রূপগঞ্জে যুবদল ও ছাত্রলীগ সংঘর্ষ গুলি হামলা ভাঙচুর
Why this classification
প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে স্থানীয় যুবদল ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জেরে সংঘর্ষ, গুলি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। উভয় পক্ষই রাজনৈতিক দলের অঙ্গ সংগঠন, তাই এটি রাজনৈতিক সহিংসতা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে।
Killed
0
Injured
3
Summary
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে যুবদল ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষে ফাঁকা গুলি, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩ জন আহত হয়েছেন এবং ১৬টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP, Awami League
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP, Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 28/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
রূপগঞ্জে যুবদল-ছাত্রলীগ সংঘর্ষে ফাঁকা গুলি, ভাঙচুর
রূপগঞ্জে যুবদল-ছাত্রলীগ সংঘর্ষে ফাঁকা গুলি, ভাঙচুর রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২২:৪৩ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে স্থানীয় যুবদল নেতাকর্মীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় চার রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে এক পক্ষের লোকজন অপর পক্ষের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এতে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। গত সোমবার রাত ১০টার দিকে তারাব পৌরসভার বরপা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত ১০টার দিকে তারাব পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আরজু ভূঁইয়ার সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতা রাফিন ভূঁইয়ার রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে বাগ্বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে আরজু ভূঁইয়া ইট দিয়ে রাফিন ভূঁইয়ার মাথায় আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে রাফিন ভূঁইয়া ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। তিনি তারাব পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সদস্য। এর কিছুক্ষণ পর রাফিন ভূঁইয়া লোকজন নিয়ে মুড়াপাড়া এলাকা থেকে দুটি মোটরসাইকেলে বরপা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আসেন। সেখানে চার রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়া হয় বলে স্থানীয়রা জানান। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, এক পর্যায়ে রাফিন ভূঁইয়ার পক্ষের একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় যুবদল নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে আরজু ভূঁইয়ার লোকজন রাফিন ভূঁইয়া ও তাঁর আত্মীয়স্বজনের ১৬টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে বাধা দিতে গেলে রাফিন ভূঁইয়ার পক্ষের ইয়ার হোসেনসহ তিনজন আহত হন। খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী সুপার মেহেদী ইসলামের নেতৃত্বে রূপগঞ্জ থানার এক দল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তাৎক্ষণিক কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় ১২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা তিন-চারজনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
রূপগঞ্জে যুবদল ও ছাত্রলীগ সংঘর্ষ গুলি হামলা ভাঙচুর
রূপগঞ্জে যুবদল ও ছাত্রলীগ সংঘর্ষ গুলি হামলা ভাঙচুর যুগান্তর প্রতিবেদন, নারায়ণগঞ্জ প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জেরে স্থানীয় যুবদল ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পালটাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ফাঁকা গুলি করে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছে। এছাড়া একপক্ষ আরেক পক্ষের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুর করেছে। সোমবার রাতে উপজেলার তারাব পৌরসভার বরপা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩ জন। স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার রাত ১০টার দিকে তারাব পৌরসভা ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আরজু ভূঁইয়ার সঙ্গে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা রাফিন ভূঁইয়ার বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে যুবদল নেতা আরজু ছাত্রলীগ নেতা রাফিনের মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে। রাফিন ক্ষিপ্ত হয়ে চলে যায়। পরে মুড়াপাড়া এলাকা থেকে দুই মোটরসাইকেলে বরপা বাসস্ট্যান্ডে এসে ৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে। এ সময় পুরো এলাকায় আতঙ্কে সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাদের দুপক্ষের লোকজনের মধ্যে ধাওয়া-পালটাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। পরে ছাত্রলীগ নেতা রাফিনের লোকজনের বাইকে আগুন দেয় আরজুর লোকজন এবং তাৎক্ষণিক যুবদল নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে নানা ধরনের স্লোগান দেন। আরজুর লোকজন ক্ষোভে ছাত্রলীগ নেতা ও তার আত্মীয়-স্বজনের ১৬টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর করে। এতে বাধা দিতে এলে ইয়ার হোসেনসহ ৩ জনকে আহত করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলামের নেতৃত্বে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। রূপগঞ্জ থানার ওসি এ এইচ এম সালাউদ্দিন বলেন, যুবদল নেতা আরজু মামলা করেছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
