চুরির মামলা তুলে না নেওয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলা

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

A journalist was stabbed with sharp weapons by Iqbal, his wife, and their associates on the evening of 8 May, after he refused to withdraw a case over a stolen auto-rickshaw. He suffered a severed thumb and deep wounds and is receiving treatment at Rajshahi Medical College Hospital.

Reported by:Dhaka PostSingle source
08/05/26•Rajshahi city

Killed

0

Injured

1

Summary

রাজশাহী নগরীতে ৮ মে সন্ধ্যায় অটোচুরির মামলা প্রত্যাহার না করায় ইকবাল, তার স্ত্রী ও সহযোগীরা সাংবাদিক ও রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমানের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান। এতে তার হাতের বুড়ো আঙুল কেটে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়, তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

92% · severity 6

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Matiur Rahman (journalist, victim)Iqbal (accused attacker)Iqbal's wife (accused attacker)Associates of Iqbal (accused attackers)Emdadul Haque (President, Rajshahi Model Press Club)Monirul Islam (OC, Chandrima Thana)

Tags

ExtortionRobbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 09/05/26open original ↗

চুরির মামলা তুলে না নেওয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলা

রাজশাহীতে অটোচুরি সংক্রান্ত মামলা তুলে না নেওয়ায় মতিউর রহমান (৩৫) নামে এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হাতের অঙ্গুল কেটে যাওয়াসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম নিয়ে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে (অর্থো সার্জারি বিভাগ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহত মতিউর রহমান সংবাদ চলমান নামের একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালের প্রতিনিধি ও রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক। তিনি রাজশাহী নগরীর ভদ্রা জামালপুর এলাকার মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে। জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৮ মে) সন্ধ্যায় পূর্ব শত্রুতার জেরে ইকবাল নামের এক ব্যক্তি, তার স্ত্রী ও তাদের সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে মতিউর রহমানের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রক্তাক্ত জখম হন মতিউর। এতে তার হাতের বুড়ো আঙুল কেটে যায়। ঘটনাস্থলে রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অস্ত্রোপচার করে তাকে অর্থো সার্জারি বিভাগের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে স্থানান্তর করেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গভীর ক্ষত রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন আগে সাংবাদিক মতিউর রহমানের একটি অটোরিকশা চুরি হয়। এ ঘটনায় ইকবালের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন তিনি। মামলা তুলে নিতে দীর্ঘদিন ধরে মতিউরকে ভয়ভীতি, হুমকি ও বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু মামলা প্রত্যাহার না করায় ক্ষুব্ধ হয়ে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয় বলে স্থানীয়দের ধারণা। তবে বিষয়টি নিয়ে হামলায় অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি এমদাদুল হক বলেন, একজন সাংবাদিকের ওপর এ ধরনের নৃশংস ও কাপুরুষোচিত হামলা স্বাধীন গণমাধ্যমের ওপর সরাসরি আঘাত। আমরা এই সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইরান আবাবিল হাসান সোহাগ বলেন, মামলা তুলে নিতে চাপ সৃষ্টি করে একজন সাংবাদিককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে জখম করার ঘটনা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কোনো সভ্য সমাজে মেনে নেওয়া যায় না। দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা আজ চরম হুমকির মুখে। মতিউর রহমানের ওপর হামলার ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ ও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছি। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে চন্দ্রিমা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারা সকালে আসবে থানা মামলা করতে। এছাড়া অভিযুক্তদের আটকের জন্য অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। শাহিনুল আশিক/এসএইচএ