ঠাকুরগাঁয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে নিয়োগ পরীক্ষার খাতা ছিনতাই
Why this classification
This is a single, specific incident on Friday, 13 March 2026, in which a mob led by a local BNP leader stormed a government office and forcibly seized recruitment exam papers, which counts as a physical attack. The reported details include a sudden assault, forced seizure, and the presence of officials, but no injuries were reported.
Killed
0
Injured
0
Summary
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে শুক্রবার (১৩ মার্চ ২০২৬) বিকালে হরিপুর ইউএনও কার্যালয়ের ভেতরে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দীন ও তাঁর সহযোগীরা মব সৃষ্টি করে মেদনিসাগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের নিয়োগ পরীক্ষার খাতা ও নথিপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা দাবি করেন, প্রতিষ্ঠানটি আওয়ামী লীগ-নিয়ন্ত্রিত এবং তাঁদের কর্মীরা প্রতিবাদ করতে গিয়েছিলেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 13/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
নিয়োগ পরীক্ষার কাগজ ছিনতাইয়ের ঘটনায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার
নিয়োগ পরীক্ষার কাগজ ছিনতাইয়ের ঘটনায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০২৬ | ২১:২৫ ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে একটি কলেজের কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষার কাগজপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় শরীফুল ইসলাম শরীফ নামে যুবদলের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শরীফ উপজেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক। জানা গেছে, হরিপুর উপজেলার মেদিনী সাগর বিএম মহাবিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও আয়ার নিয়োগের জন্য সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তি দেয় কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার ছিল ওই পদ দুটির নিয়োগ পরীক্ষা। পরীক্ষা শেষে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলার সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিন ইউএনওর কার্যালয়ে আসেন। সে সময় নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ করতে বলেন জামাল। তাঁর সঙ্গে ছিলেন উপজেলা বিএনপি নেতা ইরফান আলী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, যুবদলের নেতা মো. ফারুক, মোখলেসুর রহমানসহ ২৫ থেকে ৩০ নেতাকর্মী। তারা ইউএনওর সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে নেতাকর্মীরা নিয়োগের কাগজপত্র ছিনিয়ে নিয়ে কার্যালয় থেকে সরে যান। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে হরিপুর থানায় মামলা করেন মেদিনী সাগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদ। মামলায় বিএনপির ছয় নেতার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আরও ৩৫ থেকে ৪০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। প্রধান আসামি হরিপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিন। এ ছাড়া উপজেলা বিএনপি নেতা ইরফান আলী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, যুবদল নেতা মোকলেসুর রহমান, মো. ফারুক, মাসুদ রানাসহ মোট ছয়জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৩৫ থেকে ৪০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। হরিপুর থানার ওসি আব্দুল হাকিম আজাদ বলেন, নিয়োগ পরীক্ষার খাতা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে শরীফ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। - বিষয় : - নিয়োগ পরীক্ষা - ছিনতাই - গ্রেপ্তার
ঠাকুরগাঁয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে নিয়োগ পরীক্ষার খাতা ছিনতাই
ঠাকুরগাঁয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে নিয়োগ পরীক্ষার খাতা ছিনতাই Advertisement ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৪ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় ‘মব’ সৃষ্টি করে একটি কারিগরি কলেজের নিয়োগ পরীক্ষার সব নথিপত্র ও খাতা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দীন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার বিকালে হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের ভেতরেই এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন হরিপুর মেদনিসাগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের ‘আয়া’ ও ‘পরিচ্ছন্নতা কর্মী’ পদে নিয়োগের জন্য লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় মোট ৮ জন প্রার্থী অংশ নেন। পরীক্ষা শেষে ফলাফল যাচাই ও মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কলেজের অধ্যক্ষ ও নিয়োগ বোর্ডের সদস্যরা ইউএনও রায়হানুল ইসলামের কক্ষে অবস্থান করছিলেন। মেদনিসাগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ অভিযোগ করে বলেন, ‘পরীক্ষা শেষে আমরা ইউএনও স্যারের রুমে বসে নথিপত্র দেখছিলাম। হঠাৎ বিএনপি নেতা জামাল উদ্দীন ও তার লোকজন রুমে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায় এবং আমাদের হাত থেকে নিয়োগসংক্রান্ত সব কাগজপত্র ও খাতা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ইউএনও রায়হানুল ইসলাম বলেন, ‘সুষ্ঠুভাবে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। নিরীক্ষক দল আমার কক্ষে বসে মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এমন সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও তার সহযোগীরা রুমে ঢুকে ‘মব’ (বিশৃঙ্খলা) সৃষ্টি করেন এবং জোরপূর্বক সবার কাছ থেকে পরীক্ষার খাতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা জামাল উদ্দীন বলেন, ‘আমরা কোনো ছিনতাই করিনি। ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি আওয়ামী লীগের লোকজন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং সেখানে আওয়ামী লীগের কর্মীদেরই নিয়োগ দেওয়া হচ্ছিল। আমাদের ছেলেরা এর প্রতিবাদ করতে গেলে ইউএনও তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। মূলত ইউএনও জামায়াতের লোক হওয়ায় আমাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন।’ এদিকে হরিপুর থানার ওসি আব্দুল হাকিম আজাদ বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন।
