চট্টগ্রাম বন্দরে নিরাপত্তাকর্মীদের সাথে সংঘর্ষ, শ্রমিকদের প্রতিবাদ
Why this classification
ঘটনাটি চট্টগ্রাম বন্দরে নিরাপত্তাকর্মীদের সাথে পরিবহন শ্রমিকদের সংঘর্ষ, যেখানে নিরাপত্তাকর্মীরা অতিরিক্ত টাকা দাবি করে এবং শ্রমিকের মোবাইল ভেঙে দেয়। এটি একটি রাজনৈতিক সহিংসতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে কারণ এতে বন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে শ্রমিকদের ক্ষমতার দ্বন্দ্ব জড়িত।
Killed
0
Injured
0
Summary
চট্টগ্রাম বন্দরে নিরাপত্তাকর্মীদের সাথে সংঘর্ষ, শ্রমিকদের প্রতিবাদ। সোমবার বেলা ৩টায় গেট পাস নিতে গেলে নিরাপত্তাকর্মীরা অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন এবং প্রতিবাদ করায় শ্রমিকের মোবাইল ভেঙে দেন। এ ঘটনায় শ্রমিকেরা প্রায় ৭ ঘণ্টা পণ্য পরিবহন বন্ধ রাখেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 28/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
চট্টগ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, স্বামী আটক
চট্টগ্রাম নগরীর মধ্যম হালিশহর এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে সানজু বেগম (৪০) নামের এক গৃহবধূকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে আদর্শপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার দুই ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরিসহ অভিযুক্ত স্বামী মোহাম্মদ জাবেদকে আটক করে এসআরবি-৭। পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সানজু বেগম ও তার স্বামী মোহাম্মদ জাবেদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে জাবেদ স্ত্রীকে ছুরি দিয়ে আঘাত করার হুমকি দেন এবং পরে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন। নিহতের ভাই আকামাম জানান, ঘটনার সময় সানজু বেগমের ছেলে তাকে ফোন করে বিষয়টি জানায়। খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় বোনকে উদ্ধার করেন। পরে দ্রুত তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। এসআরবি-৭ কর্তৃক ইতোমধ্যে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।’ বন্দর জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. মাজহারুল ইসলাম জানান, পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদারকি করছে থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করে এসআরবি-৭ চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এ আর এম মোজাফফর হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরিও উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী সময়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।’ এমআর/আরএফ
৭ ঘণ্টা পর ডেলিভারি কার্যক্রম চালু
চট্টগ্রাম বন্দর ৭ ঘণ্টা পর ডেলিভারি কার্যক্রম চালু চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় ৭ ঘণ্টা পর পণ্যবাহী কনটেইনার ডেলিভারি কার্যক্রম শুরু হয়। সোমবার বিকাল ৩টায় বন্দরের নিরাপত্তা কর্মীরা পণ্যবাহী ট্রেইলরের এক কর্মীকে মারধর করায় চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কনটেইনার ডেলিভারি বন্ধ করে দেয় পরিবহণ শ্রমিকরা। পরে বন্দর ভবনে পরিবহণ মালিক ও শ্রমিকদের একাধিক সংগঠন, পুলিশ কর্মকর্তা ও বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এক বৈঠক শেষে রাত ১০টায় শ্রমিকরা আন্দোলন স্থগিত করলে পণ্য পরিবহণ শুরু হয়। মঙ্গলবার পরিবহণ শ্রমিক ও মালিক সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন দাবিসংবলিত স্মারকলিপি নিয়ে বন্দর চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করেন নেতারা। বিকাল ৪টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সংগঠনের নেতারা বন্দর চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন। প্রাইম মুভারস শ্রমিক ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের বলেন, বন্দরের গেট পাশের অতিরিক্ত ফি আদায় বন্ধ করা, চালকদের পুরোনো কিছু গেটপাশ কার্ড সচল করাসহ বেশ কিছু দাবি রয়েছে। এসব দাবি স্মারকলিপি আকারে জানানো হয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ সেগুলো পূরণ করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। এর আগে সোমবার বিকাল ৩টার দিকে চট্টগ্রাম বন্দরে গেট পাশের ফি ৫৭ টাকার বদলে ৮০-১০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার প্রতিবাদ করায় পণ্যবাহী ট্রেইলর কর্মী মোকতার হোসেনকে মারধর করেন নিরাপত্তা কর্মীরা। ওই সময় আশিকুর রহমান নামে বন্দরের এক নিরাপত্তা কর্মীও আহত হন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এরপর থেকে বন্দরের গেটগুলো দিয়ে কনটেইনারবাহী লরি, প্রাইম মুভার চলাচল বন্ধ রাখা হয়। ফলে বন্দর থেকে পণ্যবাহী কনটেইনার ডেলিভারি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম যুগান্তরকে বলেন, ‘বন্দরের নিরাপত্তা কর্মী ও পরিবহণ শ্রমিকদের মধ্যে যে ভুল বোঝাবুঝির ঘটনা ঘটেছিল, এর সমাধান হয়েছে। সোমবার রাত ১০টা থেকে ডেলিভারি কার্যক্রম শুরু হয়।’
বাড়তি টাকা দাবির ভিডিও করায় শ্রমিককে মারধর, পণ্য পরিবহন সাত ঘণ্টা বন্ধ
চট্টগ্রাম বন্দরফাইল ছবি পণ্য পরিবহনকারী গাড়ির চালকদের মারধরের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সোমবার প্রায় সাত ঘণ্টা পণ্য আনা-নেওয়া বন্ধ ছিল। পরে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পেয়ে রাত ১০টার দিকে গাড়ি চলাচল শুরু করেন শ্রমিকেরা। আন্তজেলা মালামাল পরিবহন সংস্থা ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির সমাজকল্যাণ সম্পাদক শামসুজ্জামান সুমন প্রথম আলোকে বলেন, বেলা তিনটার দিকে একজন পরিবহনশ্রমিক গেট পাস নিতে গেলে নিরাপত্তাকর্মীরা নির্ধারিত ফির চেয়ে বেশি টাকা দাবি করেন। এর প্রতিবাদ জানিয়ে ওই শ্রমিক ভিডিও ধারণ করতে গেলে নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁর মুঠোফোনটি মেঝেতে ছুড়ে ভেঙে ফেলেন। এ ঘটনার পর পণ্য পরিবহনকারী গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেন শ্রমিকেরা। পরে বন্দরের নিরাপত্তা বিভাগের পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিবহনশ্রমিক ও মালিকপক্ষের বৈঠক হয়। বৈঠকে ভিডিও ফুটেজ দেখে ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। এরপর রাত ১০টার দিকে শ্রমিকেরা কাজে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান শামসুজ্জামান সুমন। এ বিষয়ে জানতে চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিমের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। ফলে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। রাত ১০টার দিকে গাড়ি চলাচল শুরু হওয়ার পর বন্দরসংলগ্ন এলাকায় গাড়ির জট তৈরি হয়। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন চট্টগ্রামব্যবসাবন্দরবাণিজ্যচট্টগ্রাম বিভাগ
