গুলিতে ডাকাত সর্দার সাহেব আলী নিহত

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The article reports a specific criminal fatality where a robber leader was shot and killed inside Bangladesh, meeting all criteria for a violent incident.

Reported by:JugantorSamakalDhaka PostCorroborated · 3 sources
12/10/26•Siddhirganj

Killed

1

Injured

0

Summary

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে গুলিতে কুখ্যাত ডাকাত সর্দার সাহেব আলী নিহত হয়েছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 8

Other actors

সাহেব আলী (ডাকাত সর্দার)

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 12/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 12/10/26open original ↗

সিদ্ধিরগঞ্জে দুর্বৃত্তের গুলিতে ‘ডাকাত সাহেব’ নিহত

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে দুর্বৃত্তদের গুলিতে সাহেব আলী (৫০) ওরফে ডাকাত সাহেব নামের এক শীর্ষ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। সোমবার বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জের আটি গ্রামের ওয়াবদা কলোনির বউবাজার এলাকায় তাকে গুলি করা হয়।

Source 2: Dhaka Post · 14/10/26open original ↗

নারায়ণগঞ্জে ‘ডাকাত’ সাহেব আলী খুন, নেপথ্যে বালুর ব্যবসা নিয়ে বিরোধ

বালুর ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাব্বির আহাম্মেদকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছিল এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ডাকাত হিসেবে পরিচিত সাহেব আলীর বিরুদ্ধে। সেই বিরোধের সূত্র ধরে স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার ও পুরোনো দ্বন্দ্বের নানা দিক সামনে আসছে। সাব্বিরের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত সাহেব আলীও শেষ পর্যন্ত গুলিতে নিহত হয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি করা হয়েছে লুৎফর রহমান রনিকে, যিনি একসময় সাহেব আলীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে সব্বিরকে (২৮) আটি ওয়াবদা কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-১১। নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াপদা কলোনি ও বউবাজার এলাকায় বালুর ব্যবসা, চাঁদাবাজি এবং স্থানীয় আধিপত্যকে কেন্দ্র করে এসব ঘটনার সূত্রপাত বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একসময় সাহেব আলী ও রনির মধ্যে ঘনিষ্ঠতা থাকলেও পরে তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরে। এর মধ্যে বালুর ব্যবসা নিয়ে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন সাহেব আলী ও তার প্রতিপক্ষরা। গত ৫ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ২০ মিনিটে আটি ওয়াপদা কলোনির বউবাজার এলাকায় নিজ বাসার সামনে হামলার শিকার হন সাব্বির আহাম্মেদ। এ ঘটনায় সাহেব আলীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দেন তিনি। সাব্বিরের অভিযোগ, বালুর ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরে সাহেব আলীসহ কয়েকজন ধারালো চাপাতি, সুইচগিয়ার ও ছেনি দিয়ে তার বাম পা, পিঠ ও ডান হাতে কোপ দেন। তাকে মারধরের পাশাপাশি পকেটে থাকা ৮০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া এবং তার মোটরসাইকেল ভাঙচুরের অভিযোগও করেন তিনি। পরে আহত অবস্থায় তাকে নারায়ণগঞ্জের খানপুরে ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সাব্বিরের দাবি, এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ ও তাতে বাধা দেওয়ার কারণেই তাকে হামলার শিকার হতে হয়েছে। তবে স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, বালুর ব্যবসা ও স্থানীয় আধিপত্যের বিরোধ এই হামলার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সাব্বিরের ওপর হামলার ঘটনার প্রায় এক মাস পর গত ১২ অক্টোবর সিদ্ধিরগঞ্জের বউবাজার এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন সাহেব আলী। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। সাহেব আলীর ছেলে মো. সজিবের অভিযোগ, তার বাবার নাম ব্যবহার করে রনি ও আসলাম চাঁদাবাজি করতেন। তাদের বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ঘটনার দিন তার চাচা রবিউলকে গুলি করার খবর পেয়ে তিনি ও তার বাবা বাড়ি থেকে বের হন। সজিব বলেন, আমার চাচা রবিউলকে গুলি করেছে—এমন ফোন পেয়ে আমি ও আমার বাবা বাড়ি থেকে বের হই। আমি সামনে ছিলাম। এ সময় রনি আমাকে লাথি দেয়, আর আসলাম আমাকে মারার জন্য তেড়ে আসে। তখন রনি আমার বাবাকে গুলি করে। পরিবারের ভাষ্য, সাহেব আলীর ওপর হামলার আগে তার ভাই রবিউলকে গুলি করা হয় এবং তাদের সহযোগী হাফিজকে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে সাহেব আলী ছেলে সজিবকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। সেখানে সংঘর্ষের একপর্যায়ে রনির গুলিতে সাহেব আলী মাথায় আঘাত পান। স্থানীয় সূত্রের দাবি, লুৎফর রহমান রনি একসময় সাহেব আলীর সঙ্গে চলাফেরা করতেন এবং বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির সময় সিদ্ধিরগঞ্জের হাউজিং এলাকায় একটি নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে রড লুটের অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। পরে মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেনের সঙ্গে রনিকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় দেখা যায়। অন্যদিকে সাহেব আলী ও সাজ্জাদের মধ্যে বালুর গদি নিয়ে বিরোধ ছিল। ওই বিরোধের জেরে সাজ্জাদের সহযোগী সাব্বিরকে সাহেব আলী কোপান বলে অভিযোগ রয়েছে। অর্থাৎ বালুর ব্যবসা ঘিরে এক পক্ষের সঙ্গে অন্য পক্ষের বিরোধ, পাল্টাপাল্টি হামলা এবং পুরোনো সহযোগীদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতির হয়। সাহেব আলী হত্যার ঘটনায় গত ১৩ অক্টোবর তার স্ত্রী কল্পনা বেগম সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা করেন। মামলায় লুৎফর রহমান রনি ও আসলামকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, কৃষক দল নেতা সাব্বির আহাম্মেদ ও নূর নবীসহ তিনজন অজ্ঞাত উল্লেখ করে মামলা করা হয়। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক জানান, সাহেব আলীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ছিল। তিনি এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক মজিবুর রহমান জানান, এ ঘটনায় গতকাল রাতে সাহেব আলীর স্ত্রী কল্পনা বেগম ৫ জনের নাম ও ৩ জনকে অজ্ঞাত উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। এ ঘটনায় এখনো কেউ গ্রেপ্তায় হয়নি। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। মেহেদী হাসান সৈকত/আরএআর

Source 3: Jugantor · 12/10/26open original ↗

গুলিতে ডাকাত সর্দার সাহেব আলী নিহত

গুলিতে ডাকাত সর্দার সাহেব আলী নিহত. নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে গুলিতে কুখ্যাত ডাকাত সর্দার সাহেব আলী নিহত হয়েছেন।