কালো জাদু করার অভিযোগ তুলে তিন নারীকে প্রকাশ্যে জুতার মালা পরিয়ে হেনস্তা

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

The article describes a specific incident on Monday, 5 October 2026, in which three women were paraded with shoe garlands, beaten, and forced to sign blank stamp papers. This is a concrete physical attack by local residents and associates of the accused, so it qualifies as violence.

Reported by:Prothom AloSamakalCorroborated · 2 sources
05/10/26•গুরুদাসপুর পৌরসভার একটি এলাকা

Killed

0

Injured

0

Summary

নাটোরের গুরুদাসপুরে কালো জাদুর অভিযোগ তুলে সোমবার (৫ অক্টোবর ২০২৬) সন্ধ্যায় তিন নারীকে গলায় জুতার মালা পরিয়ে পৌর এলাকার সড়কে ঘোরানো হয়, মারধর করা হয় এবং ফাঁকা স্ট্যাম্পে জোর করে সই নেওয়া হয়। ইয়ারুল সরদার ও তাঁর ভাই যুবদলকর্মী জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে এই ঘটনা ঘটে এবং এর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

AI analysis

Category

Mob Justice / Lynchings

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

LocalsBNP

Victim side

Locals

Other actors

ইয়ারুল সরদারজিয়াউর রহমান (যুবদলকর্মী)ছাবলুস্থানীয় এলাকাবাসীগুরুদাসপুর থানার ওসি আব্দুল হান্নান

Tags

Vigilante Justice

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals, BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 05/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 10/06/26open original ↗

মাকে হত্যার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে, গ্রেপ্তার ২

মাকে হত্যার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে, গ্রেপ্তার ২ গ্রেপ্তার জনাব আলী ও তার ছেলে আল আমিন সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬ | ১৭:৩২ | আপডেট: ১০ জুন ২০২৬ | ১৯:০৮ নাটোরের সিংড়ায় বাড়ির সীমানায় টয়লেটের গর্ত করা নিয়ে দুই ছেলের বিরোধের জেরে মা মারিয়া বেগম ওরফে শরিফাকে (৮০) হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলে জনাব আলীর (৫৫) বিরুদ্ধে। হত্যার পর মরদেহ গোপন করতে বাড়ির পাশে টয়লেটের গর্তে ফেলে স্ল্যাব দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। পরে দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করলে মরদেহ বস্তাবন্দি করে পাশের ডোবায় ফেলা হয়। এ ঘটনায় জনাব আলী ও তার ছেলে আল আমিনকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে সিংড়া থানা চত্বরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল হক এসব তথ্য জানান। এ সময় সিংড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূর মোহাম্মদ আলী, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ জানায়, গত ২৩ মে উপজেলার শেরকোল ইউনিয়নের আগপাড়া শেরকোল গ্রামে বাড়ির সীমানায় টয়লেটের গর্ত খনন নিয়ে বড় ছেলে শহিদুল ইসলাম ও মেজ ছেলে জনাব আলীর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ সময় মা মারিয়া বেগম বড় ছেলে শহিদুল ইসলামের পক্ষ নিলে ক্ষুব্ধ হন জনাব আলী। এর জেরে ২৫ মে রাত ৯টার দিকে তিনি মাকে গলা টিপে হত্যা করেন। হত্যার পর মরদেহ টয়লেটের গর্তে লুকিয়ে রাখা হয়। প্রায় ১০ দিন পর দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করলে ৪ জুন গভীর রাতে জনাব আলী ও তার ছেলে আল আমিন মরদেহ বস্তাবন্দি করে বাড়ির পাশের কচুরিপানায় ভরা ডোবায় ফেলে দেন। মাকে খুঁজে না পেয়ে নিহতের মেয়ে মর্জিনা বেগম ৬ জুন সিংড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে পুলিশ ও স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। নিখোঁজের ১৫ দিন পর, ৯ জুন বিকেলে বাড়ির পাশের ডোবা থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, তদন্তের অংশ হিসেবে নিহতের চার ছেলে ও স্বজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এক পর্যায়ে জনাব আলী হত্যার ঘটনা স্বীকার করেন এবং পুরো ঘটনার রহস্য উদঘাটিত হয়। সিংড়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, নিহতের মেয়ে মর্জিনা বেগম বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় জনাব আলী ও তার ছেলে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।

Source 2: Prothom Alo · 06/10/26open original ↗

কালো জাদু করার অভিযোগ তুলে তিন নারীকে প্রকাশ্যে জুতার মালা পরিয়ে হেনস্তা

নাটোরের গুরুদাসপুরে কালো জাদু করার অভিযোগ তুলে তিন নারীকে গলায় জুতার মালা পরিয়ে প্রকাশ্যে গ্রামের রাস্তায় ঘোরানো হয়। নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় কালো জাদু করার অভিযোগ তুলে তিন নারীকে গলায় জুতার মালা পরিয়ে প্রকাশ্যে গ্রামের রাস্তায় ঘোরানোর ঘটনা ঘটেছে। পরে তাঁদের একটি কক্ষে আটকে রেখে ফাঁকা স্ট্যাম্পে সই নেওয়া হয়। এ সময় তাঁদের মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় গুরুদাসপুর পৌরসভার একটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ইয়ারুল সরদার ও তাঁর ভাই যুবদলকর্মী জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ওই নারীদের প্রকাশ্যে হেনস্তা করা হয়। ইতিমধ্যে তিন নারীকে হেনস্তার দুটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগী নারীরা অভিযোগ করেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কালো জাদু করার মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়। প্রতিবাদ করার মতো কেউ না থাকায় জুতার মালা পরিয়ে গ্রামে ঘোরানো হয়। জোর করে ফাঁকা স্ট্যাম্পে সইও নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার বিচার চান তাঁরা। ফেসবুকে ছড়ানো দেড় মিনিটের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তিন নারীর গলায় জুতার মালা পরিয়ে পৌরসভার একটি পাকা সড়কে হাঁটানো হচ্ছে। পেছনে উৎসুক মানুষের ভিড়। এ সময় অনেককে হইহুল্লোড় করতে দেখা যায়। আরেকটি ভিডিওতে ভুক্তভোগী নারীদের অভিযুক্ত জিয়াউর রহমানের বাড়ির একটি কক্ষে আটক অবস্থায় দেখা যায়। সেখানে ছাবলু নামের এক ব্যক্তি ক্যামেরার সামনে তাঁদের কাছ থেকে স্ট্যাম্পে সই নিচ্ছেন। পাশে দাঁড়িয়ে মোবাইলে ভিডিও করছেন জিয়াউর রহমান। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অভিযুক্ত ইয়ারুল সরদারের জামাতা রাতুলের সঙ্গে ভুক্তভোগী এক নারীর মেয়ের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। পরে ইয়ারুলের মেয়ে ঐশীর সঙ্গে রাতুলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর ঐশী অসুস্থ হয়ে গেলে ইয়ারুলের পরিবার অভিযোগ তোলে, ভুক্তভোগী নারীর মেয়ের সঙ্গে বিয়ে না হওয়ায় ‘কালো জাদু’ করে তিনি ঐশীকে অসুস্থ করে দিয়েছেন। তান্ত্রিকের মাধ্যমে ইয়ারুলের পরিবার বিষয়টি জেনেছে। এ নিয়ে মাসখানেক আগে থানায় অভিযোগও দেন ইয়ারুল সরদার। প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় সূত্র জানায়, কালো জাদু করার অভিযোগ তুলে তাঁদের শাস্তি দেওয়ার জন্য মধ্যবয়সী দুই নারী ও এক তরুণীকে বাড়ি থেকে তুলে এনে জুতার মালা পরিয়ে সড়কে ঘোরানো হয়। পরে ভবিষ্যতে এমন কাজ করবে না, এমন অঙ্গীকার নেওয়ার জন্য ফাঁকা স্ট্যাম্পে সই নেওয়া হয়। এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে নারীদের ধরে নিয়ে আসে। তিনি ঘটনায় জড়িত নন। ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার জন্য এলাকার মুরব্বিরা স্ট্যাম্পে মুচলেকা নিয়েছেন। তিনি না থাকলে তাঁদের পিটুনি দেওয়া হতো। অভিযুক্ত জিয়াউর রহমান ভুক্তভোগী নারীরা অভিযোগ করেন, জোর করে তাঁদের বাড়ি থেকে তুলে এনে ইয়ারুল সরদার মারধর করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে কালো জাদু করার মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবাদ করার মতো কেউ না থাকায় জুতার মালা পরিয়ে গ্রামে ঘোরানো হয়েছে। জোর করে ফাঁকা স্ট্যাম্পে সই নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চান তাঁরা। জুতার মালা পরিয়ে নারীদের হেনস্তা করার বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি অভিযুক্ত ইয়ারুল সরদার। তিনি দাবি করেন, প্রায় ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন কবিরাজের মাধ্যমে তাঁর মেয়েকে ‘কুফরি কালাম’ ও ‘বাণ’ মেরেছেন ওই নারীরা। এতে তাঁর মেয়ের শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিয়েছে। অভিযুক্ত জিয়াউর রহমান বলেন, এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে ওই নারীদের ধরে নিয়ে আসে। তিনি এ ঘটনায় জড়িত নন। ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার জন্য এলাকার মুরব্বিরা স্ট্যাম্পে মুচলেকা নিয়েছেন। তিনি না থাকলে তাঁদের পিটুনি দেওয়া হতো। গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নান প্রথম আলোকে বলেন, তিনজন নারীকে জুতার মালা পরিয়ে হেনস্তা করার বিষয়ে তিনি কোনো অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন রাজশাহী বিভাগনির্যাতনগুরুদাসপুরনাটোরনারী