আদালতের বারান্দায় বাদীকে মারধর, ৫ আসামির কারাদণ্ড
Why this classification
This is a single, specific incident in which the accused allegedly beat the plaintiff in a Jessore court building on 16 June 2026, and the court later sentenced five of them. The incident is recent and involves physical violence, and the court verdict is reported only as its aftermath.
Killed
0
Injured
1
Summary
মঙ্গলবার (১৬ জুন ২০২৬) যশোর আদালত ভবনের তৃতীয় তলায় জমিজমা সংক্রান্ত মামলার আসামিরা বাদী মতিয়ার রহমানকে মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর আদালত পাঁচ আসামিকে দুই দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং তিন নারীসহ চারজনকে জরিমানা করে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 16/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
আদালতের বারান্দায় বাদীকে মারধর, ৫ আসামির কারাদণ্ড
যশোর আদালত ভবনের বারান্দায় একটি মামলার বাদীকে মারধরের ঘটনায় একই মামলার পাঁচ আসামিকে দুই দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া তিন নারীসহ চারজনকে ১০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) যশোরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল অভিযোগের তদন্তে সত্যতা পাওয়ার পর এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক এমদাদুল হক। কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- বাঘারপাড়া উপজেলার দক্ষিণ শ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল ওহাব, হাবিবুল্লাহ, আব্দুর রাজ্জাক, আলম মোল্যা ও আজিজ মোল্যা। জরিমানাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন- মশিউর রহমান, বেগম, নুর জাহান ও তাহুরন নেছা। আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দক্ষিণ শ্রীরামপুর গ্রামের মতিয়ার রহমানের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই বছরের ৯ সেপ্টেম্বর মতিয়ার রহমান ১৩ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা করেন। তদন্ত শেষে পিবিআই ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। মঙ্গলবার মামলাটির অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ছিল। এ সময় বাদী মতিয়ার রহমান ও মামলার আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ গঠনের শুনানি চলাকালে আদালত ভবনের তৃতীয় তলার সিঁড়ির সামনে আসামিরা মতিয়ার রহমানকে মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে তিনি বিচারকের কাছে বিষয়টি জানালে উপস্থিত লোকজন নয়জনকে আটক করে আদালতের কাছে সোপর্দ করেন। বিচারক তাৎক্ষণিকভাবে কোর্ট পুলিশ পরিদর্শককে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে সাক্ষীদের বক্তব্য ও প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালত পাঁচজনকে দুই দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তিন নারীসহ চারজনকে ১০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ পরিশোধ করায় মশিউর রহমান ও তিন নারীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বাকি পাঁচজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রেজওয়ান বাপ্পী/এসএইচএ
আদালতে হত্যা মামলার আসামির ওপর ডিম নিক্ষেপ
আদালতে হত্যা মামলার আসামির ওপর ডিম নিক্ষেপ Advertisement যশোর ব্যুরো প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৫:১৮ পিএম আদালতে হত্যা মামলার আসামির ওপর ডিম নিক্ষেপ গৃহবধূ ছামিনা হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী সুজনের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আদালত চত্বরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে যশোর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি পালিত হয়। হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে অভিযুক্ত সুজনকে আদালতে হাজির করা হলে ক্ষুব্ধ স্বজন ও স্থানীয়রা আদালত চত্বরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় তারা ‘খুনি সুজনের ফাঁসি চাই’, ‘ছামিনা হত্যার বিচার চাই’... স্লোগান দেন। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধদের মধ্য থেকে অভিযুক্ত সুজনকে লক্ষ্য করে ডিম ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মানববন্ধনে নিহত ছামিনার বাবা-মা বলেন, আমাদের মেয়েকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, দ্রুতবিচার এবং অভিযুক্ত সুজনের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি। তারা দ্রুতবিচার আইনের আওতায় মামলাটি নিষ্পত্তির আহ্বান জানান। মানববন্ধন চলাকালে স্থানীয়রা জানান, একজন নারীকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। এমন ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে অপরাধ প্রবণতা আরও বাড়বে। তাই অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই তানিম হোসেন জানান, ঘটনার পর অভিযুক্ত সুজন আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, গত সোমবার (৮ জুন) ভোরে যশোরের শেখহাটি তমালতলা এলাকায় নেশার টাকা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে সুজনের ছুরিকাঘাতে ছামিনার মৃত্যু হয়।
