পুলিশের লাথিতে আসামির বাবার মৃত্যুর অভিযোগ
Why this classification
Police allegedly kicked 66-year-old Abdul Hamid during a night-time arrest raid in Mahadebpur, Naogaon, and he died, which is a concrete physical assault with a fatality. Police deny the assault and say he died of a heart attack, but the event is recent and involves a physical act, so it is recorded as violence.
Killed
1
Injured
0
Summary
নওগাঁর মহাদেবপুরে ৪ মার্চ ২০২৬ (বুধবার) রাতে আসামি গ্রেফতারের অভিযানে পুলিশের লাথিতে আসামির বাবা আব্দুল হামিদ (৬৬) মারা গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মহাদেবপুর থানার ওসি ও পুলিশ সুপার এ অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
80% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 04/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
পুলিশের লাথিতে আসামির বাবার মৃত্যুর অভিযোগ
পুলিশের লাথিতে আসামির বাবার মৃত্যুর অভিযোগ Advertisement মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৫ মার্চ ২০২৬, ০২:১১ পিএম ফাইল ছবি নওগাঁর মহাদেবপুরে পুলিশের লাথিতে আসামির বাবা আব্দুল হামিদ ধলা (৬৬) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৪ মার্চ) রাতে উপজেলার হাতুড় ইউনিয়নের মালাহার উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, মহাদেবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আছির উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা মূলে আব্দুল হামিদের ছেলে এমরান হোসেনকে গ্রেফতার করতে বুধবার রাতে উত্তরপাড়া গ্রামে যান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এমরান হোসেন পালিয়ে যান। ইমরানকে না পেয়ে পুলিশ তার বাবা আব্দুল হামিদকে জোরপূর্বক ধরে নেওয়ার চেষ্টা করেন। আব্দুল হামিদের মা হালিমা বেওয়া (৮৫) ছেলেকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিশের পা ধরলেও পুলিশ তাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেন। আব্দুল হামিদের নাতি রিপন (১২) বলেন, রাতে ৫ জন পুলিশ এসে আমার দাদাকে জোরপূর্বক ধরে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ আমার দাদাকে লাথি মারলে তিনি মাটিতে পড়ে যান। সেখান থেকে উঠার চেষ্টা করে আবারও পড়ে যান তিনি এবং ওই অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। আব্দুল হামিদের মা হালিমা বেওয়া জানান, ছেলেকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য তিনি পুলিশের পা ধরলে পুলিশ তাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আব্দুল হামিদের নামে কোনো অভিযোগ বা মামলা নেই। ছেলে ইমরান হোসেনকে বাড়ি থেকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছে এমন অভিযোগে পুলিশ তাকে আটক করে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ তাকে লাথি মারলে সেখানে তিনি পড়ে যান এবং মৃত্যুবরণ করেন। অবস্থা বেগতিক দেখে পুলিশ অন্য আরেক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এসলামকে গ্রেফতার না করে ছেড়ে দিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। ওই গ্রামের মৃত ধলা বক্সের ছেলে আসামি এসলাম জানান, রাত ১টার দিকে কয়েকজন পুলিশ তার বাড়িতে ঢুকে তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট আছে জানিয়ে গ্রেফতারের চেষ্টা করে। এ সময় আইডি কার্ডের সঙ্গে তার নামের বানানের মিল না থাকায় তাকে আদালত থেকে জামিনের পরামর্শ দেয়। মহাদেবপুর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পুলিশ আসামি ধরতে গিয়েছিল ঠিকই কিন্তু নামে মিল না থাকায় আসামি এসলামকে ছেড়ে দেওয়া হয়। অন্য আসামি ইমরান হোসেনকে না পেয়ে তার বাবা আব্দুল হামিদকে এসলামের বাড়ি দেখানোর জন্য ডেকেছিলেন। সেখানে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আব্দুল হামিদ মারা যান। পুলিশ তাকে কোনো আঘাত করেনি। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, আব্দুল হামিদ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তারপরও পুলিশের বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ থাকে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান তিনি।
