চট্টগ্রামে আরও দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

Local residents clashed with police in Bakalia on Thursday after a child was raped there. The clash went on for about nine hours, police used tear gas, sound grenades and rubber bullets, and at least 30 people were injured, including two journalists.

Reported by:Dhaka PostJugantorCorroborated · 2 sources
22/05/26•বাকলিয়া

Killed

0

Injured

30

Summary

বৃহস্পতিবার (২১ মে ২০২৬) চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় সাড়ে তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনার পর স্থানীয়দের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়, যা বিকেল ৫টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত চলে। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেট ব্যবহার করে এবং সংঘর্ষে দুই সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

85% · severity 6

Perpetrator side

Locals

Victim side

Law Enforcement

Other actors

স্থানীয় জনতাপুলিশ

Tags

Rape

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 30

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 22/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 23/05/26open original ↗

চট্টগ্রামে আরও দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণের ঘটনার উত্তেজনা না থামতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আরও দুটি ধর্ষণ ও একটি ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ সামনে এসেছে। পুলিশ জানায়, খুলশী আবহাওয়া অফিসসংলগ্ন রেললাইনের পাশের একটি মসজিদসংলগ্ন মক্তবে একটি ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শিক্ষক ওই মক্তবে শিক্ষকতা করতেন এবং এলাকাতেই বসবাস করতেন। ভুক্তভোগী দুই বোনের বয়স আনুমানিক ১০ ও ৬ বছর। তারা ওই শিক্ষকের কাছেই পড়ত। ভুক্তভোগী এক শিশুর খালা বলেন, ওই দুই শিশু মক্তবে পড়তো। শুক্রবার সকালে কেউ মক্তবে যায়নি কিন্তু হুজুর ওদের দুজনকে ডেকে নিয়ে যায়। ভোর ৬টা থেকে সাতটা পর্যন্ত মক্তবে পড়ানো হয়। কিন্তু সাড়ে আটটা পর্যন্ত ওরা বাসায় না আসায় মক্তবে গিয়ে দেখা যায় তারা একটি রুমের ভেতরে আছে। রুমের দরজা বাইরের দিক থেকে বন্ধ। শিশুরা জানায় হুজুর তাদের জন্য নাস্তা আনতে গেছে। এরপর তাদের সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, বাকলিয়ার ঘটনার পর আমাদের মনে সন্দেহ হতে থাকে। আমরা সারাদিন ওর (ভুক্তভোগী শিশু) কাছে কী হয়েছে জানতে চেয়েছি। কিন্তু কিছুতেই ঘটনার বিষয়ে বলেনি। পরে রাতের দিকে শিশুটির কথা থেকে ‘খারাপ স্পর্শের’ বিষয়টি উঠে আসে বলে জানান শিশুটির খালা। খুলশী থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার বিস্তারিত জানার জন্য অভিযুক্ত শিক্ষক ও ভুক্তভোগী দুই শিশুকে থানায় নেওয়া হয়েছে। খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন, “অভিযোগটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।” এর আগে শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে নগরের বায়েজিদ থানার মোহাম্মদ নগর এলাকা থেকে পাঁচ বছরের এক শিশুকন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে মোহাম্মদ হাসান নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে ১০ টাকার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে ঘরে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। পরে শিশুটি পরিবারের সদস্যদের ঘটনাটি জানালে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। বায়েজিদ থানার তদন্ত কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল বলেন, “মামলার ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিশুটির চিকিৎসা ও নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।” একইদিন দুপুর দেড়টার দিকে ডবলমুরিং থানার হাজীপাড়া এলাকায় সাত বছরের এক শিশুকন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে স্থানীয়রা এক যুবককে আটক করে গণপিটুনি দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে উত্তেজিত লোকজন বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা পুলিশ ও অভিযুক্ত অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিল। পরে বিচারের আশ্বাস দিলে পুলিশ অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তবে অভিযুক্তের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি। এর আগে বৃহস্পতিবার বাকলিয়া এলাকায় সাড়ে তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিকেল ৫টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত স্থানীয়দের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেট ব্যবহার করে। সংঘর্ষে দুই সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। আরএমএন/এনএফ

Source 2: Jugantor · 24/04/26open original ↗

তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে নারীসহ গ্রেফতার ৪

তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে নারীসহ গ্রেফতার ৪ Advertisement চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রকাশ: ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৬ পিএম ফাইল ছবি চট্টগ্রামে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে নগরীর ইপিজেড থানার ব্যারিস্টার কলেজ এলাকার বিভিন্ন ভাড়া বাসা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন- আপ্রমং মারমা, থুয়াইচিং মারমা, ওথাইইনু মারমা ও ওকরাইজা মারমা। তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী তরুণী একটি গার্মেন্টসে পোশাক শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। পুলিশ জানায়, গত ১০ এপ্রিল ভুক্তভোগী ওই চাকমা তরুণীর বন্ধু অংশুইচিং মারমা চিকিৎসার জন্য ফেনী থেকে চট্টগ্রামে এসে তার বাসায় ওঠেন। এ বিষয়ে একই বাসায় বসবাসকারী ওকরাইজা মারমা এলাকার পরিচিত ওথাইইনু মারমাকে জানালে তিনি আপ্রমং মারমা ও থুয়াইচিং মারমাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকেন। এক পর্যায়ে ১৯ এপ্রিল ভুক্তভোগী তরুণীকে ওকরাইজা মারমার সহায়তায় ব্যারিস্টার কলেজ রোডের সিরাজ বিল্ডিংয়ের পঞ্চম তলায় আপ্রমং মারমার ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়।  এরপর আপ্রমং মারমা, থুয়াইচিং মারমা, ওথাইইনু মারমা ও ওকরাইজা মারমা তরুণীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে আত্মগোপনে চলে যায়। শুক্রবার সকালে বিষয়টি ইপিজেড থানার ওসিকে জানালে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। ইপিজেড থানার ওসি আতিকুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে।