শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় আয়োজিত সভায় যুবদল নেতাকে হাতুড়িপেটা
Why this classification
The incident is classified as political violence because it involved a physical attack with weapons (hammers and sharp objects) by members of a political party's youth wing against another member of the same party.
Killed
0
Injured
2
Summary
২০২৬ সালের ৬ আগস্ট রাতে মাগুরার শ্রীপুরে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় আয়োজিত একটি সভায় হামলা চালানো হয়। এতে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জিয়াউল হক ফরিদের হাত ভেঙে যায় এবং তরিকুল ইসলাম কুপিয়ে আহত হন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 06/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় আয়োজিত সভায় যুবদল নেতাকে হাতুড়িপেটা
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার একটি বাজারে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় আয়োজিত একটি মতবিনিময় সভায় উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জিয়াউল হক ফরিদকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই দলের সদস্য সচিব জোয়ারদার শাহ আলম তুফানের বিরুদ্ধে। এ সময় সভায় উপস্থিত তরিকুল ইসলাম নামে আরও একজন আহত হয়েছেন। ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি পদ নিয়ে বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি জানাজানি হলে জেলা জুড়ে সমালোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এর আগে বুধবার (৬ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে উপজেলার খামারপাড়া বাজারের নিশান মার্কেটে বাজার কমিটির উদ্যোগে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, সভা শুরু হওয়ার আগেই উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব জোয়ারদার শাহ আলম তুফানের নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ জন ধারালো দা ও হাতুড়ি নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন। একপর্যায়ে তারা সভায় হামলা চালান। হামলায় উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জিয়াউল হক ফরিদের একটি হাত ভেঙে যায়। এছাড়া তরিকুল ইসলাম নামে অপর একজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়। খামারপাড়া বাজার কমিটির নেতারা জানান, শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নির্দেশনায় বাজারের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সভায় ওসির উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তিনি পৌঁছানোর আগেই তুফান কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে আসেন। পরে তিনি বলেন, ‘যে মিটিংয়ে আমি নেই, সেই মিটিং হবে না।’ এ সময় উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উঠে যেতে বলেন। এতে বাধা দিলে হামলা, ভাঙচুর এবং হাতুড়ি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ করেন তারা। খামারপাড়া বাজার কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন হোসেন বলেন, ওসির নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাদের সভায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জিয়াউল হক ফরিদ এবং সদস্য সচিব জোয়ারদার শাহ আলম তুফান দুজনকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু আকস্মিকভাবে সভায় এসে হামলা চালিয়ে পুরো আয়োজন পণ্ড করে দেওয়া হয়। হামলায় আহত উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জিয়াউল হক ফরিদ বলেন, গত সোমবার শ্রীকোল ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেখানে তাকে সভাপতি এবং জোয়ারদার শাহ আলম তুফানকে সহ-সভাপতি করা হয়। সভাপতি পদে মনোনীত না হওয়ায় তুফান ক্ষুব্ধ ছিলেন। তিনি বলেন, “এদিন কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের কোনো সভা ছিল না। বাজার কমিটির শান্তি-শৃঙ্খলা বিষয়ক সভায় পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে সভা পণ্ড করে দেওয়া হয়েছে।” অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব জোয়ারদার শাহ আলম তুফানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। শ্রীপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বলেন, এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) থান্দার খাইরুল হাসান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাছিন জামান/আরকে
হাতুড়িপেটা করে শ্রীপুর যুবদল আহ্বায়কের হাত ভেঙে দিলেন সদস্য সচিব
হাতুড়িপেটা করে শ্রীপুর যুবদল আহ্বায়কের হাত ভেঙে দিলেন সদস্য সচিব Advertisement মাগুরা প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৮:১০ পিএম হাতুড়িপেটা করে শ্রীপুর যুবদল আহ্বায়কের হাত ভেঙে দিলেন সদস্য সচিব মাগুরার শ্রীপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আয়োজিত মতবিনিময় সভায় দলবল নিয়ে উপস্থিত হয়ে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জিয়াউল হক ফরিদকে একই দলের সদস্য সচিব জোয়ারদার শাহ আলম তুফান হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হাত ভেঙে দিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। ইউনিয়ন পুলিশিং কমিটির সভাপতি পদ নিয়ে বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। ওই কমিটির সভাপতি পদে নিজে মনোনীত না হতে পেরে জিয়াউল হক ফরিদ মনোনীত হওয়ায় উপজেলা যুবদল সদস্য সচিব তুফান লোকজন নিয়ে তার ওপর হামলা চালিয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার রাত ৮টার দিকে শ্রীপুর উপজেলার খামারপাড়া বাজারে নিশান মার্কেটে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় স্থানীয় খামারপাড়া বাজার কমিটি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত হয়ে শ্রীপুর উপজেলা যুবদল সদস্য সচিব জোয়ারদার শাহ আলম তুফানের নেতৃত্বে ৮-১০ জন ধারাল দা ও হাতুড়ি নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় উপজেলা যুবদল আহ্বায়ক জিয়াউল হক ফরিদের হাত ভেঙে যায়। এছাড়া সভায় উপস্থিত তরিকুল ইসলাম নামে অপর একজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়। খামারপাড়া বাজার কমিটির নেতারা জানান, থানার ওসির নির্দেশে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। ওই সভায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার উপস্থিত হওয়ার কথা। রাত সাড়ে ৮টার দিকে তার জন্য সবাই অপেক্ষা করছিলেন; কিন্তু তিনি এসে পৌঁছার আগেই উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব তুফান কয়েকজনকে সঙ্গে মিটিংয়ে উপস্থিত হন। এ সময় ‘যে মিটিংয়ে আমি নেই, সেই মিটিং হবে না’- এমন কথা বলে তিনি মিটিংয়ে উপস্থিত গণমান্য ব্যক্তিদের উঠিয়ে দেন। এ সময় বাধা দিতে গেলে তারা রামদা এবং হাতুড়ি দিয়ে হামলা ও ভাঙচুর করেন। শান্তি-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় উপস্থিত খামারপাড়া বাজার কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন হোসেন বলেন, ওসির নির্দেশ মোতাবেক স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন লোকজনের পাশাপাশি বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতাদের সভায় আহ্বান জানানো হয়। উপজেলা যুবদলের সভাপতি ফরিদ এবং সদস্য সচিব তুফানকেও আহ্বান জানানো হয়েছিল। তারপরও আকস্মিকভাবে সভায় উপস্থিত হয়ে এ হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় আহত শ্রীপুর উপজেলা যুবদল আহ্বায়ক জিয়াউল হক ফরিদ বলেন, দুই দিন আগে শ্রীকোল ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশিংয়ের কমিটি করা হয়েছে। ওই কমিটিতে আমাকে সভাপতি এবং তুফানকে সহ-সভাপতি করা হয়েছে; কিন্তু তুফান নিজে সভাপতি হতে চাইলে মনোনীত না হওয়ায় সে ক্ষুব্ধ ছিল। এদিন কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভা ছিল না। তারপরও স্থানীয় বাজার কমিটির শান্তি-শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা হওয়া সত্ত্বেও সেখানে হামলা চালিয়ে সভা পণ্ড করে দেওয়া হয়। হামলার বিষয়ে উপজেলা যুবদল সদস্য সচিব অভিযুক্ত জোয়ারদার শাহ আলম তুফানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। শ্রীপুর থানার ওসি মো. ওলি মিয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।
