মেহেদীর রঙ মোছার আগেই লাশ হলেন নববধূ ঝুমা

AI-classifiedconfidence 70%

Why this classification

A young bride's body was found in her husband's home on 19 March 2026, and her family says her husband tortured and killed her, which police are investigating. The in-laws say it was suicide, but because a death was found and a crime is alleged, it is included as a violent incident, with the cause of death still under investigation.

Reported by:JugantorSingle source
19/03/26•Amin Villa, Karim Bakery Bari, Dakshin Pahartali Ward 1, Amanbazar area (Hathazari)

Killed

1

Injured

0

Summary

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ২০২৬ সালের ১৯ মার্চ স্বামীর বাড়ির শয়নকক্ষ থেকে ১৯ বছর বয়সী নববধূ ঝুমা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, স্বামী নেওয়াজ শরীফ মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে তাঁকে হত্যা করেছেন, যদিও শ্বশুরবাড়ির দাবি আত্মহত্যা; পুলিশ স্বামীকে গ্রেফতার করেছে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

70% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Jhuma Akter (19, victim, newlywed)Nawaz Sharif alias Babu (husband, arrested)Md. Shahalam (victim's father, complainant)Towhidul Alam (victim's elder brother)Shamima Akter Rumi (victim's elder sister)OC Md. Jahidur Rahman, Hathazari Model Police Station

Tags

Domestic ViolenceMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 19/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 22/03/26open original ↗

মেহেদীর রঙ মোছার আগেই লাশ হলেন নববধূ ঝুমা

মেহেদীর রঙ মোছার আগেই লাশ হলেন নববধূ ঝুমা Advertisement হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২২ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৭ পিএম বিয়ের সময় তোলা মোছা. ঝুমা আক্তার ও তার স্বামীর ছবি পারিবারিকভাবে এক মাস ১৯ দিন আগে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে নববধূর সাজে স্বামীর ঘরে পা রেখেছিলেন মোছা. ঝুমা আক্তার (১৯)। হাতের মেহেদির রঙ শুকানোর আগেই স্বামীর বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, ঝুমাকে পরকীয়ার বলি হতে হয়েছে। তার স্বামীর সঙ্গে এক মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পাষণ্ড স্বামীর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনে ঝুমার মৃত্যু হয়েছে। ওই ঘটনায় রোববার (২২ মার্চ) নিহত ঝুমার পিতা মো. শাহাআলম বাদী হয়ে চট্টগ্রামের হাটহাজারী মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন। এর আগে গত ১৯ মার্চ দুপুরে উপজেলার আমান বাজার এলাকার পশ্চিমে চসিক ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডের করিম বেকারী বাড়ির আমিন ভিলার দ্বিতীয় তলার শয়ন কক্ষের বেড থেকে ঝুমার মরদেহ উদ্ধার করে থানা পুলিশ। এ ঘটনায় ঝুমার স্বামী ওই এলাকার আজগর আলীর পুত্র মো. নেওয়াজ শরীফ প্রকাশ বাবু (৩১) থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে। এছাড়া নববধূর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছিল। ঝুমা আক্তার উপজেলার চিকনদণ্ডী ইউনিয়নের কারকনের পাড়া এলাকার চাঁন মিয়া টেন্ডল বাড়ির মো. শাহআলমের কনিষ্ঠ কন্যা। এদিকে ওয়াশরুমের ভেন্টিলেশনের গ্রিলের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে ঝুমার স্বামীর পরিবারের সদস্যরা পুলিশ ও গণমাধ্যমকে জানিয়েছে। তবে ঝুমার পরিবারের দাবি, ঝুমাকে পরকীয়ার বলি হতে হয়েছে। তার স্বামী মো. নেওয়াজ শরীফের সঙ্গে এক মেয়ের পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে। ঝুমার বড় ভাই তৌহিদুল আলম বলেন, আমি প্রবাসে থাকি। প্রবাস থেকে এসে অনেকটা জাঁকজমকপূর্ণভাবে আমার শান্তশিষ্ট ছোট বোন ঝুমা আক্তারের বিয়ে দিয়েছিলাম। বিয়ের এক মাস ১৯ দিন যেতে না যেতেই ছোট বোনকে লাশ হতে হলো। আমার বোন আত্মহত্যা করেনি। তাকে তার স্বামী মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। যদিও তার স্বামীর পরিবারের লোকজন বলছে, ঝুমা আত্মহত্যা করেছে; অথচ পুলিশ তার শয়ন কক্ষের বেড থেকে উদ্ধার করেছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রশাসনের কাছে দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন মৃতের বড় ভাই। অন্যদিকে মৃত নববধূর ঝুমার বড় বোন শামীমা আক্তার রুমি জানান, আমার ছোট বোনের সঙ্গে বিয়ের পর থেকে তার স্বামী নেওয়াজ শরীফ স্বাভাবিক কোনো আচরণ করেনি। এসব বিষয় আমার ছোট বোন আমাকে প্রতিনিয়ত জানাত। আমি তাকে ধৈর্য ধারণ করতে বলতাম, তবে এসব বিষয় আমি আমার পরিবারের অন্য কারো সঙ্গে শেয়ার করিনি। এর মধ্যে গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টায় আমার ছোট বোন আমাকে তার স্বামীর একটা ভয়েস রেকর্ড পাঠায়। ওই কল রেকর্ডটিতে তার (ঝুমা) স্বামী একটা মেয়েকে বলতে শুনা গেছে, আমিতো বলছি, তোমাকে বিয়ে করব; সমস্যা নাই। এরপরও যদি এরকম কর তাহলেতো আর কিছু করার নাই। মানুষ মানুষকে এভাবে অবিশ্বাস করা যায় না। তুমি অনলাইনে আছো; আমি কল দিচ্ছি, অথচ তুমি বলতেছো এমবি নাই। হাটহাজারী মডেল থানার ওসি মো. জাহিদুর রহমান বলেন, নববধূ ঝুমার পিতা বাদী হয়ে তার স্বামীকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন। নববধূর স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।