হাসপাতালে মেয়েকে ভর্তির পর নিখোঁজ মায়ের লাশ উদ্ধার
Why this classification
A woman's bloody body was found under a hospital lift on 7 March 2026, four days after she went missing, and her family and police are investigating whether it was a crime. The cause of death is not yet confirmed, so the case is included as a possible killing, but it is not established as one.
Killed
1
Injured
0
Summary
কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে মেয়েকে ভর্তির পর ৩ মার্চ থেকে নিখোঁজ কহিনুর আক্তারের (৩২) রক্তাক্ত লাশ ৭ মার্চ লিফটের নিচে পাওয়া গেছে। পরিবার লিফট দুর্ঘটনা নাকি অন্য কারণে মৃত্যু হয়েছে তা তদন্তের দাবি জানিয়েছে, এবং পুলিশ ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
60% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 07/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
হাসপাতালে মেয়েকে ভর্তির পর নিখোঁজ মায়ের লাশ উদ্ধার
হাসপাতালে মেয়েকে ভর্তির পর নিখোঁজ মায়ের লাশ উদ্ধার Advertisement কক্সবাজার প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫৫ পিএম ফাইল ছবি কক্সবাজার ২৫০ শয্যার জেলা সদর হাসপাতালে মেয়েকে ভর্তির পর চার দিন ধরে নিখোঁজ এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে লিফটের নিচে রক্তাক্ত লাশটি উদ্ধার হলে হাসপাতালজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। নিহত কহিনুর আক্তার (৩২) উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ৭ নাম্বার ওয়ার্ড দক্ষিণ ডেইলপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি কাতার প্রবাসী নুরুল ইসলামের স্ত্রী। স্বজনরা জানান, বুধবার (৩ মার্চ) সাত বছর বয়সি মেয়েকে চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন কহিনুর। মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর ওইদিন বিকাল থেকে কহিনুর নিখোঁজ হন। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান না পেয়ে পরিবার কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। কহিনুরের স্বামীর ভাইয়ের ছেলে আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমার চাচি চার দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। আমরা সম্ভাব্য সব জায়গায় তাকে খুঁজেছি। র্যাব ও পুলিশকেও বিষয়টি জানিয়েছিলাম। তারপরও খোঁজ মেলেনি। হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করে দেখা যায়, নিখোঁজের দিন তিনি হাসপাতালের চারতলার লিফটে প্রবেশ করেছিলেন। এরপর তাকে আর বের হতে দেখা যায়নি। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ খোঁজ নিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। তিনি আরও বলেন, লিফট দুর্ঘটনার কারণে নাকি অন্য কোনো কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, সেটি সঠিকভাবে তদন্ত করে বের করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে জানতে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মং টিংঞোর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ছমি উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
