মৃত নারীর ছেলেকে কান ধরে ওঠবস তদন্তে কমিটি

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This article reports a specific incident at Rangpur Medical College Hospital on 13 June 2026 in which relatives of a dead patient scuffled with and attacked doctors, and students and interns then forced the patient's son to perform humiliating sit-ups. The physical altercation and forced humiliation fall within the definition of relevant violence, and the event is recent and occurred in Bangladesh.

Reported by:JugantorDhaka PostCorroborated · 2 sources
13/06/26•Rangpur Medical College (RMCH) Hospital

Killed

0

Injured

0

Summary

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৩ জুন ২০২৬ তারিখে এক নারী রোগীর মৃত্যুর পর স্বজন ও চিকিৎসকদের মধ্যে হাতাহাতি হয় এবং স্বজনরা চিকিৎসকদের ওপর হামলা চালান। পরে ছাত্র ও ইন্টার্ন চিকিৎসকরা মৃত নারীর ছোট ছেলেকে আটক করে পরিচালকের কক্ষে কান ধরে ওঠবস করান, যার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

AI analysis

Category

Mob Justice / Lynchings

Confidence

85% · severity 4

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Nur Nahar Begum's sons (Nurujjaman Rintu and Rifat)Students and intern doctors of RMCHRMCH Director Brigadier General Ashikur RahmanDoctors of RMCH

Tags

Vigilante Justice

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 13/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 14/06/26open original ↗

মরদেহ আটকে রোগীর ছেলেকে ‘কান ধরে উঠবস’, আবার তারাই কর্মবিরতিতে

রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে চিকিৎসককে মারধরের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। একইসঙ্গে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরাও ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করেছে। এদিকে, রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতি এবং মৃত রোগীর মরদেহ আটকে রেখে তার ছেলেকে ‘কান ধরে উঠবস’ করানোর ঘটনায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনাও চলছে। এরই মধ্যে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতিতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ রোগী ও স্বজনরা। রোববার (১৪ জুন) সকাল থেকে রমেক হাসপাতালে কর্মবিরতি শুরু করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। এর আগের দিন শনিবারও তাদের বিক্ষোভ কর্মসূচি এবং কয়েক ঘণ্টার কর্মবিরতিতে রোগীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। জানা গেছে, শনিবার (১৩ জুন) ভোরে নগরীর জুম্মাপাড়া এলাকার নূরনাহার বেগমকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগে ভর্তি করা হয়। ভর্তির কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় চিকিৎসকদের অবহেলার অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মৃতের ছোট ছেলে রিফাত হোসেন। একপর্যায়ে কর্তব্যরত ইন্টার্ন চিকিৎসক নাইম বকশী ও ইনডোর অফিসার ডা. রাকিব হাসানকে মারধর করেন তিনি। ঘটনার প্রতিবাদে মরদেহ আটকে রেখে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামেন। তারা শনিবার বেলা ১১টা থেকে জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা বন্ধ করে দেন। প্রায় দুই ঘণ্টা পর দুপুর ১টার দিকে জরুরি বিভাগের কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হয়। দুপুরে মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে তুলে বাড়িতে নেওয়ার প্রস্তুতি চলাকালে আন্দোলনকারী ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা বাধা দেন। একপর্যায়ে অ্যাম্বুলেন্স থেকে মরদেহ নামিয়ে হাসপাতালের মর্গে নিয়ে রাখা হয়। পরে তারা সেখানে অবস্থান নিয়ে অভিযুক্ত রিফাতকে হাসপাতালে এসে ক্ষমা না চাইলে তার মায়ের মরদেহ দেওয়া হবে না বলে মাইকে ঘোষণা দিয়ে বিক্ষোভ করেন তারা। পরে চিকিৎসক মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত রিফাত হোসেনকে হাসপাতালে ডেকে আনা হয়। তিনি পরিচালকের কার্যালয়ে অবস্থান করছেন এমন খবরে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা সেখানে গিয়ে অবস্থান নেন। এ সময় অভিযুক্ত রিফাত হোসেনকে প্রকাশ্যে কান ধরে উঠবস করানোর শাস্তির দাবিতে তারা পরিচালক কার্যালয়ের সামনে স্লোগান দিতে থাকেন। পরবর্তীতে পরিচালকের কার্যালয়ের ভেতরে রিফাতকে কান ধরে উঠবস করানোর পর তার মায়ের মরদেহ ফেরত দেওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতির কারণে বিভিন্ন ওয়ার্ড ও বহির্বিভাগের সেবায় প্রভাব পড়েছে। তবে, জরুরি সেবা চালু রাখার চেষ্টা করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে ভর্তি এক রোগীর স্বজন মশিউর রহমান বলেন, ওয়ার্ডে সব সময় চিকিৎসকরা থাকেন না। বেশির ভাগ সময় ইন্টার্ন চিকিৎসকরাই রোগীদের দেখভাল করেন। এখন তারাও আসছেন না। তারা না এলে রোগীদের কী হবে? ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা জানান, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি চলবে। তবে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সমাধানে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। কান ধরে উঠবস করানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, অভিযুক্ত রিফাত সামনে কান ধরে উঠবস করছেন। এ সময় তার পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি সাদমান মিরাজ। এ বিষয়ে সাদমান মিরাজ বলেন, চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনার পর চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত, হাসপাতালে নিরাপত্তা জোরদারসহ কয়েক দফা দাবিতে তাদের কর্মসূচি চলছে। মায়ের মরদেহ আটকে রেখে অভিযুক্ত ছেলেকে ‘কান ধরে উঠবস’ করানোর পরও কেন কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তার মায়ের জানাজা ছিল। তাই তাৎক্ষণিকভাবে মামলা বা অভিযোগ দেওয়া হয়নি। যেন লঘু দোষে গুরু শাস্তি না হয়, সে কারণে তাকে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। আমরা অতটা অমানবিক নই। সাদমান মিরাজ দাবি করেন, কান ধরে উঠবস করানোর সময় পরিচালকের কার্যালয়ে পুলিশ ও হাসপাতাল প্রশাসনের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। তার অভিযোগ, চিকিৎসকদের মারধরের ঘটনায় পুলিশকে জানানো হলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। পরে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ‘মব’ তৈরি করে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। শিক্ষার্থীদের ওপর আমাদের নিয়ন্ত্রণ নেই। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান বলেন, আমরা ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে বসব, দাবিগুলো শুনব। আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান হবে বলে আশা করছি। ফরহাদুজ্জামান ফারুক/এসএইচএ

Source 2: Jugantor · 17/06/26open original ↗

মৃত নারীর ছেলেকে কান ধরে ওঠবস তদন্তে কমিটি

রমেক হাসপাতালে লাশ নিয়ে হাতাহাতি মৃত নারীর ছেলেকে কান ধরে ওঠবস তদন্তে কমিটি Advertisement রংপুর ব্যুরো প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ফাইল ছবি রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে এক নারী রোগীর মৃত্যু নিয়ে স্বজন ও চিকিৎসকদের মধ্যে হাতাহাতি এবং মৃত নারীর ছেলেকে কান ধরে ওঠবস করানোর ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমানের আদেশে মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. আব্দুল বাসেতকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয় এবং ১০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। কমিটির অপর সদস্যরা হলেন-কার্ডিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আবু জাহিদ ও সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. কানিজ সাবিহা। ঘটনার সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায়, নগরীর জুম্মাপাড়া এলাকার বাসিন্দা নুর নাহার বেগম (৬২) হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে ১৩ জুন ভোরে তাকে হাসপাতালে আনা হয়। তার ছোট ছেলে রিফাতের দাবি, মায়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তিনি চিকিৎসকের কাছে অক্সিজেন দেওয়ার অনুরোধ করেন। তবে চিকিৎসক আগে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দেন। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই রোগীর মৃত্যু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। চিকিৎসকদের অভিযোগ, রোগীর মৃত্যুর পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা চিকিৎসকদের ওপর হামলা চালান এবং তাদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। মৃত নুর নাহার বেগমের বড় ছেলে নুরুজ্জামান রিন্টু বলেন, মায়ের লাশ আটকে রাখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। লাশ নিয়ে যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সে তোলার পরও নামিয়ে হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়। এর জন্য মূলত অপ্রীতিকর ঘটনার জন্ম হয়েছে। এদিকে ‘ওই সময় উত্তেজিত রমেকের ছাত্র ও ইন্টার্ন চিকিৎসকরা মৃত রোগীর ছোট ছেলে রিফাতকে আটক করে চিকিৎসকের সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে বাধ্য করেন। এরপর তাকে হাসপাতাল পরিচালকের কক্ষে নিয়ে গিয়ে সেখানে তাকে পুনরায় কান ধরে ওঠবস করায় এবং তার ভিডিও ধারণ করে। তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে আমার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে।’ এ কথা মঙ্গলবার জুম্মাপাড়ায় নিজ বাসায় এই প্রতিবেদককে বলেন মৃত নুর নাহারের ছেলে রিফাত। তিনি আরও বলেন, ‘মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় আমি কিছুটা ক্ষুব্ধ হই। চিকিৎসক ও কর্মচারীদের সঙ্গে যা হয়েছে তা শোকের কারণে অবচেতনভাবে হয়েছে। তাই ক্ষমা চেয়েছি। কিন্তু পরে ছাত্ররা আমাকে যখন পরিচালকের কক্ষে নিয়ে ক্ষমা চেয়ে কান ধরে ওঠবস করতে বলে সে সময় আমি ভয় পাই ও অসহায় হয়ে পড়ি। মায়ের লাশ পাওয়ার জন্যই কান ধরে ওঠবস করতে বাধ্য হয়েছিলাম।’ রমেক হাসপাতাল পরিচালক বলেন, সেদিন যা ঘটেছে তা তদন্ত করে দেখার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মৃত নারীর ছেলেকে কান ধরে ওঠবস করার বিষয়টি তিনি জানতেন না। ঘটনাটি দুঃখজনক। ঘটনার পর হাসপাতালে জরুরি সেবা বন্ধ ছিল। ছাত্র, কর্মচারী, চিকিৎসক ও রোগীর স্বজনদের মাঝে উত্তেজনা চলছিল, তাই কে কখন কী করেছে তা তিনি জানতেন না। এছাড়া লাশ আটকে রাখার অভিযোগ অস্বীকার করে হাসপাতাল পরিচালক বলেন, লাশ দেওয়ার আগেই রোগীর স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়লে ওই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।