জামায়াত কর্মীদের সঙ্গে যুবলীগ-যুবদলের সংঘর্ষ, আহত ১১

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The article describes a physical clash between political party workers resulting in 11 injuries, which meets the criteria for political violence.

Reported by:SamakalJugantorCorroborated · 2 sources
09/08/26•Hatpukuria Union, Chatkhil

Killed

0

Injured

11

Summary

নোয়াখালীর চাটখিলে জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ ও বিএনপির অঙ্গসংগঠনগুলোর মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটে গত রোববার বিকেলে হাটপুকুরিয়া ইউনিয়নে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 5

Perpetrator side

Awami LeagueBNP

Victim side

Jamaat

Other actors

Samir HossainMohiuddin HasanSohagHassan PatwariAbdul Monnaf

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 11

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Awami League, BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Jamaat

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 09/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 11/08/26open original ↗

জামায়াত কর্মীদের সঙ্গে যুবলীগ-যুবদলের সংঘর্ষ, আহত ১১

জামায়াত কর্মীদের সঙ্গে যুবলীগ-যুবদলের সংঘর্ষ, আহত ১১ আহত কয়েকজন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন চাটখিল (নোয়াখালী) সংবাদদাতা প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬ | ১৯:১৫ | আপডেট: ১০ আগস্ট ২০২৬ | ১৯:১৭ নোয়াখালীর চাটখিলে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের সঙ্গে যুবলীগ কর্মীদের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে যুবলীগ কর্মীদের সঙ্গে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদেরও দেখা গেছে। গতকাল রোববার বিকেলে উপজেলার হাটপুকুরিয়া ইউনিয়নে প্রথম দফায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সামির হোসেনকে (২৫) পেটানো হয়। তারা থানায় অভিযোগ দিয়ে ফেরার পথে তাদের ওপর হামলা হয় বলে অভিযোগ করেন। এজন্য জামায়াত নেতারা স্থানীয় যুবলীগ, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন। এ সময় দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১১ জন আহত হন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সামির হোসেনের সঙ্গে যুবলীগের কিছু কর্মীর নানা বিষয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এর জেরে রোববার বিকেল ৫টার দিকে হাটপুকুরিয়া বিদ্যালয়ের সামনে তাঁকে মারধর করা হয়। জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা এর প্রতিবাদ জানালে তাদের সঙ্গে যুবলীগ, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের তর্কাতর্কি হয়। উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মহিউদ্দিন হাসানের অভিযোগ, স্থানীয় যুবলীগ কর্মী মো. সোহাগ ও হাছান পাটোয়ারীর নেতৃত্বে প্রথম দফায় সামিরকে পেটানো হয়। পরে তারা নেতাকর্মীদের নিয়ে থানায় অভিযোগ দিতে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে রাত ৯টার দিকে থানার সামনেই আবারও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে যুবলীগ নেতাকর্মীদের পাশাপাশি যুবদল ও ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মীকেও দেখা গেছে। হামলায় জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের সামির হোসেন, রবিউল হোসেন (৩৪), শাহিন আলম (২৬), মো. সুজন (৩০) ও রিপাত ইসলাম (২৩) আহত হন। তবে যুবলীগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্রের দাবি, জামায়াতের হামলায় তাদের ৬ কর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সোহাগ ও হাছান পাটোয়ারীর নাম জানালেও অন্যদের নাম-ঠিকানা জানা যায়নি। উভয়পক্ষের আহত ব্যক্তিরা চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বেসরকারি কয়েকটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ বিষয়ে যুবদলের কোনো নেতাকর্মীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মিটিংয়ে আছেন। পরে জানাবেন। উপজেলা বিএনপির সদস্য ও হাটপুকুরিয়ার বাসিন্দা তারেক আজিজ শিপনের ভাষ্য, ঘটনার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানান দলের উপজেলা আমির মহিউদ্দিন হাসান। চাটখিল থানার ওসি আবদুল মোন্নাফ বলেন, যুবদল ও বিএনপির পক্ষে দুটি অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল, পরে তারা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেন।

Source 2: Jugantor · 15/05/26open original ↗

চাটখিলে অটোচালককে বিষ প্রয়োগে হত্যা

পাওনা টাকা না পেয়ে ক্ষোভ চাটখিলে অটোচালককে বিষ প্রয়োগে হত্যা Advertisement নোয়াখালী প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ পাওনা টাকা না পেয়ে চাটখিলের ভাওর গ্রামে সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালককে মারধর ও বিষ প্রয়োগে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহত গোলাম কিবরিয়ার ছেলে শাহ জাহান বৃহস্পতিবার থানায় ৫ জনকে আসামি করে মামলা করেছে। শাহজাহান জানান, তার বাবার কাছে একই গ্রামের কামাল হোসেন কিছু টাকা পাওনা ছিল। ওই টাকা আদায় করার জন্য কামাল ও তার ছেলে রিমন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার বাবাকে আটক করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। শাহজাহান আরও জানান, রোববারের মধ্যে পাওনা টাকা দিতে না পারলে কামাল তার বাবাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। তারা বাবাকে ব্যাপক মারধর করে এবং তার মুখে বিষ ঢেলে দেয়। মঙ্গলবার রাতে রক্তাক্ত অবস্থায় গোলাম কিবরিয়াকে নিজ বাড়ির পাশ থেকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। বুধবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।