থাকার প্রমাণ মিললে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে আজকে পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো তদন্ত কমিটি বা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে ডিবির এই অফিসার জানান।
