বানিয়াচংয়ে গ্রামবাসীর দুই পক্ষে সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত অর্ধশত
Why this classification
৮ জুন ২০২৬ তারিখে হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সংঘর্ষ হয়; এতে পুলিশসহ অর্ধশত আহত হয়, তাই এটি সহিংস ঘটনা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
Killed
0
Injured
50
Summary
৮ জুন ২০২৬ দুপুরে হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার বড়ইউড়ি গ্রামে বর্তমান ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে পুলিশসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 50
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Awami League, Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Awami League, Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 08/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
বানিয়াচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব হস্তান্তর নিয়ে সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক
বানিয়াচংয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব হস্তান্তর নিয়ে সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক ছবি: সমকাল বানিয়াচং (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬ | ১৭:৫৯ হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার ৭নং বড়ইউড়ি ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব হস্তান্তরকে কেন্দ্র করে বর্তমান চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কপিল উদ্দিনের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটেছে। এতে অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষ প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলে। এতে আশপাশের কয়েকটি গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। আহতদের নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর কয়েকজনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উচ্চ আদালতের এক আদেশে চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদকে স্বপদে বহাল রাখা হয়। আদালতের রায়ের পর তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করতে গেলে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কপিল উদ্দিনের সমর্থকদের সঙ্গে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, ‘উচ্চ আদালত আমার পক্ষে রায় দিয়েছেন এবং স্বপদে বহাল থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আজ প্রশাসনকে জানিয়ে পরিষদে এসেছিলাম। কিন্তু ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কপিল উদ্দিন আদালতের সেই আদেশ সরাসরি অমান্য করে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে চাইছেন। তিনি এবং তার অনুসারীরা পরিকল্পিতভাবে আমার লোকজনের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়েছে।’ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কপিল উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আদালতের আদেশের একটি আইনি প্রক্রিয়া ও চেইন অব কমান্ড আছে। জেলা বা উপজেলা প্রশাসন থেকে আমাকে অফিশিয়ালি দায়িত্ব হস্তান্তরের কোনো লিখিত নির্দেশনা আজ পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। সরকারি নিয়ম অমান্য করে ফরিদ আহমেদ তার লোকজন নিয়ে জোরপূর্বক ইউনিয়ন পরিষদে ঢুকে ক্ষমতা দখল করতে চান। আমাদের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, অথচ উনার লোকেরাই বহিরাগত সন্ত্রাসী এনে প্রথমে আমাদের ওপর হামলা চালায়।’ বানিয়াচং থানার ওসি শেখ নজমুল হক বলেন, ‘দায়িত্ব হস্তান্তরকে কেন্দ্র করেই সংঘর্ষের সূত্রপাত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল ব্যবহার করতে হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।’
বানিয়াচংয়ে গ্রামবাসীর দুই পক্ষে সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত অর্ধশত
বানিয়াচংয়ে গ্রামবাসীর দুই পক্ষে সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত অর্ধশত Advertisement হবিগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব হস্তান্তর নিয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের লোকদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়েছে। ২ ঘণ্টাব্যপী সংঘর্ষে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ উভয়পক্ষের অর্ধশত লোক আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি শান্ত করে। সোমবার দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত উপজেলার বড়ইউড়ি গ্রামে ২ ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষ চলে। বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজমুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সংঘর্ষে তিনিসহ ৪ পুলিশ আহত হয়েছেন। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে ৩ রাউন্ড কাঁদুনে গ্যাস ও ৪ রাউন্ড সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। হাঙ্গামাকারীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীরা জানায়, ৭নং বড়ইউড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) বর্তমান চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিন আওয়ামী লীগ দলীয় নেতা। ফলে ৫ আগস্টের পর একাধিক মামলায় গ্রেফতার হয়ে তিনি কারাগারে যান। এরপর তাকে চেয়ারম্যান পদ থেকে বরখাস্ত করে ইউপি সদস্য কফিল উদ্দিনকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সম্প্রতি ফরিদ উদ্দিন আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তি পেয়েই তিনি উচ্চ আদালতে রিট করে চেয়ারম্যান পদ ফিরিয়ে আনেন। সোমবার তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিতে পরিষদে গেলে তাদের দুজনের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা ও ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে তাদের পক্ষ নিয়ে গ্রামবাসী বিভক্ত হয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পালটাপালটি অবস্থান নেয়। এ সময় উভয়পক্ষে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে। একপর্যায়ে দুপুর ১২টার দিকে দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুপুর ২টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে পুলিশসহ উল্লেখ্যসংখ্যক লোক আহত হয়েছেন। তাদের বানিয়াচং ও হবিগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
