রাজশাহীতে পূর্বশত্রুতার জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ
Why this classification
This is a valid violent incident because the accused held pond guards at gunpoint with sickles, a Chinese axe and local weapons, then poisoned the pond, killing almost all the fish and causing about 75 lakh taka in losses. It happened on 13 April 2026, within the 14-day window, and was preceded by an earlier act of vandalism at the site on 30 March.
Killed
0
Injured
0
Summary
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার কয়ামাজমপুর গ্রামে ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (সোমবার) ভোর ৪টার দিকে পূর্বশত্রুতার জেরে অভিযুক্তরা ধারালো হাঁসুয়া ও দেশীয় অস্ত্রের মুখে পুকুরের পাহারাদারদের জিম্মি করে বিষ ছিটিয়ে দেয়, যাতে প্রায় সব মাছ মরে যায় এবং প্রায় ৭৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। এর আগে ৩০ মার্চ পুকুরপাড়ের ঘর ভাঙচুর করে মাছের খাবার ও ওষুধ নষ্ট করা হয়েছিল।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 13/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
রাজশাহীতে পূর্বশত্রুতার জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ
রাজশাহীতে পূর্বশত্রুতার জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের ঘটনা ঘটেছে। গত সোমবার (১৩ এপ্রিল) ভোরে দুর্গাপুর উপজেলার কয়ামাজমপুর গ্রামে মাছচাষি আনোয়ার সাহাদত হোসেনের পুকুরের বিষ প্রয়োগের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই দিন দুপুরে থানায় মামলা করা হয়। মামলার আসামিরা হলেন- আনিছুর রহমান আঞ্জু (৫০), আশিকুর রহমান সোহাগ (২৫), মো. রবিন (২৪), পিচ্ছি সেলিম, আতিকুর রহমান (৫) খোকন (২৭), মো. ফিজার (২৬)। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কয়ামাজমপুরে সাহাদত প্রায় ৪৭ বিঘার একটি পুকুর লিজ নিয়ে গত ১ জানুয়ারি থেকে মাছ চাষ করে আসছেন। পূর্বশত্রুতা ও মনোমালিন্যের জেরে আসামিরা গত ৩০ মার্চ দুপুর ১২টায় তার পুকুর পাড়ে রক্ষিত ঘর ভাঙচুর করে এবং ঘরে রক্ষিত প্রায় ৫০ বস্তা মাছের খাবার ও প্রায় লক্ষাধিক টাকার মাছের ওষুধ নষ্ট করে। পুকুরের পাহারাদার মো. রানার কাছ থেকে ঘরের চাবি কেড়ে নেয়। গত ১৩ এপ্রিল ভোর ৪টার দিকে আসামিরা পুকুরের রাত্রিকালীন পাহারাদার আব্দুল্লাহিল কাফি (৩০) মো. বুলবুল (৪২), মো. আলমগীকে ধারালো হাঁসুয়া, চাইনিজ কুড়াল এবং দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। আসামিরা ২৭ থেকে ৩০ কোটা বিষের ট্যাবলেট পুকুরে ছিটিয়ে দেয়। বিষ প্রয়োগের ফলে প্রায় সব মাছ মরে যায়। এতে প্রায় ৭৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এর আগে গত ৭ এপ্রিল কয়ামাজমপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পারভেজ সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগে করেন, চলতি বছরের ২০ মার্চ গোপালপুর বাজারে শান্ত নামে এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে বেদম মারধর করে সোহাগ ও তার সহযোগীরা। এর কয়েকদিন পর ৩০ মার্চ কয়ামাজমপুর হাইস্কুল মাঠ সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ৩০টি ভ্যান ও ১০টি মোটরসাইকেল আটক করে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়। মাছচাষি আনোয়ার সাহাদত হোসেন বলেন, কিছুদিন যাবত তারা আমার কাছে পুকুরে বিষ প্রয়োগের হুমকি দিয়ে আসছিল। তারা আমার এতো বড় ক্ষতি করে ফেললো। ওরা অত্র এলাকায় সন্ত্রাসী এবং চাদাবাজি করে এলাকার মানুষকে জিম্মি করে ফেলেছে। আমি ওদের বিচার চাই। ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বলেন, সোহাগ ও তার সহযোগীরা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, অপহরণ, চুরি-ডাকাতি ও অস্ত্রের মহড়া দিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। তিনি দাবি করেন, সোহাগ ঢাকার নিউমার্কেট এলাকার ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা মামলা রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে তারা কয়ামাজমপুরসহ আশপাশের এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। তবে অস্বীকার করে আশিকুর রহমান সোহাগ দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ প্রতিহিংসাবশত তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসাচ্ছে। পুকুরে বিষ প্রয়োগ বা ছাত্রলীগের সাথে সংশ্লিষ্টতার বিষয়গুলোকে সম্পূর্ণ সাজানো নাটক। ঢাকাতে হওয়া মামলাগুলোর সময় তিনি এলাকায় ছিলেন না বলে দাবি করেন। এ বিষয়ে দুর্গাপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, পুকুরে বিষ দেওয়ার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। এই মামলায় সোহাগ আসামি। কয়েকদিন আগে তাকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে বলে শুনেছি। শাহিনুল আশিক/আরএআর
উচ্চশব্দে বাইক চালানো নিয়ে সংঘর্ষ, আগুন ভাঙচুর
উচ্চশব্দে বাইক চালানো নিয়ে সংঘর্ষ, আগুন ভাঙচুর Advertisement রাজশাহী ব্যুরো প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা থানা এলাকায় গভীর রাতে উচ্চশব্দে মোটরসাইকেল চালানোকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসী ও একদল তরুণের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। এ সময় একটি বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী হামলাকারীদের ৪টি মোটরসাইকেলে পুড়িয়ে দিয়েছেন। সোমবার রাত পৌনে ১টায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জানা যায়, চন্দ্রিমা থানার কৈচুয়াতৈল এলাকার বাসিন্দা শাহীনের ছেলে অনিক কেষ্টগঞ্জ বাজার এলাকায় অতিরিক্ত শব্দ করে বেপরোয়াভাবে মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন। স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি তাকে এমনটি করতে নিষেধ করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এর কিছুক্ষণ পর অনিক তার সহযোগী রেদওয়ান, নাহিদসহ কয়েকজনকে নিয়ে স্থানীয় সাব্বির ও সোহেলের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায় এবং ভাঙচুর করে। এতে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে অনিক ও তার সহযোগীদের ৪টি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে অনিক পালিয়ে যায়। সংঘর্ষে অনিকের দুই সহযোগীসহ ৫ জন আহত হন। আহতরা হলেন, কেষ্টগঞ্জ এলাকার মো. কামাল উদ্দিন, মো. মুস্তাকিম হোসেন, রাজা আলম, জাহিদ হোসেন এবং সিয়াম হোসেন। অন্যদিকে আহত অনিকের সহযোগীরা হলেন-শাহমখদুম থানার নওদাপাড়া এলাকার রেদওয়ান এবং চন্দ্রিমা থানার হাজির মোড় এলাকার নাহিদ হোসেন। চন্দ্রিমা থানা পুলিশ পুড়ে যাওয়া ৪টি মোটরসাইকেল জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। অনিকের আহত দুই সহযোগীকে আটক করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। এ ব্যাপারে চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, অনিককে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। উভয়পক্ষ পালটাপালটি মামলা করেছে।
