১০ লাখ চাঁদা না দেওয়ায় ঠিকাদারকে মারধরের অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে
Why this classification
A Chhatra Dal leader and his associates allegedly beat a contractor on 24 April 2026 after he refused to pay a 10 lakh taka extortion demand, leaving him injured and hospitalised. The accused denies the extortion and says the beating followed a political argument, but the physical assault and injury are reported, so the event qualifies as violence.
Killed
0
Injured
1
Summary
বরগুনার আমতলীতে ২০২৬ সালের ২৪ এপ্রিল (শুক্রবার) রাত ৯টার দিকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় ঠিকাদার মো. শহীদুল ইসলাম খানকে ছাত্রদল নেতা ইমরান খানের নেতৃত্বে কয়েকজন মারধর করে, যাতে তিনি জখম হয়ে শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। অভিযুক্ত ইমরান খান অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, ঠিকাদার আওয়ামী লীগের লোক হয়ে বিএনপি নিয়ে কটূক্তি করায় মারধর হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 24/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
১০ লাখ চাঁদা না দেওয়ায় ঠিকাদারকে মারধরের অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে
১০ লাখ চাঁদা না দেওয়ায় ঠিকাদারকে মারধরের অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে Advertisement আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৫ পিএম আহত ঠিকাদার মো. শহীদুল ইসলাম খান। ছবি: যুগান্তর ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় আমতলী উপজেলার এক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ঠিকাদারকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ঠিকাদার মো. শহীদুল ইসলাম খান বর্তমানে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অভিযুক্ত মো. ইমরান খান আমতলী উপজেলা ছাত্রদল সদস্য সচিব। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত জানুয়ারি মাসে আমতলী উপজেলার প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার শহীদুল ইসলাম খানের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন ছাত্রদল নেতা ইমরান খান। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে নানাভাবে হয়রানি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। শুক্রবার ( ২৪ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে আমতলী একে স্কুল চৌরাস্তায় একটি দোকানে বসে চা পান করছিলেন শহীদুল ইসলাম। এ সময় ইমরানের নেতৃত্বে কয়েকজন সেখানে গিয়ে পুনরায় তার কাছে চাঁদা দাবি করেন। তিনি আবারও অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর করা হয়। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শহীদুল ইসলাম বলেন, গত জানুয়ারিতে ইমরান আমার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষুব্ধ হয়ে আমাকে এবং আমার স্ত্রী-পুত্রকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। পুনরায় সে চাঁদা দাবি করলে অস্বীকৃতি জানাই। পরে তারা আমাকে পিটিয়ে জখম করে। এ ঘটনায় ইমরান ও তার কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের শাস্তি দাবি করছি। অভিযোগ অস্বীকার করে ইমরান বলেন, শহীদুল ইসলাম আওয়ামী লীগের লোক হয়ে বিএনপিকে নিয়ে কটূক্তি করছিলেন। এ সময় সাকিব নামের এক ছাত্রদলকর্মী প্রতিবাদ করেন। এতে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে শহীদুল ইসলামকে মারধর করেন। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে সবাইকে শান্ত করেছি। এখানে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। বরগুনা জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. সানাউল্লাহ সানি বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. রেদওয়ান ইসলাম শুভ জানান, আহত শহীদুল ইসলামকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আমতলী থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। সহকারী পুলিশ সুপার (আমতলী-তালতলী সার্কেল) মো. তারিকুল ইসলাম মাছুম বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
