নিরাপত্তা জোরদারে জাবি প্রশাসনের ১৪ সিদ্ধান্ত
Why this classification
The article reports a specific recent incident of a rape attempt on a university student, meeting the definition of violent attack and occurring within the 14‑day window in Bangladesh. Therefore it is classified as a violence incident.
Killed
0
Injured
1
Summary
মঙ্গলবার রাতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি নারী শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের ভিতরে বহিরাগত এক ব্যক্তির দ্বারা ধর্ষণ ও প্রাণনাশের চেষ্টা সহিংসতার শিকার হন। ঘটনাটির পর বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপত্তা জোরদার করতে ১৪টি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, যার মধ্যে কুইক রেসপন্স টিম গঠন, হটলাইন চালু এবং ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন অন্তর্ভুক্ত।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
94% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
নিরাপত্তা জোরদারে জাবি প্রশাসনের ১৪ সিদ্ধান্ত
ক্যাম্পাসে ধর্ষণ ও প্রাণনাশের চেষ্টা নিরাপত্তা জোরদারে জাবি প্রশাসনের ১৪ সিদ্ধান্ত Advertisement জাবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ফাইল ছবি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও প্রাণনাশের চেষ্টার পর নিরাপত্তা জোরদারে ১৪ দফা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শুক্রবার বিকালে সিনেট হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব সিদ্ধান্ত তুলে ধরেন প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে প্রক্টর ঘটনাটিকে ‘ন্যক্কারজনক’ উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা জানান এবং অভিযুক্ত দুষ্কৃতকারীকে দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের ব্যাপারে প্রশাসনের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানান। তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থী আবাসিক হলে ফেরার পথে ক্যাম্পাসের ভেতরে বহিরাগত দুষ্কৃতকারীর হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় বিভিন্ন সংগঠনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জরুরি প্রশাসনিক সভায় ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। গৃহীত সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে-দ্রুত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কুইক রেসপন্স টিম গঠন, জরুরি অভিযোগ গ্রহণে হটলাইন চালু, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিচয়পত্র বহন বাধ্যতামূলক করা এবং বহিরাগতদের নিয়ন্ত্রিত প্রবেশ নিশ্চিত করা। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণ কাজে নিয়োজিত শ্রমিক-কর্মকর্তা ও দোকান কর্মচারীদের পরিচয়পত্র প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ক্যাম্পাসে থাকা ভ্রাম্যমাণ দোকান অপসারণ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্যভিত্তিক ডাটাবেজ তৈরির সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রবেশপথে অতিরিক্ত নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন, নতুন নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগ এবং আরও একশ’ আনসার সদস্য মোতায়েনের জন্য ইউজিসিতে আবেদন পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান প্রক্টর। তিনি আরও বলেন, ক্যাম্পাসের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি সীমানা প্রাচীরের ভাঙা অংশ দ্রুত মেরামত এবং অননুমোদিত প্রবেশপথ বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, আলবেরুনী হলের টিনশেড এক্সটেনশন ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করে ভেঙে ফেলা হবে। একই সঙ্গে বুলিং, সাইবার বুলিং ও র্যাগিং প্রতিরোধে স্থায়ী কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান ও সহকারী প্রক্টরগণ উপস্থিত ছিলেন। ধর্ষণচেষ্টার আগে ক্যাম্পাসে যুবকের রহস্যজনক সাড়ে ৪ ঘণ্টা : শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ফুটেজে দেখা গেছে, ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৬টা ৫৮ মিনিটে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে রাত ১১টা ১৩ মিনিটে অপরাধ সংঘটনের আগ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৪ ঘণ্টা ধরে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়িয়েছেন ওই যুবক।
