মেহেন্দীগঞ্জে সালিসে দুপক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৫
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Barishal. Parties reported: BNP, Civilian. Reported casualties: 1 killed and 5 injured. Reported by 1 source.
Killed
1
Injured
5
Summary
বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে পাওনা টাকা নিয়ে সালিস বৈঠকে বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর হাওলাদারের সমর্থকদের হামলায় খোরশেদ আলম নামের এক ট্যানারি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। ২২ মার্চ ২০২৬ বিকেলে এই সংঘর্ষের ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
74% · severity 9
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 5
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 22/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
মেহেন্দিগঞ্জে সালিশ চলাকালে দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত এক
মেহেন্দিগঞ্জে সালিশ চলাকালে দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত এক ছবি-সংগৃহীত বরিশাল ব্যুরো প্রকাশ: ২৩ মার্চ ২০২৬ | ০৫:৫০ | আপডেট: ২৩ মার্চ ২০২৬ | ০৬:০১ বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে পাওনা টাকা নিয়ে সালিশ বৈঠক চলাকালে দুপক্ষের সংঘর্ষে খোরশেদ শিকদার (৬৫) নামে একজন নিহত ও ৪ জন আহত হয়েছেন। রোববার বিকেলে মেহেন্দিগঞ্জ পৌর শহরের চরহোগলায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- সিরাজুল ইসলাম (৫১), মোকসেদ সিকদার (২২), রকিব সিকদার (২৬) ও সানজিদা আক্তার (২২)। নিহতের ভাতিজি আহত সানজিদা আক্তার বলেন, তার চাচা ২৪ বছর আগে ভবন নির্মাণ করেছেন। ওই ভবন নির্মাণের সময়ে তার কাছে পাওনা ৫০ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন ওয়ার্ড বিএনপির নেতা ও ঠিকাদার জাহাঙ্গীর হাওলাদার। এ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ নিরসনে রোববার বিকেলে পুলিশের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠক বসে। এসময় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা ২দিনের মধ্যে চাচাকে টাকা পরিশোধ করতে বলেন। তখন চাচা (খোরশেদ) বলেন, কোরবানির ঈদের পর তিনি টাকা দিতে পারবেন। এসময় জাহাঙ্গীরের বড় ছেলে নাঈম চাচাকে হুমকি দেয়। তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিষয়টি আমি ভিডিও করছিলাম বলে জাহাঙ্গাীরের মেজ ছেলে জাফর আমাকে থাপ্পড় মারে। আমার বাবা ও ভাই ধরতে গেলে তাদের বটি দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। আমার চাচা খোরশেদ শিকদার এগিয়ে এলে নাঈম ও জাফর তাকে লাথি মারে। এসময় তিনি পরে গেলে জাহাঙ্গীর ও তার ছেলেরা চাচাকে এলোপাতাড়ি লাথি ও মারধর করে। নিহতের ভাতিজি বলেন, একটা মানুষকে প্রশাসনের সামনে খুন করা হয়েছে। আমরা এর বিচার চাই। এ বিষয়ে জানতে মেহেন্দিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমানকে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি রিসিভ করেননি। জেলা পুলিশ সুপার এ, জেড, এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, পাওনা টাকা নিয়ে দুপক্ষের মারামারি হয়েছে। এ সময়ে পড়ে গিয়ে একজন অসুস্থ হন। তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। এ নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মরদেহের ময়না তদন্ত চলছে। পুলিশ সুপার স্বীকার করেন, ঘটনাস্থলে পুলিশের একাধিক সদস্য ছিলেন। তাদের ভূমিকার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। এ ঘটনার পর রাতে মেহেন্দিঞ্জ উপজেলা বিএনপি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, জাহাঙ্গীর ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। - বিষয় : - বরিশাল
মেহেন্দীগঞ্জে সালিসে দুপক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৫
লাশপ্রতীকী ছবি বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় পাওনা টাকা নিয়ে সালিস বৈঠকে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে খোরশেদ আলম (৫৫) নামের একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয়পক্ষে আহত হয়েছেন পাঁচজন। রোববার বিকেলে মেহেন্দীগঞ্জ পৌর এলাকার দক্ষিণ চরহোগলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তিদের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাওলাদারের নেতৃত্বে হামলায় খোরশেদ নিহত হয়েছেন। খোরশেদ রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকার একটি ট্যানারিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। তিনি ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসেছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শী তোতা সিকদার বলেন, প্রায় ২০ বছর আগে বিল্ডিংয়ের সেন্টারিং মালামাল বাবদ বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর নিহত খোরশেদের কাছে ২ লাখ ৫২ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে বলে মেহেন্দীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দুপক্ষের সালিসদারদের নিয়ে রোববার বিকেলে সালিস বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এতে মেহেন্দীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এ সময় খোরশেদের পক্ষের একজন বৈঠকের ভিডিও ধারণ করছিলেন। এতে ক্ষুব্ধ হন জাহাঙ্গীরের পক্ষের লোকজন। এ নিয়ে দুপক্ষের বাক্বিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। এতে খোরশেদ প্রতিপক্ষের হামলায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন। নিহত খোরশেদের ভাতিজা রাকিব সিকদার অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার চাচাকে জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের সামনেই হামলা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’ অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর হাওলাদার ঘটনার পর গা ঢাকা দেওয়ায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মেহেন্দীগঞ্জ পৌর বিএনপির সদস্যসচিব রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী (দিনু মিয়া) বলেন, ‘মারামারির খবর পাওয়ামাত্র জাহাঙ্গীরকে দল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি র মাধ্যমে এ তথ্য গণমাধ্যমে পাঠাব। আমরা কিছুতেই অন্যায়কে প্রশ্রয় দেব না।’ মেহেন্দীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মতিউর রহমান বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে এখনো এ ঘটনায় মামলা হয়নি। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন সংঘর্ষনিহতমেহেন্দীগঞ্জবরিশালবরিশাল বিভাগ
