শরীয়তপুরে গণপূর্ত বিভাগে তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকদের হেনস্তা

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The incident is classified as a violent assault and harassment of journalists by a contractor inside a government office to suppress corruption information, fitting the criteria for violent crime.

Reported by:JugantorSingle source
19/08/26•জেলা গণপূর্ত কার্যালয়, শরীয়তপুর

Killed

0

Injured

3

Summary

শরীয়তপুর জেলা গণপূর্ত কার্যালয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ঠিকাদারের হামলার শিকার হয়েছেন তিন সাংবাদিক। তথ্য দুর্নীতির খবর ধামাচাপা দিতে নির্বাহী প্রকৌশলীর পূর্বপরিকল্পনায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 3

Perpetrator side

Locals

Other actors

কেএম রায়হান কবীরআমিনুল হক দুলালমো. ইব্রাহীমশারমিন আক্তারকাইয়ুম খান

Tags

ExtortionMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 3

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 19/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 20/08/26open original ↗

শরীয়তপুরে গণপূর্ত বিভাগে সাংবাদিক হেনস্তা

তথ্য চাওয়ায় ক্ষোভ শরীয়তপুরে গণপূর্ত বিভাগে সাংবাদিক হেনস্তা Advertisement শরীয়তপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ গণপূর্ত বিভাগ শরীয়তপুর জেলা কার্যালয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকরা হেনস্তার শিকার হয়েছেন। বুধবার দুপুরে জেলা গণপূর্ত কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে। দৈনিক যুগান্তর ও এসএ টিভির জেলা প্রতিনিধি কেএম রায়হান কবীর, সাপ্তাহিক শরীয়তপুর পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক আমিনুল হক দুলাল ও দৈনিক অগ্নীশিখা পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মো. ইব্রাহীম পেশাগত কাজে তথ্য সহায়তা চেয়ে জেলা গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী শারমিন আক্তারের সঙ্গে বার বার যোগাযোগ করে ব্যর্থ হন। বুধবার সরাসরি দেখা করতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তথ্য সংশ্লিষ্ট কাজের ঠিকাদার কাইয়ুম খান তেড়ে এসে উপস্থিত সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন। ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো. ইব্রাহীম বলেন, নির্বাহী প্রকৌশলী আগে থেকেই ঠিকাদারকে ডেকে এনে সেখানে বসিয়ে রেখেছিলেন। আমরা যাওয়া মাত্র ঠিকাদার আমাদের তেড়ে এসে নাজেহাল করেন। মূলত কাজের অনিয়ম দুর্নীতির তথ্য ধামাচাপা দিতেই নির্বাহী প্রকৌশলী পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই। তবে নির্বাহী প্রকৌশলী শারমিন আক্তার বিষয়টি অস্বীকার করেন।