প্রাইভেট পড়ানোর নামে একাধিকবার ছাত্রীকে ধর্ষণ

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The article reports a concrete rape incident that occurred in Shyamganj, Satkhira, Bangladesh within the last 14 days, with identified perpetrator and victim, meeting all relevance and recency criteria.

Reported by:JugantorSamakalProthom AloDhaka PostAjker PatrikaCorroborated · 5 sources
13/10/26•ছাত্রীর বাড়ি

Killed

0

Injured

0

Summary

শ্যামনগরে কামিল মাদ্রাসার সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষক নূর আলম গুমানতলী প্রাইভেট টিউশন নেওয়ার নামে ছয় শ্রেণীর মাদ্রাসা ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে এবং অন্তঃসত্ত্বা করে। ঘটনাটির পর এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

95% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

নূর আলম গুমানতলীOC মো. শাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী

Tags

Rape

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 13/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (5 sources)

Source 1: Samakal · 14/10/26open original ↗

গণপিটুনির পর হাসপাতালে ভর্তি, সেখানে ঢুকে দ্বিতীয় দফায় পিটুনিতে যুবক নিহত

গণপিটুনির পর হাসপাতালে ভর্তি, সেখানে ঢুকে দ্বিতীয় দফায় পিটুনিতে যুবক নিহত প্রতীকী ছবি সাতক্ষীরা প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ১৩:৪৩ | আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ১৪:০৮ সাতক্ষীরার দেবহাটায় ধর্ম অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে গণপিটুনিতে ওহিদুজ্জামান শামীম নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এর আগে জনরোষের মুখে বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। পরে হাসপাতালে ঢুকে একদল বিক্ষুব্ধ ব্যক্তি তাঁর ওপর হামলা চালায়। নিহত শামীম দেবহাটা উপজেলার ছোট শান্তা গ্রামের শামসুর রহমানের ছেলে। স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লে দুপুরে উপজেলার সখীপুর এলাকায় শামীমকে মারধর করেন কয়েকজন। একপর্যায়ে তিনি নিজ বাড়িতে বিষপান করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। রাত ৯টার দিকে ‘তৌহিদি জনতা’র ব্যানারে একদল বিক্ষুব্ধ ব্যক্তি হাসপাতালে ঢুকে চিকিৎসাধীন শামীমকে আবারও মারধর করেন। তাঁর অবস্থার অবনতি হলে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। দেবহাটা থানার ওসি এইচএম শাহীন জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শামীমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছিল। পরে হাসপাতালে তাঁর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - সাতক্ষীরা - গণপিটুনি - নিহত - ধর্ম অবমাননা

Source 2: Ajker Patrika · 15/10/26open original ↗

সাতক্ষীরায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা: তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এনসিপির

সাতক্ষীরার দেবহাটায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে ওয়াহিদুজ্জামান শামীমকে দুই দফায় গণপিটুনি দিয়ে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ বৃহস্পতিবার দলের দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, ১৩ অক্টোবর দেবহাটায় শামীমের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগসংবলিত একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করা হলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ পাওয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে রাতে একদল লোক হাসপাতালে প্রবেশ করে চিকিৎসাধীন শামীমের ওপর আবারও হামলা চালায়। এতে তাঁর মৃত্যু হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, প্রথম দফায় পুলিশ শামীমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করার পরও তাঁর জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়নি। হাসপাতাল যদি একজন আহত মানুষের জন্য নিরাপদ আশ্রয় না হয়, তাহলে সাধারণ নাগরিকের নিরাপত্তা কোথায়—এ প্রশ্নের জবাব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দিতে হবে। হাসপাতালে হামলা প্রতিরোধে ব্যর্থতার কারণও তদন্ত করতে হবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ গুরুতর হলে যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ বিচার হতে পারে। কিন্তু অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়ার আগেই কাউকে পিটিয়ে হত্যা করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা প্রতিষ্ঠার নামে আইন ভাঙা, হত্যা সংঘটিত করা কিংবা বিচারব্যবস্থাকে অকার্যকর করে দেওয়ার অধিকার কারও নেই। উপরন্তু এটি পবিত্র ইসলামের ধর্মের মূলগত মর্মবিরোধী কর্মকাণ্ড। সব প্রাণের নিরাপত্তা ও হক আদায় ইসলামের মৌলিক শিক্ষা। ধর্মীয় অনুভূতির সুরক্ষা এবং মানুষের জীবন ও আইনি অধিকার রক্ষা—দুটিই রাষ্ট্রের দায়িত্ব; আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে বিচার করবার অধিকার কারোর নেই। নিহত শামীমের পরিবারের দাবি, তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন এবং তাঁর চিকিৎসা চলছিল। এ বিষয়টি উল্লেখ করে এনসিপি বলেছে, ছড়িয়ে পড়া অডিওর সত্যতা, বক্তব্যের প্রেক্ষাপট এবং শামীমের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কোনো অডিও বা অভিযোগকে হত্যাকাণ্ডের লাইসেন্স হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। অভিযোগ সত্য হোক বা মিথ্যা, কোনো অবস্থাতেই গণপিটুনি দিয়ে হত্যা বৈধ হয়ে যায় না। ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ এনসিপি এ ঘটনায় নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো দাবি করছে: ১. হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার: প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, ভিডিও ফুটেজ এবং অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে প্রথম ও দ্বিতীয় দফার হামলায় অংশগ্রহণকারীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। হামলায় উসকানি, জনতাকে সংগঠিত করা কিংবা সহিংসতা সংঘটনে ভূমিকার অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকের ভূমিকা তদন্ত করতে হবে। ২. হাসপাতালে দ্বিতীয় দফার হামলার জবাবদিহি: চিকিৎসাধীন একজন ব্যক্তির ওপর হামলা ঠেকাতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল, নিরাপত্তাব্যবস্থা কেন ব্যর্থ হলো এবং কারও দায়িত্বে অবহেলা ছিল কি না—তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। দায়িত্বে অবহেলা বা যোগসাজশ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। ৩. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানি ও গুজবের তদন্ত: যে অডিওকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে, তার উৎস, সত্যতা ও প্রেক্ষাপট যাচাই করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বক্তব্য প্রচার, জনতাকে জড়ো করা কিংবা সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগ থাকলে প্রমাণের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে সাম্প্রদায়িক উস্কানি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে সহিংস অপরাধ ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। ৪. পরিবারের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা: নিহতের পরিবারের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীরা যেন ভয়ভীতি বা প্রতিশোধের আশঙ্কা ছাড়াই বক্তব্য দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। পরিবারকে আইনি সহায়তা এবং ন্যায়বিচার পাওয়ার কার্যকর সুযোগ দিতে হবে। জাতীয় নাগরিক পার্টি মনে করে, সাম্প্রদায়িক উসকানি এবং ধর্ম অবমাননার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের অবস্থান হতে হবে দ্ব্যর্থহীন। অপরাধের অভিযোগ উঠলেই হঠাৎ সংগঠিত উত্তেজিত জনতার শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতা ছেড়ে দিলে আইন ও বিচারব্যবস্থার অস্তিত্ব অর্থহীন হয়ে পড়ে।

Source 3: Dhaka Post · 14/10/26open original ↗

সাতক্ষীরায় হাসপাতালে ঢুকে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

সাতক্ষীরায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ওয়াহিদুজ্জামান শামীম (৩৮) নামের এক যুবককে দুই দফায় পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। প্রথম দফায় মারধরের পর পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে রাতে একদল লোক হাসপাতালে ঢুকে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে আবারও মারধর করেন। গুরুতর অবস্থায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দেবহাটা উপজেলার সুবর্ণাবাদ গ্রামে শামীমকে মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শামীম ওই গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শামীমের কয়েকটি অডিও কথোপকথন ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, ওই কথোপকথনে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে এমন মন্তব্য ছিল। এ অভিযোগের জেরে বিকেলে তাকে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শামীমকে উদ্ধার করে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। তবে রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে ২০০ থেকে ২৫০ লোক হাসপাতালে গিয়ে তাকে চিকিৎসা দিতে বাধা দেন। একপর্যায়ে হাসপাতালের পেছনের দরজা ভেঙে ওয়ার্ডে ঢুকে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে মারধর করা হয়। দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীন বলেন, শামীমকে উদ্ধারের পর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। রাতে একদল লোক হাসপাতালে গিয়ে তাকে চিকিৎসা দিতে বাধা দেন। পুলিশ, আনসার সদস্য ও চিকিৎসকেরা তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলেও তারা শোনেননি। একপর্যায়ে তারা পেছনের দরজা ভেঙে ওয়ার্ডে ঢুকে শামীমকে ছিনিয়ে নিয়ে মারধর করেন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রথম দফায় মারধরের পর শামীমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। রাতে একদল লোক ওয়ার্ডের ভেতরে অন্য রোগীদের সামনে তাকে মারধর করেন। পরে টেনেহিঁচড়ে বাইরে নিয়ে আবারও মারধর করা হয়। এতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। তবে শামীমের পরিবারের সদস্যদের দাবি, কয়েক দিন ধরে তিনি অস্বাভাবিক আচরণ করছিলেন। তাদের ভাষ্য, শামীম মানসিকভাবে সুস্থ ছিলেন না। কয়েক দিন আগে বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছিলেন। শামীমকে মারধরের কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। একটি ভিডিওতে তাকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এ সময় তাকে ঘিরে অনেক মানুষকে ভিড় করতে এবং কয়েকজনকে মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করতে দেখা যায়। অন্য একটি ভিডিওতে রাতে দেবহাটা উপজেলা সদরে একদল লোককে মিছিল করে শামীমের শাস্তির দাবিতে স্লোগান দিতে দেখা যায়। মিছিল থেকে তাকে যে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল, সেখানে যাওয়ার আহ্বান জানাতেও শোনা যায়। ঘটনার বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি এইচ এম শাহীন বলেন, অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইব্রাহিম খলিল/এএমকে

Source 4: Jugantor · 13/10/26open original ↗

প্রাইভেট পড়ানোর নামে একাধিকবার ছাত্রীকে ধর্ষণ

প্রাইভেট পড়ানোর নামে একাধিকবার ছাত্রীকে ধর্ষণ শ্যামগরে ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা Advertisement শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ শ্যামনগরে প্রাইভেট পড়ানোর নামে মাদ্রাসা ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। ঘটনা প্রকাশের পর এ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। অভিযুক্ত নূর আলম গুমানতলী কামিল মাদ্রাসার সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষক ও গুমানতলী গ্রামের বাসিন্দা। জানা গেছে, মা প্রবাসী হওয়ায় ওই ছাত্রী তার নানাবাড়ি থেকে পড়াশোনা করে। শিক্ষক নূর আলম ওই ছাত্রীর বাসায় গিয়ে প্রাইভেট পড়াত। এ সুযোগে ওই শিক্ষক ছাত্রীকে একাধিকার ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। এ বিষয়ে শিক্ষক নূর আলমের মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। ওসি মো. শাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী বলেন, ভুক্তভোগী শিশু ছাত্রীর জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

Source 5: Prothom Alo · 14/10/26open original ↗

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ সাতক্ষীরায় যুবককে পিটুনি, হাসপাতাল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে আবার মারধর, পরে মৃত্যু

নিহত ওয়াহিদুজ্জামান শামীমছবি: সংগৃহীত সাতক্ষীরার দেবহাটায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দফায় দফায় পিটুনিতে ওয়াহিদুজ্জামান শামীম (৩৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। প্রথম দফায় পিটুনির পর তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ। রাতে সেখান থেকে তাঁকে ছিনিয়ে নিয়ে দ্বিতীয় দফায় মারধর করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে অন্য হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে শামীমকে মারধরের খবর পেয়ে উদ্ধার করে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় পুলিশ। রাত ৮টা ৪০ মিনিটে একদল লোক হাসপাতালে ঢুকে তাঁকে ছিনিয়ে নিয়ে আবার মারধর করেন। পরে সাতক্ষীরায় নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত শামীম দেবহাটা উপজেলার সুবর্ণাবাদ গ্রামের বাসিন্দা। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে নিহত যুবকের শাস্তির দাবিতে দেবহাটা উপজেলা সদরে একদল মানুষকে মিছিল করতে দেখা যায়। মিছিল থেকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে তাঁরা ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। পরে যুবক যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, উপস্থিত লোকজনকে সেখানে যাওয়ার আহ্বান জানাতেও শোনা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি অডিও কথোপকথনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দা খায়রুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, শামীমের কয়েকটি অডিও কথোপকথন ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। সেসব কথোপকথনে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে—এমন মন্তব্য শোনা যায় বলে তিনি অভিযোগ করেন। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে শামীমের পরিবারের সদস্যরা বলছেন, কয়েক দিন ধরে শামীম অস্বাভাবিক আচরণ করছিলেন। তাঁদের ভাষ্য, শামীম মানসিকভাবে সুস্থ ছিলেন না। কয়েক দিন আগে তিনি বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছিলেন। প্রথম দফায় মারধরের পর শামীমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। রাতে শতাধিক ব্যক্তি হাসপাতালে এসে অন্য রোগীদের সামনে ওয়ার্ডের ভেতরে তাঁকে মারধর করেন। একপর্যায়ে তাঁকে টেনেহিঁচড়ে বাইরে নিয়ে আবার মারধর করা হয়। সাইফুল ইসলাম, চিকিৎসা কর্মকর্তা, দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীন প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল বিকেল সাড়ে চারটার দিকে স্থানীয় লোকজন এক ব্যক্তিকে আটকে রেখে মারধর করছেন—এমন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। পরে তাঁকে উদ্ধার করে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ ছিল, শামীম ধর্ম অবমাননা করেছেন। ওসি আরও বলেন, রাত ৮টা ৪০ মিনিটে দুই থেকে আড়াই শ লোক হাসপাতালে গিয়ে শামীমকে চিকিৎসা দিতে বাধা দেন। পুলিশ, আনসার সদস্য ও চিকিৎসকেরা বাধা দিলেও তাঁরা শোনেননি। একপর্যায়ে পেছনের দরজা ভেঙে ওয়ার্ডে ঢুকে তাঁকে ছিনিয়ে নিয়ে মারধর করা হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আজ বুধবার সকালে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রথম দফায় মারধরের পর শামীমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। রাতে শতাধিক ব্যক্তি হাসপাতালে এসে অন্য রোগীদের সামনে ওয়ার্ডের ভেতরে তাঁকে মারধর করেন। একপর্যায়ে তাঁকে টেনেহিঁচড়ে বাইরে নিয়ে আবার মারধর করা হয়। এতে অবস্থার অবনতি হলে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনার কয়েকটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, শামীম মাটিতে পড়ে আছেন। তাঁকে ঘিরে অনেক মানুষ ভিড় করেছেন। কয়েকজন মুঠোফোনে ভিডিও করছেন। আরেকটি ভিডিওতে রাতে দেবহাটা উপজেলা সদরে একদল মানুষকে মিছিল করে শামীমের শাস্তির দাবিতে স্লোগান দিতে দেখা যায়। মিছিল থেকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। ভিডিওতে লোকজনকে শামীম যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, সেখানে যাওয়ার আহ্বান জানাতেও শোনা যায়। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি এইচ এম শাহীন প্রথম আলোকে বলেন, অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন হামলাখুলনা বিভাগমারধরগণপিটুনিহত্যাসাতক্ষীরাদেবহাটা