কেন্দ্রের বোঝাপড়া তৃণমূলে এলে কি আলিফের চোখটা যেত
Why this classification
The article reports a specific political clash in Habiganj where an 18-year-old lost his vision, which constitutes political violence.
Killed
0
Injured
1
Summary
হবিগঞ্জে কয়েক দিন আগে একটি রাজনৈতিক সংঘর্ষে ১৮ বছর বয়সী আলিফ তার বাম চোখের দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। তাসনিম জারা এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সৌজন্য তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছানোর দাবি জানিয়েছেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 01/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
আলিফের ক্ষতিগ্রস্ত চোখে দৃষ্টি ফেরার সম্ভাবনা নেই
এনসিপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা আলিফের ক্ষতিগ্রস্ত চোখে দৃষ্টি ফেরার সম্ভাবনা নেই আলিফ চৌধুরী সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ৩১ জুলাই ২০২৬ | ০৯:৪৮ | আপডেট: ৩১ জুলাই ২০২৬ | ১১:৫৩ | প্রিন্ট সংস্করণ হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে হামলায় আহত জাতীয় ছাত্রশক্তি নবীগঞ্জ উপজেলা কমিটির সংগঠক আলিফ চৌধুরীর ক্ষতিগ্রস্ত চোখে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অস্ত্রোপচার সফল হলেও ক্ষতিগ্রস্ত চোখে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে আলিফের চোখে অস্ত্রোপচার করা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসক সামিয়া নুজহাত জানান, আলিফ নিশ্চিতভাবে বলতে পারেননি, কী দিয়ে তাঁর চোখে আঘাত করা হয়েছিল। তবে ধারণা করা হচ্ছে, পাথর বা ইটের টুকরোর মতো কোনো শক্ত বস্তুর আঘাতে চোখে আইবল ফেটে যায় এবং ভেতরের অংশ বাইরে বেরিয়ে আসে। একই সঙ্গে চোখের ওপরের ও নিচের পাতাও গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনি আরও বলেন, অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চোখের গোলক, পাতা ও ক্ষতিগ্রস্ত নেত্রনালি মেরামত করা হয়েছে। এ ধরনের আঘাতের পর চোখের স্বাভাবিক গঠন পুরোপুরি ফিরে নাও আসতে পারে। ডা. নুজহাত বলেন, চোখটি সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর হয়ে গেছে কিনা, তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। ক্ষত কতটা ভালোভাবে সারে, সেটির ওপর অনেক কিছু নির্ভর করবে। তবে আক্রান্ত চোখে দৃষ্টিশক্তি ফিরে আসার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ। আরেক চিকিৎসক আব্দুল আহাদ জানান, অস্ত্রোপচারের আগেই সিলেটে প্রাথমিক পরীক্ষায় আলিফের আক্রান্ত চোখে ‘নো পারসেপশন অব লাইট (এনপিএল)’ শনাক্ত হয়। অর্থাৎ ওই চোখে আলো দেখার ক্ষমতাও ছিল না। সে কারণে শুরু থেকেই চিকিৎসকরা দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা দেখেননি। তিনি বলেন, অস্ত্রোপচারের মূল উদ্দেশ্য ছিল, ক্ষতিগ্রস্ত চোখে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকানো, অন্য চোখ ও আশপাশের টিস্যু সুরক্ষিত রাখা এবং চোখের বাহ্যিক গঠন যতটা সম্ভব সংরক্ষণ করা, যাতে চোখটি গর্ত হয়ে না যায়। আব্দুল আহাদ বলেন, আলিফের অপর চোখ এখনও ভালো রয়েছে। তাঁর চিকিৎসা চলছে বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী। চিকিৎসকদের ভাষ্য, আক্রান্ত চোখের রেটিনা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ গঠন সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সিটি স্ক্যানেও চোখের ভেতরে রক্ত জমাট বাঁধার প্রমাণ মিলেছে। ফলে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চোখের গঠন আংশিকভাবে পুনর্গঠন করা গেলেও দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। পারিবারিক সূত্র জানায়, আলিফ নবীগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের ফারুক চৌধুরীর ছেলে। হবিগঞ্জের একটি কলেজের একাদশ দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তিনি। - বিষয় : - চোখ নষ্ট
কেন্দ্রের বোঝাপড়া তৃণমূলে এলে কি আলিফের চোখটা যেত
সরকার ও বিরোধীদের প্রশ্ন তাসনিম জারার কেন্দ্রের বোঝাপড়া তৃণমূলে এলে কি আলিফের চোখটা যেত Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম ফাইল ছবি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেত্রী ও চিকিৎসক তাসনিম জারা প্রশ্ন তুলেছেন, কেন্দ্রীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক সৌহার্দ্য যদি তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছাত, তাহলে হবিগঞ্জের তরুণ আলিফ কি এক চোখের দৃষ্টিশক্তি হারাত? বুধবার (৫ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি সরকার ও বিরোধী দলের উদ্দেশে এ মন্তব্য করেন। পোস্টে তাসনিম জারা লেখেন, বুধবার দুটি দৃশ্য নজরে এসেছে। একটিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মান জানিয়ে মঞ্চে নিজের পাশে বসান। অন্য একটি অনুষ্ঠানে হট্টগোলের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ মাইকে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনকে নাম ধরে ডাকলে তিনি মঞ্চে উঠে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। তার ভাষায়, মঞ্চে সৌহার্দ্যের কমতি নেই। নাম ধরে ডাকা যায়, পাশে বসানো যায়। এরপর হবিগঞ্জের আলিফের প্রসঙ্গ টেনে তিনি লেখেন, কয়েক দিন আগে রাজনৈতিক সংঘর্ষে পড়ে ১৮ বছর বয়সি আলিফ তার বাম চোখের দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছে। তিনি প্রশ্ন রাখেন, কেন্দ্রের এই বোঝাপড়া তৃণমূল পর্যন্ত নামলে কি আলিফের চোখটা যেত? তাসনিম জারা বলেন, শীর্ষ নেতারা ক্ষমতার টেবিলে পাশাপাশি বসেন এবং পারস্পরিক যোগাযোগ বজায় রাখেন। কিন্তু এর মধ্যেই মাঠপর্যায়ের কর্মীরা রাজনৈতিক সংঘাতের শিকার হন। হবিগঞ্জের আলিফের চোখ হারানোর ঘটনাকে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেন্দ্রের এই সৌজন্য ও বোঝাপড়া যদি তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছাত, তাহলে হয়তো এমন ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো। রাজনীতিতে সৌজন্য ও সহনশীলতার চর্চা কর্মীদের নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে উল্লেখ করে তাসনিম জারা বলেন, এ সংস্কৃতি শুধু শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; বরং কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত তা ছড়িয়ে দিতে হবে।
