নড়াইলে শিশু হত্যার দায় স্বীকার করে মায়ের জবানবন্দি, জানা গেল কারণ

AI-classifiedconfidence 76%

Why this classification

This incident was classified as criminal violence in Narail. Parties reported: Arifa Begum. Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 1 source.

Reported by:Dhaka PostJugantorCorroborated · 2 sources
09/04/26•Rameshwarpur, Myjpara, Narail Sadar

Killed

1

Injured

0

Summary

নড়াইল সদর উপজেলার রামেশ্বরপুর গ্রামে গত ৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে অতিরিক্ত কান্নাকাটি করায় সাড়ে তিন মাসের শিশুকন্যাকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করেছেন তার মা আরিফা বেগম।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

76% · severity 8

Parties involved

Arifa Begum

Tags

MurderDomestic Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 09/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 10/04/26open original ↗

নড়াইলে শিশু হত্যার দায় স্বীকার করে মায়ের জবানবন্দি, জানা গেল কারণ

সারাদেশ নড়াইল নড়াইলে শিশু হত্যার দায় স্বীকার করে মায়ের জবানবন্দি, জানা গেল কারণ জেলা প্রতিনিধি নড়াইল ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ অ+ অ- নড়াইল সদর উপজেলায় নিজ শিশুকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মা আরিফা বেগম (২১)। বিজ্ঞাপন গতাকাল বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যার পরে নড়াইল সদর আমলি আদালতের বিচারক মো. মারুফ হাসান তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। পরে তাকে নড়াইল জেলা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। নিহত শিশু তাবাসসুম উপজেলার মাইজপাড়া ইউনিয়নের রামেশ্বরপুর গ্রামের কুয়েত প্রবাসী চাঁন মানিক মোল্যার কন্যা। জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর আগে আলুকদিয়া গ্রামের মো. খায়রুল বিশ্বাসের মেয়ে আরিফাকে উপজেলার রামেশ্বরপুর গ্রামের কুয়েত প্রবাসী চাঁন মানিক মোল্যা বিয়ে করেন। আরিফা বেগমের জবানবন্দির বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সাড়ে তিন মাসের তাবাসসুম জন্মের পর থেকেই অনেক কান্নাকাটি করত। তাকে সামলানোর জন্য মা আরিফা বাদে আর কেউ ছিল না। শিশুটিকে সামলাতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে আরিফা। সেই যন্ত্রণা থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে শিশুটিকে কোলে নিয়ে গলায় গামছা পেচিয়ে হত্যা করে আরিফা। বিজ্ঞাপন এর আগে নড়াইল সদর উপজেলার শাহাবাদ ইউনিয়নের আলুকদিয়া গ্রামে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শিশু তাবাসুমকে তার মা হত্যা করেছে এমন একটি খবর ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শিশুটির মাকে হেফাজতে নেয়। আরকে

Source 2: Jugantor · 09/04/26open original ↗

৩ মাসের শিশুসন্তানকে গলায় গামছা প্যাঁচিয়ে হত্যার অভিযোগ, মা আটক

৩ মাসের শিশুসন্তানকে গলায় গামছা প্যাঁচিয়ে হত্যার অভিযোগ, মা আটক Advertisement লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৫ পিএম নড়াইল সদর উপজেলায় গলায় গামছা প্যাঁচিয়ে তাবাসসুম নামে তিন মাসের এক কন্যাশিশুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার মা আরিফা বেগম সুরাইয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই শিশুর মা আরিফা বেগমকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে উপজেলার শাহাবাদ ইউনিয়নের আলোকদিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাবাসসুমের বাবার বাড়ি নড়াইল সদর উপজেলার আড়ংগাছা গ্রামে। সে ওই গ্রামের প্রবাসী মানিক চান মোল্যার মেয়ে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দেড় বছর আগে আলোকদিয়া গ্রামের খায়রুল বিশ্বাসের মেয়ে আরিফা খাতুনকে উপজেলার আড়ংগাছা গ্রামের কুয়েত প্রবাসী চাঁন মানিক মোল্যা বিয়ে করেন। সন্তান জন্মের পর থেকে তিনি শ্বশুরবাড়িতেই ছিলেন। গত কয়েক দিন আগে আরিফা বেগম তার মেয়ে তাবাসসুমকে নিয়ে একই উপজেলার শাহাবাদ ইউনিয়নের আলোকদিয়ায় বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। বৃহস্পতিবার সকালে এলাকায় খবর ছড়িয়ে পড়ে আরিফা তার মেয়ে তাবাসসুমকে গলায় গামছা প্যাঁচিয়ে হত্যা করেছে। পরে খবর পেয়ে বেলা ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ শিশুর লাশ উদ্ধার করে। একই সঙ্গে নিহতের মা আরিফাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। তাবাসসুমের চাচা শামিম মোল্যা বলেন, আমার ভাই কুয়েত থেকে আমাকে ফোন দিয়ে জানায় বৃহস্পতিবার সকালে তার স্ত্রী ও কন্যা বাড়িতে আসবে; কিন্তু সকালে আলোকদিয়া থেকে ফোন দিয়ে আমাকে জানায় আপনার ভাতিজিকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এখানে এসে তার গলার দুইপাশে দাগ দেখতে পাই। নড়াইল সদর থানা পুলিশের ওসি মো. ওলি মিয়া বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত শিশুর মা আরিফাকে হেফাজতে নেওয়া হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।