মৃত ভেবে কচুরিপানার নিচে চাপা দেওয়া হয় শিশুকে, উদ্ধার জীবিত

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

A 26-year-old man allegedly beat and tortured a 9-year-old boy, then left him under water hyacinth believing he was dead. The boy survived after local people rescued him, so this is a concrete physical attack with a child injured and recent, so it qualifies as violence.

Reported by:Dhaka PostSingle source
22/06/26•মহিষাহাটি গ্রাম, বারোবাজার ইউনিয়ন (মাজদিয়া বাওড়ের কচুরিপানা এলাকা)

Killed

0

Injured

1

Summary

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ২২ জুন (সোমবার) সকালে বারোবাজার ইউনিয়নের মহিষাহাটি গ্রামে ৯ বছর বয়সী শিশু জাহিদকে মারধর ও নির্যাতনের পর মৃত ভেবে মাজদিয়া বাওড়ের কচুরিপানার নিচে ফেলে দেওয়া হয়। স্থানীয়দের তৎপরতায় শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং মাদকাসক্ত হৃদয় হাসানের বিরুদ্ধে স্বজনরা অভিযোগ করেছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

92% · severity 7

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

জাহিদ (৯), শিশু, ভ্যানচালক আবুল কালামের ছেলে (ভুক্তভোগী)আবুল কালাম, শিশুটির বাবা, ভ্যানচালকহৃদয় হাসান (২৬), অভিযুক্ত, আমিনুর রহমানের ছেলে, মাদকাসক্তহৃদয় হাসানের দুই সহযোগী (নাম উল্লেখ নেই)স্থানীয় ভ্যানচালক (উদ্ধারকারী)মনিরুজ্জামান, এসআই, কালীগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 22/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 22/06/26open original ↗

মৃত ভেবে কচুরিপানার নিচে চাপা দেওয়া হয় শিশুকে, উদ্ধার জীবিত

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের পর মৃত ভেবে কচুরিপানার নিচে ফেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে স্থানীয়দের তৎপরতায় শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এক মাদকসেবীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা। সোমবার (২২ জুন) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বারোবাজার ইউনিয়নের মহিষাহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়দের তৎপরতায় শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত শিশু জাহিদ (৯) মহিষাহাটি গ্রামের ভ্যানচালক আবুল কালামের ছেলে। বর্তমানে সে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। অভিযুক্ত হৃদয় হাসান (২৬) একই গ্রামের আমিনুর রহমানের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত বলে জানা গেছে। শিশুটির বাবা আবুল কালাম বলেন, প্রতিদিনের মতো আজ সকালেও আমি ভ্যান নিয়ে জীবিকার উদ্দেশ্যে বের হই। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা মোবাইল ফোনে আমাকে জানায়, তার ছেলে জাহিদকে হত্যা করে মাজদিয়া বাওড়ের কচুরিপানার নিচে ফেলে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে দ্রুত গিয়ে ছেলেকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে বাড়ির পাশের মান্দারতলা এলাকায় খেলছিল জাহিদ। এ সময় হৃদয় হাসান তাকে জোর করে নির্জন স্থানে নিয়ে মারধর ও নির্যাতন চালায়। একপর্যায়ে শিশুটি অচেতন হয়ে পড়লে তাকে মৃত ভেবে হৃদয়সহ আরও দুই সহযোগী মাজদিয়া বাওড়ের কচুরিপানার নিচে ফেলে দিয়ে যায়। কচুরিপানার ফাঁকে শিশুটির মুখ ভেসে উঠতে দেখে এক ভ্যানচালক এগিয়ে যান। কয়েকজন মিলে জাহিদকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়। পরে স্বজনরা তাকে দ্রুত কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। কালীগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান বলেন, তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরকে