শরীয়তপুরে গণপূর্ত বিভাগে সাংবাদিক হেনস্তা

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The incident is classified as a violent assault and harassment of journalists by a contractor inside a government office to suppress corruption information, fitting the criteria for violent crime.

Reported by:JugantorDhaka PostCorroborated · 2 sources
19/08/26•জেলা গণপূর্ত কার্যালয়, শরীয়তপুর

Killed

0

Injured

3

Summary

শরীয়তপুর জেলা গণপূর্ত কার্যালয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ঠিকাদারের হামলার শিকার হয়েছেন তিন সাংবাদিক। তথ্য দুর্নীতির খবর ধামাচাপা দিতে নির্বাহী প্রকৌশলীর পূর্বপরিকল্পনায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 3

Perpetrator side

Locals

Other actors

কেএম রায়হান কবীরআমিনুল হক দুলালমো. ইব্রাহীমশারমিন আক্তারকাইয়ুম খান

Tags

ExtortionMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 3

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 19/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 18/04/26open original ↗

শরীয়তপুরে ড্রামে তেল বিক্রির ভিডিও করায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলায় একটি ফিলিং স্টেশনে ড্রামে করে খোলা বাজারে জ্বালানি তেল বিক্রির ভিডিও ধারণ করাকে কেন্দ্র করে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পাম্প মালিকের ভাতিজাকে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক সখিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এর আগে একই দিন সকালে উপজেলার কাশিমপুর এলাকার মেসার্স ফারিয়া ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার সাংবাদিক জাহিদ হাসান টিপু দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার ভেদরগঞ্জ প্রতিনিধি। তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে দৈনিক সমকাল পত্রিকার ভেদরগঞ্জ প্রতিনিধি আশিকুর রহমান হৃদয়কেও লাঞ্ছিত করা হয়। ভুক্তভোগী সাংবাদিক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কাশিমপুর এলাকায় মেসার্স ফারিয়া ফিলিং স্টেশনে শনিবার সকালে কয়েকটি ড্রামে করে তেল বিক্রি করছিলেন কর্মচারীরা। বিষয়টি লক্ষ্য করে ভিডিও ধারণ করেন ওই দুই সাংবাদিক। ভিডিও ধারণ করার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন পাম্প মালিক ফারুক মাদবর। এ সময় তাকে প্রশ্ন করা হলে পাশে থাকা তার ভাতিজা জামান মাদবরসহ কয়েকজন সাংবাদিক জাহিদ হাসান টিপুর ওপর হামলা চালায়। তাকে বাঁচাতে আরেক সাংবাদিক হৃদয় এগিয়ে আসলে তাকেও লাঞ্ছিত করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে চিকিৎসা নিয়ে পাম্প মালিক ফারুক মাদবর ও জামান মাদবরের বিরুদ্ধে সখিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক জাহিদ হাসান টিপু। এ ঘটনায় দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবী ভুক্তভোগী ও সাংবাদিক নেতাদের। ভুক্তভোগী সাংবাদিক জাহিদ হাসান টিপু বলেন, আমাদের কাছে বেশ কয়েকদিন ধরে অভিযোগ আসে কাশিমপুর মেসার্স ফারিয়া ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষমাণ মানুষদের তেল না দিয়ে ড্রামে করে তেল মজুত করে বেশি দামে খোলা বাজারে বিক্রি করা হয়। সকালে পাম্পটিতে গেলে দেখা যায় পাম্প মালিকের লোকজন অপেক্ষমাণ গাড়িতে তেল না দিয়ে ড্রামে অকটেন মজুত করছে। এরপর ভিডিও ধারণ করতে গেলে আমাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে। ড্রামে তেল মজুত করার কারণ জানতে চাইলে তিনি ওই তেল প্রশাসনের দাবি করে সেগুলো সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ভিডিও করায় ক্ষিপ্ত হয়ে পাম্পের লোকজন আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমি থানায় ন্যায়বিচারের আশায় অভিযোগ দায়ের করেছি। আরেক সাংবাদিক আশিকুর রহমান হৃদয় বলেন, পাম্পের মালিক ফারুক মাদবর ড্রামের তেলগুলো প্রশাসনের তেল উল্লেখ করেন। তবে কোন দপ্তরে এই তেল যাবে- এমন প্রশ্নে তিনি উত্তর না দিয়ে ড্রামসহ তেলগুলো দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তখন আমি এবং আমার সহকর্মী ভিডিও নেওয়ার চেষ্টা করলে পাম্পটির মালিক ফারুক মাদবর ও ভাতিজা জামান মাদবরসহ কয়েকজন আমার সহকর্মী জাহিদ হাসানের ওপর হামলা চালায়। আমি তাকে বাঁচাতে গেলে আমাকেও লাঞ্ছিত করা হয়। আমি এই হামলার বিচার দাবি করছি। বিষয়টি নিয়ে ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও একুশে টেলিভিশনের শরীয়তপুর প্রতিনিধি আবুল বাসার বলেন, কৃত্রিম সংকট ও অধিক মুনাফার লোভে কিছু অসাধু পাম্প মালিক তেল অবৈধ পথে বিক্রি করে। একজন সাংবাদিকের কাজ সত্য তুলে ধরা, প্রশাসনকে কলমের মাধ্যমে দেখিয়ে দেওয়া। কিন্তু আজ চোরাকারবারিদের ভিডিও ধারণ করার কারণে স্থানীয় দুই সাংবাদিককে যেভাবে মারধর করা হয়েছে এটা স্বাধীন সাংবাদিকতাকে গলা চেপে ধরা। প্রশাসন আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিচ্ছি। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন শরীয়তপুর ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব নুরুল আমিন রবিন। তিনি বলেন, অনিয়মের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে আজ সাংবাদিকরাই আহত। যেখানে সরকার চেষ্টা করছে সঠিকভাবে সবাইকে তেল পৌঁছে দেওয়ার, সেখানে এ ধরনের কিছু অসাধু পাম্প মালিকদের কারণে কালোবাজারিরা তেলগুলো নিয়ে যাচ্ছেন। আর অনিয়মের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে আমাদের দুই সাংবাদিক হামলার শিকার হয়েছেন। এই হামলার ঘটনায় সঠিক বিচার চাই। হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে মেসার্স ফারিয়া ফিলিং স্টেশনের মালিক অভিযুক্ত ফারুক মাদবর বলেন, অনেক সময় প্রশাসনের তেল ড্রামে করেই দিতে হয়। তারা চাহিদাপত্র নিয়ে আসায় আমরা সেভাবেই তেলগুলো দিচ্ছিলাম। অনেক সময় প্রাইভেট কার ভেতরে ঢুকতে পারে না, তাই ড্রামে ভর্তি করে তেল দিয়ে আসি। এছাড়াও নেতারা আসেন তাদেরও ম্যানেজ করতে হয়। এটাই মূল ঘটনা। পরে শুনেছি বাহিরে বসে আমার ভাতিজা ঝামেলা করেছে, যেটা সে ভুল করেছে। ও বুঝতে পারেনি আর চিনতেও পারেনি। পরে স্থানীয় লোকজন এসে বিষয়টি মীমাংসা করে দিয়েছে। ওর এমন কাজে আমি দুঃখিত। এ ব্যাপারে সখিপুর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ ফরিদ উদ্দিন বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আমি ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি জেনে এসেছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নয়ন দাস/আরএআর

Source 2: Jugantor · 20/08/26open original ↗

শরীয়তপুরে গণপূর্ত বিভাগে সাংবাদিক হেনস্তা

তথ্য চাওয়ায় ক্ষোভ শরীয়তপুরে গণপূর্ত বিভাগে সাংবাদিক হেনস্তা Advertisement শরীয়তপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ গণপূর্ত বিভাগ শরীয়তপুর জেলা কার্যালয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকরা হেনস্তার শিকার হয়েছেন। বুধবার দুপুরে জেলা গণপূর্ত কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে। দৈনিক যুগান্তর ও এসএ টিভির জেলা প্রতিনিধি কেএম রায়হান কবীর, সাপ্তাহিক শরীয়তপুর পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক আমিনুল হক দুলাল ও দৈনিক অগ্নীশিখা পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মো. ইব্রাহীম পেশাগত কাজে তথ্য সহায়তা চেয়ে জেলা গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী শারমিন আক্তারের সঙ্গে বার বার যোগাযোগ করে ব্যর্থ হন। বুধবার সরাসরি দেখা করতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তথ্য সংশ্লিষ্ট কাজের ঠিকাদার কাইয়ুম খান তেড়ে এসে উপস্থিত সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন। ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো. ইব্রাহীম বলেন, নির্বাহী প্রকৌশলী আগে থেকেই ঠিকাদারকে ডেকে এনে সেখানে বসিয়ে রেখেছিলেন। আমরা যাওয়া মাত্র ঠিকাদার আমাদের তেড়ে এসে নাজেহাল করেন। মূলত কাজের অনিয়ম দুর্নীতির তথ্য ধামাচাপা দিতেই নির্বাহী প্রকৌশলী পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই। তবে নির্বাহী প্রকৌশলী শারমিন আক্তার বিষয়টি অস্বীকার করেন।