নারায়ণগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতাকে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ

AI-classifiedconfidence 98%

Why this classification

This incident was classified as political violence in Narayanganj. Parties reported: Islami Andolon Bangladesh, Sheikh Sifat and accomplices. Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 4 sources.

Reported by:Prothom AloAjker PatrikaJugantorDhaka PostCorroborated · 4 sources
20/08/26•সালেহনগর এলাকা, মদনপুর এলাকা

Killed

1

Injured

0

Summary

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইসলামী যুব আন্দোলনের স্থানীয় নেতা মুজাহিদুল ইসলাম ওরফে বুলবুলকে ২০২৬ সালের ২০ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাতে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যার প্রতিবাদে ২১ আগস্ট শুক্রবার সকালে ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন এবং অভিযুক্তের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

98% · severity 8

Parties involved

Islami Andolon BangladeshSheikh Sifat and accomplices

Tags

Political AssassinationRally ViolenceArson

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 20/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (4 sources)

Source 1: Ajker Patrika · 21/08/26open original ↗

ইসলামী যুব আন্দোলন নেতা খুন: বিচার দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে রিকশা গ্যারেজ মালিক ও ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা জাহিদ হাসান বুলবুল হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে বন্দরের মদনপুর এলাকায় মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন তাঁরা। এ সময় বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে দেন। এতে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।বিক্ষোভকারীরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবাইকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে মহাসড়ক থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে তাঁরা অবরোধ তুলে নেন। এর আগে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বন্দরের সালেহনগর এলাকায় জাহিদ হাসান বুলবুল (৪৫) নামে এক রিকশা গ্যারেজ মালিককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত বুলবুল সালেহনগর শাহী মসজিদ এলাকার রাজা মাস্টারের ছেলে। তিনি ইসলামী যুব আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।পরিবারের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর স্থানীয় সিফাত বাহিনী বুলবুলের রিকশা গ্যারেজে লুটপাট চালায়। এ ঘটনায় বুলবুল বন্দর থানায় সিফাতকে প্রধান আসামি করে মামলা করেন। এরপর মামলা তুলে নিতে বিভিন্ন সময় তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে পরিবারের দাবি। বৃহস্পতিবার রাতে সালেহনগর এলাকায় বুলবুলকে পেয়ে সিফাত ও তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকজন আবারও মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বুলবুলকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।এদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সিফাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল হোসেন বলেন, প্রধান অভিযুক্ত সিফাতকে রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

Source 2: Dhaka Post · 21/08/26open original ↗

জনপ্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার আহ্বান চরমোনাই পীরের

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, জনগণের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হবে। জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া না হলে সরকারের প্রতি মানুষের সহযোগিতা থাকবে না। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর চীন-মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, আমরা শরীয়াহ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কাজ করছি। দীর্ঘদিনের পথচলায় আমাদের কেউ কেউ হতাশা ব্যক্ত করেন- কেন এখনো আমরা সফল হইনি? তাদের বলবো, ‘মেঘ দেখে তোরা করিসনে ভয়, আড়ালে তাহার সূর্য হাসে।’ তিনি বলেন, মহান আল্লাহ বলেছেন, মুমিনদের ভয় ও চিন্তার কারণ নেই, তারাই বিজয়ী হবে। তাই ধৈর্যের সঙ্গে আল্লাহর রহমতকে পুঁজি করে কাজ করে যেতে হবে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও দেশে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে লাখো মানুষ জীবন দিয়েছেন। কিন্তু যারা বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতায় ছিলেন, তারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছেন। নারায়ণগঞ্জে ইসলামী আন্দোলনের যুব সংগঠনের এক নেতাকে হত্যার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, গতকাল রাতে নারায়ণগঞ্জে আমাদের যুব আন্দোলনের একটি তরতাজা প্রাণকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর নিন্দা জানাই। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তার করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালে যেভাবে গুলি করে এ দেশের মেধাবীদের হত্যা করা হয়েছিল, সেই শব্দ এখনো মানুষের কানে ধ্বনিত হচ্ছে। যারা এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি করবে, তাদের পরিণতিও পতিত স্বৈরাচারের মতো হবে। পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিসহ যারা বিভিন্ন সময়ে দেশ পরিচালনা করেছে, তাদের নীতি-আদর্শের মাধ্যমে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। মায়েদের সন্তানহারা কান্না বন্ধ হয়নি, দেশের টাকা বিদেশে পাচার বন্ধ হয়নি এবং বছরের পর বছর মানুষকে নির্বিচারে জেলে আটকে রাখার ঘটনাও বন্ধ হয়নি। অতএব এসব নীতি-আদর্শ মানুষকে শান্তি দিতে পারে না। একমাত্র ইসলামই মানুষকে দুনিয়া ও আখিরাতে শান্তির পথ দেখাতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, চব্বিশে হাজার হাজার জীবনের বিনিময়ে যে স্বৈরাচারের পতন ঘটানো হয়েছে, তা এখন ফিকে মনে হচ্ছে। জনপ্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করুন। জনগণের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণে যথাযথ পদক্ষেপ নিন। নয়তো জনগণের সহযোগিতা পাবেন না। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি অধ্যক্ষ শেখ ফজলে বারী মাসউদ। সঞ্চালনা করেন নগর সেক্রেটারি প্রকৌশলী মুরাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের উপদেষ্টা ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা ড. এ এফ এম খালিদ হোসেন, মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব প্রকৌশলী আশরাফুল আলম ও মাওলানা নেছার উদ্দীন, সহকারী মহাসচিব আহমাদ আবদুল কাইয়ুম, কে এম আতিকুর রহমান, শেখ ফজলুল করীম মারুফ, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, মুফতি রেজাউল করীম আবরার, অধ্যাপক ড. সরোয়ার হোসেন, বিচারপতি খাদেমুল ইসলাম চৌধুরী ও ড. ঈসা সাহেদীসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। সম্মেলন শেষে ২০২৭-২৮ সেশনের জন্য প্রকৌশলী আতিকুর রহমান মুজাহিদকে সভাপতি ও নূরুল ইসলাম নাঈমকে সেক্রেটারি করে ঢাকা মহানগর উত্তর ইসলামী আন্দোলনের নতুন কমিটি ঘোষণা করেন পীর সাহেব চরমোনাই। জেইউ/আরএফ

Source 3: Jugantor · 25/08/26open original ↗

দেশ পরিচালনায় বিএনপি সরকার ব্যর্থ হয়েছে: ফয়জুল করিম

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির ফয়জুল করিম বলেছেন, দেশ পরিচালনায় বিএনপি সরকার ব্যর্থ হয়েছে। ছয়মাসে রাষ্ট্র পরিচালনায় বিএনপি ভালো কিছু দেখাতে পারেনি। বার বার গ্যাস বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করেছে। মানুষের জীবনযাত্রায় ব্যয় বাড়ার কারণে মানুষ স্বস্তিতে নেই। মঙ্গলবার বিকালে নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইসলামী যুব আন্দোলনের বন্দর থানা দক্ষিণের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিহত জাহিদ আল আমিন বুলবুলের পরিবারকে শান্ত্বনা দিতে এসে তিনি এসব কথা বলেন। ফয়জুল করিম বলেন, বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। বন্দরের চিহ্নিত সন্ত্রাসী শেখ সিফাতের বিরুদ্ধে বার বার অভিযোগ দেওয়ার পরও পুলিশ তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থ হয়েছে। আমি মনে করি প্রশাসনের ব্যর্থতার কারণেই আমার ভাই জহিদ আল আমিন বুলবুলকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি বলেন, খুনিদের যদি বিচার হতো তবে দেশে একশ’ ভাগের একভাগ খুন হতো না। বিচার হয় না বলেই দেশে অপরাধ বাড়ছে।

Source 4: Prothom Alo · 21/08/26open original ↗

নারায়ণগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতাকে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে মুজাহিদুল ইসলাম বুলবুল হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা–কর্মী ও এলাকাবাসী। আজ শুক্রবার মদনপুর এলাকায়ছবি: প্রথম আলো নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইসলামী যুব আন্দোলনের স্থানীয় নেতা মুজাহিদুল ইসলাম ওরফে বুলবুলকে (৪৫) কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে সালেহনগর এলাকায় তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনায় জড়িত একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মুজাহিদুল হত্যার প্রতিবাদে আজ শুক্রবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মদনপুর এলাকায় অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা। প্রায় আধা ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ থাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে শেখ সিফাত নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত মুজাহিদুল বন্দরের শাহী মসজিদ ঠাকুরবাড়ী এলাকার মৃত রাজা মাস্টারের ছেলে। তিনি ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ, বন্দর থানা শাখার আইন ও মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় করা মামলার বাদী ছিলেন। নিহত ব্যক্তির স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন মুজাহিদুল ইসলাম আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে তাঁর মালিকানাধীন রিকশার গ্যারেজে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। স্বজনেরা জানান, গ্যারেজ থেকে ১৮টি রিকশা লুট করা হয়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মুজাহিদুলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রাস্তায় ফেলে রেখে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন বুলবুলকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২০ আগস্ট মুজাহিদুল বাদী হয়ে শেখ সিফাতসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় মামলা করেন। শেখ সিফাত ওই মামলার এজাহারভুক্ত ৬ নম্বর আসামি। স্বজনদের অভিযোগ, মামলা করার পর থেকেই সেটি তুলে নিতে মুজাহিদুলকে চাপ দেওয়া হচ্ছিল। তাঁকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়। গতকাল রাত ১০টার দিকে সালেহনগর এলাকায় মুজাহিদুলকে একা পেয়ে কয়েকজন তাঁকে ঘিরে ধরেন। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মুজাহিদুলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রাস্তায় ফেলে রেখে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন বুলবুলকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মুজাহিদুলকে হত্যার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বন্দরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রাতে স্থানীয় লোকজন ও ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা সড়কে নেমে বিক্ষোভ করেন। তাঁরা টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত শেখ সিফাত ও তাঁর স্বজনদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত শেখ সিফাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। তারেক আল মেহেদী , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজ সকালে হত্যার প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মী ও স্থানীয় লোকজন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁরা মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেন। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং উভয় পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিলে প্রায় আধা ঘণ্টা পর যান চলাচল শুরু হয় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী প্রথম আলোকে বলেন, মুজাহিদুল ইসলাম হত্যার ঘটনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক আধা ঘণ্টা অবরোধ করে রাখা হয়েছিল। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখন মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত শেখ সিফাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতিও চলছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন ঢাকা বিভাগনারায়ণগঞ্জমামলাহত্যা