নাসিরনগরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত
Why this classification
This incident is classified as political violence because a five-hour clash between two factions of the BNP, including a rebel group, occurred in Goalnagar Union, Nasirnagar, Brahmanbaria. The conflict was reportedly triggered by disputes over election fraud and imprisonment, resulting in 30 injuries. Although the specific perpetrator and victim sides are not recorded, the political affiliation of the involved parties confirms the category. This report is supported by three corroborating sources.
Killed
0
Injured
30
Summary
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাল ভোট ও কারাদণ্ডের জেরে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে ৫ ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। ২০২৬ সালের ১৭ মার্চ গোয়ালনগর ইউনিয়নে এই পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
89% · severity 5
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 30
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 17/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
নাসিরনগরে পুকুরের জমি নিয়ে সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ৫৫
নাসিরনগরে পুকুরের জমি নিয়ে সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ৫৫ ছবি: সমকাল নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৩:৩৩ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পুকুরের জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে নাজিমুদ্দিন (২৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৫৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের পর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের বুড়িশ্বর বাজারের পাশে নাসিরনগর-সরাইল-লাখাই আঞ্চলিক মহাসড়কে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত নাজিমুদ্দিন বুড়িশ্বর গ্রামের আব্দুল আওয়ালের ছেলে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, বুড়িশ্বর গ্রামের নয়াবাড়ির ফজলু হক এবং ডায়লা বাড়ির আব্দুল আওয়ালের মধ্যে একটি পুকুরের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত মাসে আব্দুল আওয়ালের পক্ষ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আদালতে একটি মামলাও করা হয়। গতকাল সকালে ফজলু হকের লোকজন দাবি করেন, ওই পুকুরে তাদের স্বত্ব রয়েছে। এর জেরে জুমার নামাজের পর পুকুরপাড়ে যান ফজলু হকের লোকজন। এ সময় আব্দুল আওয়ালের লোকজনও পুকুরপাড়ে যান। দুই পক্ষই জড়ো হলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে মাথায় টেঁটাবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন নাজিমুদ্দিন। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৫৫ জন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে ২৮ জনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন—রহিছ মিয়া, তাউস মিয়া, কালন মিয়া, আমিন মিয়া, কাদির মোল্লা, আব্দুল আওয়াল, শাহেদ মিয়া, ইলিয়াস মিয়া, মহিউদ্দিন, লাউস মিয়া, জরিনা বেগম, হালিমা খাতুন, কালন মিয়া, শামীম মিয়া, আক্কাস মিয়া, ধলাই মিয়া, রেদুয়ান মিয়া, লিটন মিয়া, খালেক মিয়া, আব্দুল আজিম, মো. শেখর, ডালিম মিয়া, জামাল মিয়া, মোশারফ মিয়া, সায়েদুর মিয়া, ফরিদ মিয়া, শহিদ মিয়া ও মিন্টু মিয়া। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বুড়িশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রুহুল আমিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আজ সকালে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে একজন নিহত ও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। নাসিরনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। একজন নিহত হওয়ায় পরিবেশ থমথমে। আমরা বিশৃঙ্খলা এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় আছি। পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। - বিষয় : - সংঘর্ষ - ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে আহত ২০
সারাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে আহত ২০জেলা প্রতিনিধিব্রাহ্মণবাড়িয়া১৭ মার্চ ২০২৬, ২২:১৭অ+অ-ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পূর্ববিরোধের জেরে বিবাদমান দুই গোষ্ঠীর লোকজনদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। বিজ্ঞাপন মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকেলে উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নের গোয়ালনগর গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম জানা যায়নি। তারা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের দিন গোয়ালনগর উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম করার অভিযোগে বিএনপির সমর্থক গোয়ালনগর গ্রামের রহিম তালুকদার গোষ্ঠীর সমর্থক জিয়াউর রহমানকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেন। এ ঘটনায় জিয়াউর রহমান একই গ্রামের কাসেম মিয়ার গোষ্ঠীর শিশু মিয়াকে দায়ী করে প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে উঠেন। এছাড়াও, গত এক সপ্তাহ আগে জিয়াউর গোয়ালনগর গ্রামে শিশু মিয়াকে তার মোটরসাইকেলসহ আটক করে মারধর করে মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নেন। এ নিয়েও দুই গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। এর জেরে মঙ্গলবার বিকেলে উভয় গোষ্ঠীর লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন।বিজ্ঞাপন নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় কোনো পক্ষই মামলা দায়ের করেনি। তবে পরবর্তী সংঘর্ষের আশঙ্কা থেকে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। জুয়েল রহমান/এসএইচএ
কসবায় বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ৪
কসবায় বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ৪ Advertisement কসবা (ব্রাক্ষণবাড়িয়া) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কসবায় বিএনপির দুপক্ষের পালটাপালটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের জারি করা ১৪৪ ধারা শেষ হওয়ার পর সংঘর্ষে জড়িয়েছে। উপজেলার কুটি বাজারে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। দুপক্ষের এ মারামারিতে সবুজ, সৌরভ, আব্দুল কালাম, রামিম খান টিটু নামে চারজন আহত হয়েছেন। কসবা-আখাউড়া আসনের সংসদ-সদস্য মুশফিকুর রহমানের সমর্থকরা এবং কুটি ইউনিয়ন বিএনপির নবনির্বাচিত সভাপতি মাহবুবুল ইসলাম শাহীনের সমর্থকরা একই স্থানে, একই সময়ে পালটাপালটি সংবর্ধনা ও আনন্দ মিছিলের ডাক দেন। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছামিউল ইসলাম বৃহস্পতিবার বেলা ২টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত কুটি বাজার এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেন। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে উভয়পক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কুটি বাজারে সংঘর্ষে জড়ায়।
নির্বাচনে জালভোট-কারাদণ্ড নাসিরনগরে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে পাঁচ ঘণ্টা পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ, আহত ৩০
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সংসদ নির্বাচনে জাল ভোট ও কারাদণ্ডের জের ধরে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নেছবি : প্রথম আলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সংসদ নির্বাচনে জাল ভোট ও কারাদণ্ডের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোয়ালনগর ইউনিয়নে বিএনপির সমর্থক রহিম তালুকদারের লোকজন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে জয়ী বিএনপির প্রার্থী এম এ হান্নানের পক্ষের লোক। একই ইউনিয়নের কাশেম মিয়া ও তাঁর লোকজন ওই আসনে দলের ‘বিদ্রোহী প্রার্থী কে এম কামরুজ্জামান মামুনের অনুসারী। ভোটের দিন সকালে গোয়ালনগর উচ্চবিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার প্ররোচনার অভিযোগে এম এ হান্নানের পক্ষের সমর্থক জিয়া মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেন। তিন দিন আগে জিয়া মিয়া কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে এলাকায় ফেরেন। তাঁর সন্দেহ ছিল, স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে এম কামরুজ্জামান মামুনের পক্ষের সমর্থক শিশু মিয়া সেনাবাহিনীর কাছে তথ্য দিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তারে সহযোগিতা করেছিলেন। এই সন্দেহ থেকে গতকাল সোমবার বিকেলে শিশু মিয়াকে মারধর এবং তাঁর মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এরপর আজ সকাল থেকে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। দুপুর আড়াইটার দিকে কাশেম মিয়া পক্ষের লোকজন গোয়ালনগর স্কুলপাড়া জামে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজন জড়ো করেন। কাশেমের পক্ষের লোকজন একইভাবে ইউনিয়নের লালুয়ারটুক জামে মসজিদ থেকেও সংঘর্ষে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। পরে লালুয়ারটুক এলাকার একটি ইটভাটা থেকে ট্রাকে করে ইটের খোয়া এনে হামলায় ব্যবহার করা হয়। একপর্যায়ে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। খবর পেয়ে নাসিরনগর থানা ও চাতলপাড় ফাঁড়ির পুলিশের সদস্যরা গিয়ে সন্ধ্যায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিরা নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে রহিম তালুকদার ও কাশেম মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাঁরা মুঠোফোন ধরেননি। গোয়ালনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজহারুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘দুই পক্ষের মধ্যে আগে থেকে বিরোধ ছিল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাল ভোট দেওয়া নিয়ে সন্দেহ ও ভুল–বোঝাবুঝি থেকেই রহিম তালুকদার ও কাশেম মিয়ার পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সংঘর্ষের সময় আমি এলাকায় ছিলাম না। মসজিদের মাইকের ঘোষণার বিষয়টি আমি শুনিনি।’ নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, রহিম তালুকদার ও কাসেম মিয়ার পক্ষের মধ্যে আগে থেকে বিরোধ চলে আসছিল। পূর্ববিরোধে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিক ছোটখাটো ভুল–বোঝাবুঝির ঘটনা ঘটেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই পক্ষ দুই দিকে অবস্থান করেছিল। পূর্ববিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজন জড়ো করা হয়েছে প্রসঙ্গে ওসি বলেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। মানুষ বাড়িয়ে বলছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন ব্রাহ্মণবাড়িয়াবিএনপিত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসংঘর্ষচট্টগ্রাম বিভাগ
