ছেলের পর বাবাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা, ব্যর্থ হয়ে গুলি
Why this classification
A gang led by Jahid attacked an elderly man at his home in Fatullah, Narayanganj, on Tuesday evening, 7 July 2026, cutting him with a machete and firing shots. The attack was a retaliation for not withdrawing a murder case, and the victim is in critical condition, so this is a real, recent act of physical violence.
Killed
0
Injured
1
Summary
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ৭ জুলাই ২০২৬ (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় মামলা প্রত্যাহার না করায় জাহিদ ও তার বাহিনী বোরকা ও মুখোশ পরে বাসায় ঢুকে বৃদ্ধ ওমর খৈয়ামকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে এবং গুলি ছুড়ে পালায়। আহত ওমর খৈয়ামের অবস্থা আশঙ্কাজনক, তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Jahid's gang
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 07/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ছেলের পর বাবাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা, ব্যর্থ হয়ে গুলি
ছেলের পর বাবাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা, ব্যর্থ হয়ে গুলি Advertisement ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ইমন হত্যা মামলা প্রত্যাহার না করায় বৃদ্ধ বাবাকে কুপিয়ে হত্যায় ব্যর্থ হয়ে গুলি ছুড়ে পালিয়েছে জাহিদ ও তার বাহিনীর সন্ত্রাসীরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ফতুল্লার মাসদাইর কাজিবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত ওমর খৈয়ামকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শহরের খানপুর হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হানপাতালে পাঠানো হয়েছে। মাদক মামলায় নারায়ণগঞ্জ কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার দেড় ঘণ্টা পর ২৩ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টায় মাসদাইর গুদারাঘাট এলাকায় ইমনকে কুপিয়ে হত্যা করে জাহিদ ও তার বাহিনীর লোকজন। এ ঘটনায় ইমনের বাবা ওমর খৈয়াম বাদী হয়ে জাহিদ ও তার বাহিনীর ফেরদৌস, ভুট্টা মাসুদ, গিট্টু রিপন, রনি, আদর, আপন, জসীম, সেলিম, পারভেজ, চক্ষু হৃদয়, সাবু, হোটেল মাসুদ, হৃদয়, ফাইটার মনির, শাওন, রবিন, গলা কাটা হৃদয়, রিয়াজ, নূরাসহ অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জনের বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানায় মামলা করেন। ইমনের পরিবারের দাবি এ মামলার পর থেকে জাহিদ ফোন করে ও নানাভাবে লোকজনের মাধ্যমে মামলাটি প্রত্যাহার করার জন্য চাপ দেয়। তার হুমকিতে মামলা প্রত্যাহার না করায় জাহিদ বোরকা পরে তার বাহিনীর ৭-৮ জন মুখে মাক্স পরে বাসায় আসে। এরপর জাহিদ ওমর খৈয়ামকে কোপাতে থাকে। এ সময় পরিবারের লোকজনের চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এলে গুলি ছুড়তে ছুড়তে বাসা থেকে বের হয়ে যায় তারা। এলাকাবাসী জানান, জাহিদ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। সম্প্রতি কয়টি হত্যা করার অভিযোগে সে কিলার জাহিদ নামে পরিচিতি পেয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি মাদক স্পটে অভিযান চালানোয় র্যাবের তিন সদস্যকে কুপিয়ে আহত করে। এর আগে র্যাবকে উদ্দেশ্য করে গুলি ছুড়ে জাহিদ। সেই গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে হয়ে এক নারীর শরীরে বিদ্ধ হয়। এছাড়া মাদক ব্যবসার অভিযোগে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করায় পুলিশের এক এসআইকে ছুরি মেরে ছিনিয়ে নেয় জাহিদ ও তার লোকজন। ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, জাহিদকে গ্রেফতারের জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চলছে। সে বোরকা পরে কৌশলে চলাফেরা করে। এ জন্য তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হচ্ছে না। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
